• ই-পেপার

বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতালে অত্যাধুনিক অপথ্যালমিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার উদ্বোধন

আহমদ ছফার দেহাবশেষ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর

অনলাইন ডেস্ক
আহমদ ছফার দেহাবশেষ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর
সংগৃহীত ছবি

মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে সাহিত্যিক ও চিন্তক আহমদ ছফার দেহাবশেষ। আজ বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হয়।

এর আগে ফেসবুকে আহমদ ছফার ভাতিজা নূরুল আনোয়ার একটি ছবি ও ভিডিও আপলোড করে দেহাবশেষ স্থানান্তরের বিষয়টি জানান।

প্রখ্যাত এই বুদ্ধিজীবীকে সাধারণ কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল। চলতি বছরের মে মাসে আহমদ ছফার কবর মিরপুরের সাধারণ কবরস্থান থেকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

মৃত্যুর দুই যুগ পরে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী এবং প্রথাবিরোধী লেখক ও বুদ্ধিজীবীর কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তখন লেখকের পরিবারের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএনসিসির ১৪তম করপোরেশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আহমদ ছফার পরিবারের পক্ষে তার ভাইয়ের ছেলে নূরুল আনোয়ার লেখকের কবর স্থানান্তরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেন।

আগামী ২ দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে

অনলাইন ডেস্ক
আগামী ২ দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে
ছবি : কালের কণ্ঠ

এলএনজির ভাসমান টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জরুরি ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘ত্রুটি মেরামত চলছে, আগামী ২ দিনের মধ্যে সমাধান হবে বলে আশা করছি। সিএনজি স্টেশনে সংকট খুবই সাময়িক, এটি থাকবে না।’

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, একটি এফএসআরইউতে (এলএনজির ভাসমান টার্মিনাল) যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এর ফলে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। যে কারণে সিএনজি স্টেশনগুলোতে কিছুটা লাইন দেখা গেছে।

তিনি বলেন, দেশে প্রতিদিন প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে প্রতিদিন সরবরাহ করা যায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সেদিক থেকে কিছুটা ঘাটতি দীর্ঘদিন ধরে আছে। তবে গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে অনেক দিন কাজ হয়নি। নতুন সরকার আসার পর থেকে এই কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জ্বালানি তেলের সংকট নেই

দেশে ৩১ দিনের ডিজেল, ২৫ দিনের পেট্রল মজুদ আছে

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ৩১ দিনের ডিজেল, ২৫ দিনের পেট্রল মজুদ আছে
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশে ৩১ দিনের ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া ২৫ দিনের পেট্রল এবং ৩৬ দিনের অকটেন রয়েছে।

আজ বুধবার জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও কেউ কেউ এ বিষয়ে গুজব ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাসের কিছুটা ঘাটতি আছে। তবে নতুন গ্যাস উত্তোলনসহ ঘাটতি মোকাবেলার চেষ্টা করছে সরকার। একটি গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) সমস্যা দেখা দেওয়ায় গ্যাস নিয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এটির সমাধান হলে পাম্পে সিএনজির লাইন কমে যাবে।

যুগ্ম সচিব আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। তবে এর প্রভাব এবার সেভাবে পড়বে না। পরিশোধিত (রিফাইন্ড) কোনো তেল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাক্রান্ত দেশ থেকে বাংলাদেশ আনে না। তাই এ ক্ষেত্রে সমস্যা নেই। আর ক্রুড অয়েল এসব দেশ থেকে আনা হলেও বিকল্প পথ দিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে সরকারের।

কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে আগামী ৩০ জুলাই সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাদের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জ্বালানি সংকটের গুজব ছড়ানো হয়। দেশের অনেক স্টেশনে অতিরিক্ত ভিড়ও দেখা গেছে রাত থেকে।

সংকট তৈরির চেষ্টা থেকে জ্বালানি তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে মনে করছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, সবচেয়ে দুর্বল আফগানিস্তান

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, সবচেয়ে দুর্বল আফগানিস্তান

মাত্র ২০ বছরেই পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। অনেকের কাছে স্বপ্নের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট এখন আর সবচেয়ে শক্তিশালী নয়। মঙ্গলবার প্রকাশিত পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ে সবার ওপরে আছে সিঙ্গাপুর। ২০০৬ সালে প্রকাশিত প্রথম সূচকে ডেনমার্ক আর ফিনল্যান্ডের সঙ্গে শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন তাদের অবস্থান দশম। তালিকায় দশম হলেও যুক্তরাষ্ট্রের আগে আছে আরো ৩৬টি দেশের পাসপোর্ট। র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। আর সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্ট আফগানিস্তানের। 

