• ই-পেপার

বিভিন্ন উদ্যানে জনসমাগম অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধের সুপারিশ

জাহাজভাঙা শিল্প

হাজার কোটি বিনিয়োগেও কমেনি দুর্ঘটনা

গ্রিন ইয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে আকারভেদে ৫০-১০০ কোটি টাকার বেশি খরচ  ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো দেশে গ্রিন শিপব্রেকিং ইয়ার্ডের প্রচলন শুরু  দেড় দশকে শতাধিক মৃত্যু আহত ৫ শতাধিক

অনলাইন ডেস্ক
হাজার কোটি বিনিয়োগেও কমেনি দুর্ঘটনা

বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় শিল্প খাত জাহাজভাঙা শিল্প। এ শিল্পে গ্রিন ইয়ার্ডের সনদ অর্জনে বিপুল বিনিয়োগ করছেন শিল্প উদ্যোক্তারা। ফলে গ্রিন ইয়ার্ডের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। এক একটি গ্রিন ইয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে আকারভেদে ৫০-১০০ কোটি টাকার বেশিও খরচ করছেন উদ্যোক্তারা। কিন্তু এত আয়োজনের পরও কমছে না দুর্ঘটনা ও শ্রমিকের মৃত্যু। শুধু চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই জাহাজভাঙার ইয়ার্ডে ২৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন শ্রমিকের মৃত্যুর পাশাপাশি ২৫ শ্রমিক আহত হয়েছেন। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, শ্রমিকদের অদক্ষতা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না করা, নিরাপত্তা খাতে বিনিয়োগ কম হওয়ায় এমনটি হচ্ছে।

জানা গেছে, পরিবেশ সুরক্ষা, শ্রমিকের নিরাপত্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ পরিবেশ সম্মতভাবে স্ক্র্যাপ জাহাজ (পুরাতন) ভাঙার জন্য ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো দেশে গ্রিন শিপব্রেকিং (জাহাজভাঙা) ইয়ার্ডের প্রচলন শুরু হয়। ২০২৩ সাল পর্যন্ত হংকং কনভেনশন (প্রচলিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড) অনুযায়ী কেবল দুটি প্রতিষ্ঠান গ্রিন ইয়ার্ডের আন্তর্জাতিক সনদ পায়। তবে সে বছরের জুন থেকে হংকং কনভেনশনে বাংলাদেশের অনুসমর্থন কার্যকর হওয়ার পর দ্রুতই বাড়তে থাকে গ্রিন ইয়ার্ডের সংখ্যা। বর্তমানে গ্রিন সনদপ্রাপ্ত ইয়ার্ডের সংখ্যা ২৫টি। সর্বশেষ গত ১৮ মার্চ সীতাকুণ্ডের উত্তর সলিমপুরে এনবি স্টিল ও দক্ষিণ শীতলপুরে আরব শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং লিমিটেড নামে দুটি প্রতিষ্ঠান গ্রিন সনদ অর্জন করে। এর মধ্যে কেবল আরব শিপব্রেকিংকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাতে ইয়ার্ডের অবকাঠামো খাতে ৭০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নুর উদ্দিন রুবেল।

বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) তথ্যমতে, এক একটি গ্রিন ইয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে আকারভেদে ৫০-১০০ কোটি টাকার বেশিও খরচ করছেন শিল্প মালিক ও উদ্যোক্তারা। গত ছয় বছরে যেসব ইয়ার্ড গ্রিন সনদ পেয়েছে সেগুলোর অবকাঠামো ও অন্যান্য খাতে অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন তারা। এসব অর্থ দিয়ে আধুনিক ক্রেন, ভারী যন্ত্রপাতি, উন্নত মেঝে, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত মানোন্নয়ন এবং শ্রমিক নিরাপত্তা অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হয়েছে।

