• ই-পেপার

করোনার প্রভাব

চিংড়ি, জীবন্ত কাঁকড়া-কুচিয়া রপ্তানি বন্ধ, ক্ষতি ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা

সমুদ্রব্ন্দর থেকে নামল সতর্কসংকেত

অনলাইন ডেস্ক
সমুদ্রব্ন্দর থেকে নামল সতর্কসংকেত

দেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ জন্য চার সমুদ্রবন্দর থেকে সতর্কসংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। 

রবিবার সকালে সর্বশেষ আবহাওয়ার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের ‍উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

এদিকে সন্ধ্যার মধ্যে দেশের সাত জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের আভাস

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের আভাস

দেশের সাত জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। 

রবিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

দূষণের শীর্ষে কিনশাসা, বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

অনলাইন ডেস্ক
দূষণের শীর্ষে কিনশাসা, বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিনদিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় ১৭৮ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পাশাপাশি ১৭৫ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষ ২ নম্বরে অবস্থান করছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডার রাজধানী কামপালা। বাতাসের এই মানও নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’।

অন্যদিকে বায়ুমান স্কোর ৭৫ নিয়ে তালিকার ২৯ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

রবিবার (১৯ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ১৭৩ স্কোর নিয়ে শীর্ষ ৩ নম্বরে আছে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো। বাতাসের এই মানও নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

এদিকে রবিবার সকালে রাজধানীর ১০ এলাকায় বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি। এই এলাকাগুলো হলো—বারিধারা পার্ক রোড (১৩৩), বারিধারা লেকসাইড এলাকা (১০৭), মাদানী এভিনিউয়ের বে’জ এইজ ওয়াটার আউটডোর (৯৭), গুলশান লেক পার্ক (৯৫), পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি (৮৬), শহিদ শাহাবুদ্দিন রোডের বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এলাকা (৭৯), গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (৭৯), ধানমণ্ডি (৭৫), খিলগাঁওয়ের গোড়ান (৬৯) এবং গুলশান-২-এর রোব ভবন এলাকা (৫৩)।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। পাশাপাশি ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কোর মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

অন্যদিকে স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে ধরা হয়। পাশাপাশি ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো ঢাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো ঢাকায়
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো দুই দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন।

আজ রবিবার সকালে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সফরে তিনি আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।

সফরে বাংলাদেশে শ্রমমান উন্নয়ন, কর্মপরিবেশের উন্নতি, শ্রমিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজার এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পেতে পারে।

গিলবার্ট হোংবো কে?
গিলবার্ট এফ. হোংবো পশ্চিম আফ্রিকার দেশ টোগোর নাগরিক। তিনি ২০২২ সালের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ১১তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আইএলওর শতবর্ষের ইতিহাসে তিনি প্রথম আফ্রিকান মহাপরিচালক।

অর্থনীতি, উন্নয়ন অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হোংবো এর আগে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (আইএফএডি)-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সহকারী মহাসচিব এবং বিভিন্ন সময়ে টোগোর অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।

হোংবো দক্ষিণ আফ্রিকার লোমে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেনিনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায় প্রশাসন ও হিসাববিজ্ঞানে শিক্ষা গ্রহণ করেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক ন্যায়বিচার, শ্রমিকের অধিকার এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত।

বাংলাদেশে তার এ সফরকে শ্রম খাত সংস্কার, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প, এলডিসি-উত্তর চ্যালেঞ্জ এবং শ্রমবাজারের আধুনিকায়ন নিয়ে আইএলওর সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চিংড়ি, জীবন্ত কাঁকড়া-কুচিয়া রপ্তানি বন্ধ, ক্ষতি ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা | কালের কণ্ঠ