কোন দেশের পাসপোর্টে ভিসা ছাড়া কয়টি দেশ ভ্রমণ করা যায়, তার ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশ করে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট এবং ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্যের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবছর এই সূচক প্রকাশ করে। ২০০৬ সাল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। এবার প্রকাশিত হলো তাদের ২০তম সূচক। ২০০৬ সালে সূচকটি যখন প্রথম যাত্রা শুরু করে, তখন বিশ্বব্যাপী একটি পাসপোর্টের মাধ্যমে গড়ে মাত্র ৫৮টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা পাওয়া যেত। গত ২০ বছরে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এই গড় দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ১০৮টি দেশে উন্নীত হয়েছে।

বাংলাদেশের পাসপোর্টে বিশ্বের ৩৫টি দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমন করা যায়। বাংলাদেশের সাথেই আছে নিষেধাজ্ঞা জর্জরিত উত্তর কোরিয়া। বাংলাদেশের চেয়ে দুর্বল পাসপোর্টের তালিকায় আছে নেপাল (৩৪), সোমালিয়া (৩২), ইয়েমেন (৩০), পাকিস্তান (২৯), ইরাক (২৮), সিরিয়া (২৫)। সবার নিচে আছে আফগানিস্তান। তালেবানশাসিত দেশটির পাসপোর্টে মাত্র ২২টি দেশ ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়।

হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের চেয়ারম্যান ক্রিশ্চিয়ান এইচ. কেলিন বলেছেন, ‘বিশ বছরের তথ্য-উপাত্ত দেখায় যে, পাসপোর্টের ক্ষমতা হলো একটি দেশের ভূ-রাজনৈতিক পুঁজির অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।’ কেলিন বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টগুলোর অধিকারী সেইসব রাষ্ট্র; যাদের অন্য দেশগুলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা বা সহযোগিতার জন্য অংশীদার হিসেবে পেতে চায়। মূলত অন্যান্য দেশগুলো আপনার সাথে তাদের সম্পর্ককে কতটা মূল্যায়ন করে, ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা হলো তারই একটি পরিমাপ।’

এবারের সূচকে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের। তাদের নাগরিকরা ১৯২টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। ২০০৬ সালে প্রকাশিত প্রথম সূচকের চেয়ে এ সংখ্যা ৭০টি বেশি। একবিংশ শতাব্দীর চমক সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের সাফল্য অবাহত রেখেছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে আরব আমিরাত যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। এ তিনটি দেশের পাসপোর্টে ১৮৮টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়। ২০০৬ সালের তুলনায় জাপানের পাসপোর্টে যুক্ত হয়েছে ৬০টি নতুন দেশ, দক্ষিণ কোরিয়ার ৭৩, আর দুই দশকে আরব আমিরাতকে নতুন ১৫৩টি দেশ ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা দিচ্ছে।

সূচকে তিন নাম্বারে আছে সুইডেন (১৮৭)। ২০০৬ সালের প্রথম সূচকে তাদের অবস্থান ছিল দ্বিতীয় (১২৯)। তালিকার চার নাম্বারে আছে ১১টি দেশ- বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনলান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন। সবার ভিসা মুক্ত গন্তব্য ১৮৬ দেশে।
২০০৬ সালে একাদশ অবস্থানে থাকা মাল্টা উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে। তবে তাদের সাথে আরো আছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। পঞ্চম স্থানে থাকা এই ৫টি দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ১৮৫ দেশে যেতে পারে। 

১৮৪ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা নিয়ে তালিকার ৬ নাম্বারে আছে হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য। ৭ নাম্বারে আছে ৮টি দেশ- লাতভিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক রিপাবলিক, স্লোভেনিয়া, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, কানাডা ও নিউজিল্যান্ড। এই দেশগুলোর  ভিসামুক্ত সুবিধা আছে ১৮৩ দেশে। ১৮২ দেশে ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে ক্রোয়েশিয়া আর এস্তোনিয়া আছে ৮ নাম্বারে। লিথুনিয়া আর লিখটেনস্টাইনের অবস্থান নবম, এই দুই দেশের পাসপোর্টে ১৮১টি দেশে যাওয়া যায় ভিসা ছাড়াই।  আর ১৮০ দেশে ভিসা মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা নিয়ে দশম স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সাথে আছে আইসল্যান্ড।

গত দুই দশকে সব দেশের পাসপোর্টেই ভিসামুক্ত সুবিধায় নতুন নতুন দেশের নাম যুক্ত হয়েছে। তবে বর্তমানে সূচকের ৭৭তম অব স্থানে থাকা বলিভিয়া দুই দশকে ৬টি দেশের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা হারিয়েছে।

বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতালে অত্যাধুনিক অপথ্যালমিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার উদ্বোধন | কালের কণ্ঠ