কিন্তু গ্রিন ইয়ার্ডের এত আয়োজনের পরও বাড়ছে না শ্রমিকের নিরাপত্তা। উল্টো চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি দুর্ঘটনার খবর দিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এসব দুর্ঘটনার ৮০ শতাংশ ঘটেছে ওপর থেকে গার্ডার কিংবা অন্যান্য ভারী বস্তু পড়ে যাওয়া, ক্রেন হুক খুলে যাওয়া এবং গ্যাস ও অগ্নিকাণ্ডের কারণে। আর সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে আছেন কাটারম্যান, কাটার ও ক্রেন হেলপার, ওয়্যার গ্রুপ, ফিটারম্যান ও লোডিং গ্রুপের শ্রমিকরা। এসব দুর্ঘটনার পেছনে অনিরাপদ আচরণ, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের অভাব, তদারকির ঘাটতি এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

বিলস সূত্র জানিয়েছে, গত দেড় দশকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপকূলের এসব ইয়ার্ডে ২ শতাধিক দুর্ঘটনায় শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৫ শতাধিক। এর মধ্যে কেবল ২০২৩ সালে ৩৪টি দুর্ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়, আহত হয় ২৮ জন। ২০২৪ সালে ২৮টি দুর্ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়, আহত হয় ৩৬ জন। ২০২৫ সালে ৪৮টি দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু ও আহত হয় ৫৮ জন। এ ছাড়া ২০২০ সালে ১০ জন, ২০১৯ সালে ২২ জন, ২০১৮ সালে ১৩ জন, ২০১৭ সালে ১৮ জন ও ২০১৬ সালে ১৮ জন শ্রমিকের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এলোমেলো বাসে বিশৃঙ্খলা সড়কে

অনলাইন ডেস্ক
এলোমেলো বাসে বিশৃঙ্খলা সড়কে

রাজধানীর সড়কে গণপরিবহনের বিশৃঙ্খল চলাচল যেন নিত্যদিনের চিত্র। একই রুটে একাধিক কোম্পানির বাসের প্রতিযোগিতা, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, হঠাৎ লেন পরিবর্তন, রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এবং যাত্রী ধরতে একে অপরকে ওভারটেক করার প্রবণতায় প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে যানজট। এতে শুধু সড়কের গতি কমছে না, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা যায়, নির্দিষ্ট বাস স্টপেজে না থেমে বাসগুলো যাত্রী দেখলেই সড়কের যেকোনো অংশে দাঁড়িয়ে পড়ছে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি বাস রাস্তার এক পাশে দাঁড়ালে অন্য বাসটি সেটিকে পাশ কাটিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এতে পেছনে থাকা যানবাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। অনেক সময় বাসগুলো একাধিক লেন দখল করে দাঁড়ানোয় সড়কে তৈরি হচ্ছে যানজট। রাজধানীর সড়কে নামলেই চোখে পড়বে বিশৃঙ্খল অবস্থা। যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় রাস্তায় বাসের রেষারেষি নিত্যচিত্র। ভাড়া নিয়ে বাসের হেলপারের সঙ্গে যাত্রীর বাগ্‌বিতণ্ডা লেগেই থাকে। দুই বাসের চাপায় হাত হারানো, যাত্রী তুলতে ফুটপাতে উঠে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চাপা দেওয়া কিংবা ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে যাত্রীকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। 

