• ই-পেপার

স্বাধীনতা দিবসে বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত

মহাসড়কে ১০ কিলোমিটারে থাকছে একটি অ্যাম্বুলেন্স, চালু হচ্ছে পোস্ট-ক্র্যাশ রেসপন্স

অনলাইন ডেস্ক
মহাসড়কে ১০ কিলোমিটারে থাকছে একটি অ্যাম্বুলেন্স, চালু হচ্ছে পোস্ট-ক্র্যাশ রেসপন্স

দেশে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে সমন্বিত দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবা (পোস্ট-ক্র্যাশ রেসপন্স)। মহাসড়কে প্রতি ১০ কিলোমিটারে রাখা হবে একটি অ্যাম্বুলেন্স। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সেবাটি চলতি মাসের শেষ দিকে চালুর পরিকল্পনা করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

বণিকবার্তা এক প্রতিবেদনে জানায়, প্রথম পর্যায়ে ‘বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় জয়দেবপুর চৌরাস্তা-টাঙ্গাইল-রাজশাহী, জয়দেবপুর চৌরাস্তা-ময়মনসিংহ ও সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল-রংপুর করিডোরে এ কার্যক্র শুরু হবে। পরীক্ষামূলকভাবে ১০ কিলোমিটার পরপর একটি করে মোট ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হবে। দুর্ঘটনার পর প্রথম ১ ঘণ্টা বা ‘গোল্ডেন আওয়ার’-এর মধ্যে আহতকে চিকিৎসার আওতায় আনাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

জানা গেছে, প্রতিটি অ্যাম্বুলেন্সে চালকের পাশাপাশি থাকবেন একজন প্রশিক্ষিত প্যারামেডিক বা মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট। তারা ঘটনাস্থলে আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেবেন। এরপর দ্রুত নিকটস্থ উপযুক্ত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করবেন। ৬০টি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে কয়েকটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরক্ষিত থাকবে।

পুরো সেবাটি পরিচালিত হবে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে। প্রতিটি অ্যাম্বুলেন্সে জিপিএস ট্র্যাকার থাকবে। ফলে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্সগুলোর অবস্থান সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা যাবে। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সবচেয়ে কাছের অ্যাম্বুলেন্সটি ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে।

দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক সহায়তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কসংলগ্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাদের ফার্স্ট এইড বক্সও সরবরাহ করা হবে, যাতে অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছার আগ পর্যন্ত আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অ্যাম্বুলেন্স, প্রশিক্ষিত জনবল ও দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে অনেক আহত ব্যক্তি দুর্ঘটনার প্রথম ১ ঘণ্টার মধ্যেই মারা যায় বা পঙ্গুত্বের শিকার হয়। নতুন ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় কল সেন্টার, জিপিএস-ভিত্তিক অ্যাম্বুলেন্স ট্র্যাকিং, প্রশিক্ষিত প্যারামেডিক ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে দ্রুত সাড়া দেয়ার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।

এ সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেয়া হবে। আহত ব্যক্তি বা তার পরিবারকে কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যয় প্রকল্পের অধীনে বহন করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল নিশ্চিত করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্ট’র পরিচালক ও সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাব্বির হাসান খান বলেন, ‘চলতি মাসেই ৬০টি অ্যাম্বুলেন্সের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ। এর অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য মহাসড়কেও একই ধরনের দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবা চালু করা হবে।’

তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন সেনাপ্রধান
সংগৃহীত ছবি

তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সরকারি সফরে দেশটির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রবিবার (১৯ জুলাই)  সকালে দেশটির উদ্দেশে রওনা হন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অধিকতর উন্নয়ন ও জোরদার করার লক্ষ্যে তিনি তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। সফর শেষে আগামী সপ্তাহে সেনাপ্রধানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

বাড়ছে রিক্রুটিং এজেন্সি, বাড়ছে অভিযোগও

অনলাইন ডেস্ক
বাড়ছে রিক্রুটিং এজেন্সি, বাড়ছে অভিযোগও

এ বছর নতুন ২১৬টি রিক্রুটিং এজেন্সি নিবন্ধন পেয়েছে। এ নিয়ে আড়াই হাজার ছাড়িয়ে গেছে শ্রমিক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সরকারি সংখ্যা। সরকারি নিবন্ধন নিয়েও অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ভিসা বিক্রি ও প্রতারণার নানা অভিযোগ এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

এখন টিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, দেশে রিক্রুটিং এজেন্সি ২ হাজার ৮৪১টি। এরমধ্যে সক্রিয় ২ হাজার ১৭৫টি ও লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে ২৯৭টির। ভারত, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল থেকে তুলনামূলক বেশি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশে। 

রাজধানী জুড়ে এক হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্সি থাকলেও অর্ধেকেরও কম প্রতিষ্ঠান সরাসরি শ্রম অভিবাসনে ভূমিকা রাখছে। অভিযোগ আছে, অপ্রয়োজনীয় লাইসেন্স বাড়ার কারণে বেড়েছে ভিসা বিক্রি ও প্রতারণা।

লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে বায়রার সদস্য প্রায় আড়াই হাজার প্রতিষ্ঠান। সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার তালিকাভুক্তির প্রতিযোগিতা থাকলেও অধিকাংশ এজেন্সি কাজ করে মূলত সাব এজেন্টের।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, দেড় থেকে ২০০ রিক্রুটিং এজেন্সি সৌদি আরবে সরাসরি রিক্রুটমেন্টের সাথে জড়িত। এখন আমাদের লাইসেন্স সংখ্যা বাড়ার কারণে সেটি হয়তো ৩০০ এর মধ্যে গিয়ে পড়বে। বায়রারকে আমরা একটা পরিবার বলে থাকি। বায়রার কোনো একজন লোকের কাছে যদি ডিমান্ড আসে, সেই ডিমান্ডের মানে পরিবারের সদস্য হিসেবে ডিমান্ডের হক সবারই থাকে। এজন্য সবাই সবাইকে সহায়তা করে, আমরা বিষয়টাকে ওভাবেই দেখি।

সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ বলেন, যদি সরকার টাফ থাকে এবং তারা যদি চেক করে যে এই রিক্রুটিং লাইসেন্সের নামে কোনো কমপ্লেইন নাই, বা এক বছরে সে ১০০ লোক মিনিমাম পাঠিয়েছে, তাদের লাইসেন্সগুলি রিনিউ করা উচিত। এবং যেগুলি তারা লোক পাঠায় নাই, এগুলি ক্লোজ করে দিলেই আপনে অটোমেটিক আপনের লাইসেন্স এগুলি কমে আসবে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের সমন্বয়হীনতার কারণেই এজেন্সিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। প্রতারণার এড়াতে কাজের মূল্যায়নের পাশাপাশি যত্রতত্র লাইসেন্স দেয়া বন্ধ করতে হবে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির বলেন, ‘এতগুলো রিক্রুটিং এজেন্সি হওয়ার কারণে, সেটা অনলাইন হোক আর অফলাইন হোক, সেগুলো মনিটর করা কিন্তু সরকারের পক্ষে কঠিন। যেটা ইমিডিয়েটলি করা দরকার—যে এক ধরনের একটা মূল্যায়ন করা দরকার, যে এতগুলো রিক্রুটিং এজেন্সি আসলেই তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে কিনা। যারা খুবই তাদের পারফরম্যান্স খারাপ, তাদেরকে একটা আলাদা তালিকায় ফেলে রাখা যেতে পারে। যে এদেরকে খুব বেশি অনুমোদন দেওয়া যাবে না বা এদের ব্যাপারে আসলেই খুব নজরদারি বেশি রাখতে হবে। আর যারা ভালো কাজ করছে, তাদের সাথে হয়তো আরও নিয়মিতভাবে কাজ করা যায়।’

বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ‘যদি আমরা এরকম সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাই যে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে গিয়েছে কিন্তু সে কাজ পাচ্ছে না, তাহলে অভিযোগ পাইলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি। নিরাপদ শ্রম অভিবাসন ও কর্মীদের কাজের নিরাপত্তা দিতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে আরও বেশি জবাবদিহিতা ও নজরদারির আৱওতায় আনতে হবে।’

প্রবাসী কার্ডে মিলবে ১০ বিশেষ সুবিধা

অনলাইন ডেস্ক
প্রবাসী কার্ডে মিলবে ১০ বিশেষ সুবিধা

আগস্টে পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে প্রবাসী কার্ড। প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, ক্ষমতায়ন, আর্থিক প্রণোদনা এবং ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা পাবেন। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ক্রীড়া কার্ড বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  প্রবাসী কার্ডও সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এসব সুবিধার মধ্যে রয়েছে দেশে ও বিদেশে কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ এবং বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপ্লিমেন্টারি মিট এবং গ্রিট সেবা, বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়, দেশে ও বিদেশে ন্যায্যমূল্যে গাড়ি বুকিং এবং সিগনেচার কার্ডধারীদের জন্য এয়ারপোর্ট পিক অ্যান্ড ড্রপ সেবা।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে প্রবাসীসেবা বুথ এবং বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবায় বিশেষ ছাড়, কার্ডধারীর মৃত্যু হলে বিনা খরচে লাশ দেশে পরিবহনের সুবিধা, প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসন ও বীমা সুবিধা, জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স প্রদান এবং বৈদেশিক বিনিয়োগে অগ্রাধিকার, রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্রেডিট স্কোরিং, ঋণ সুবিধা এবং কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি অর্থ প্রেরণ ও সহজ লেনদেনের সুবিধা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, কনস্যুলার সেবা, ব্যাংকিং ও সরকার প্রদত্ত অন্যান্য সেবায় অগ্রাধিকার থাকবে।

আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে। ডিসেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে ৫০ হাজার এবং আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসী কার্ড বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসে বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত | কালের কণ্ঠ