আরো পড়ুন

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন পাস হয়েছে কিন্তু শৃঙ্খলা ফেরেনি নগরের গণপরিবহনে। পরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করতে কয়েকটি রুটে চালু হয়েছিল লাল সবুজ নগর পরিবহন বাস, গোলাপি রঙের বাস। কিন্তু এগুলোর কোনোটাই টেকসই হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বাস নামানো নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১০ বছরেও তা সফলতা পায়নি। ব্যর্থ হয়েছে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর সব চেষ্টা। 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. সামছুল হক বলেন, ‘গণপরিবহনে আধুনিকায়ন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে সমন্বিত উন্নয়নে নজর দিতে হবে। প্রথমে অগ্রাধিকার দিতে হবে পথচারীদের এরপর গণপরিবহন ব্যবহারকারীদের। ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার অনুৎসাহিত করতে গণপরিবহনকে যুগোপযোগী করতে হবে। ঢাকায় প্রতিদিন ৪০টি নতুন গাড়ি নামছে রাস্তায়। রাস্তা না বাড়লেও গাড়ি বাড়ছে প্রতিদিন। এতে যানজট বেড়ে প্রতি ঘণ্টায় গাড়ি ৬ দশমিক ৪ কিলোমিটার যেতে পারছে। রাস্তা না বাড়িয়ে ডবলডেকার বাসে বেশি যাত্রী পরিবহন করা যেতে পারে। সড়ক পরিবহনে বিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পরিবহন ব্যবস্থাকে এক ছাতার নিচে কেউ কখনো আনতে পারেনি।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় রুটভিত্তিক সমন্বয় না থাকায় এই সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হয়েছে। একই রুটে অসংখ্য বাস কম্পানি নিজেদের মধ্যে যাত্রী ধরার প্রতিযোগিতায় নামে। ফলে বাস চলাচল অনেকটা ‘যাত্রী আগে ধরার প্রতিযোগিতা’ নির্ভর হয়ে পড়েছে। যাত্রী পাওয়ার আশায় চালকরা হঠাৎ গতি কমান, ব্রেক করেন, রাস্তার মাঝখানে দাঁড়ান কিংবা এক লেন থেকে অন্য লেনে চলে যান। এ ধরনের আচরণে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ও সড়কের শৃঙ্খলা দুটিই নষ্ট হয়।

বাসের এলোমেলো চলাচলের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে যাত্রী ওঠানামার সময়। নির্দিষ্ট স্টপেজে না থেমে যাত্রীদের সুবিধামতো বা চালক-হেলপারের ইচ্ছায় বাস থামানো হচ্ছে। ব্যস্ত সড়কের মাঝখানে বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানোর ফলে পেছনে যানবাহনের সারি তৈরি হয়।

রাজধানীর অধিকাংশ সড়কে বাসগুলো নির্দিষ্ট লেন ধরে চলে না। যাত্রী ওঠানোর জন্য হঠাৎ বাম পাশে চলে যাওয়া, সামনে থাকা যানবাহন পাশকাটাতে ডান দিকে সরে যাওয়া কিংবা মোড়ের কাছে একাধিক লেন দখল করে দাঁড়িয়ে পড়ার এসব ঘটনা প্রতিদিনের। ঢাকার সড়কে যানবাহনের ধরনও একেবারে একরকম নয়। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্য যানবাহন একই সড়কে চলাচল করে। এই মিশ্র যানবাহনের মধ্যে বাসের অনিয়ন্ত্রিত লেন পরিবর্তন সামগ্রিক যানপ্রবাহকে আরো জটিল করে তোলে। ঢাকার মতো ননলেনভিত্তিক ও বৈচিত্র্যময় যানবাহন ব্যবস্থায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা ও প্রেক্ষিতভিত্তিক পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে গবেষণাতেও উঠে এসেছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ঢাকাসহ ১০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ১০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
ছবি/কালের কণ্ঠ

দেশের ১০ অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

অঞ্চলগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, এ ১০ অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন নির্ধারণ

অনলাইন ডেস্ক
সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন নির্ধারণ

ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপি সার উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল জরুরিভিত্তিতে সংগ্রহের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের সময়সীমা ৪২ দিনের পরিবর্তে ২১ দিন নির্ধারণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

কর্মকর্তারা জানান, এই সিদ্ধান্ত জরুরি সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে, প্রয়োজনীয় কাঁচামালের পর্যাপ্ত মজুদ বজায় রাখতে এবং সার উৎপাদনে কোনো ধরনের ব্যাঘাত রোধ করতে সহায়তা করবে; যার ফলে দেশের কৃষি খাতের প্রয়োজনে সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এছাড়া কমিটি স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রস্তাবেরও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলায় একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের একাংশ বাস্তবায়নের জন্য ‘ডেলিগেটেড প্রকিউরমেন্ট’ বা অর্পিত ক্রয় পদ্ধতির আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে (চট্টগ্রাম) বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বিভিন্ন উদ্যানে জনসমাগম অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধের সুপারিশ | কালের কণ্ঠ