অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার ঠেকাতে করা নতুন আইন কার্যকর করতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। একটি গবেষণায় বয়স যাচাই ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্বলতার তথ্য উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
গত ডিসেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা নিষিদ্ধ।
গবেষণায় ৫০টি পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে ব্যবহারকারীর বয়স ১৬ বছর উল্লেখ করা হয়। কিন্তু কোনো প্ল্যাটফর্মই বয়সের প্রমাণ চায়নি।
গবেষকরা জানায়, এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। কেউ ভুল জন্ম তারিখ দিলে সহজেই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারছে। ফলে আইনটি পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না।
তবে কেউ যদি নিজের বয়স ১৬ বছরের কম উল্লেখ করে, তাহলে বেশির ভাগ প্ল্যাটফর্ম তাকে অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়নি। শুধু অস্ট্রেলিয়ার কিক প্ল্যাটফর্ম বয়সের প্রমাণ ছাড়া কোনো অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়নি।
অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনার বলেছে, বয়স যাচাইয়ের জন্য একাধিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। তবে সেগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
অন্যদিকে মেটা জানিয়েছে, ব্যবহারকারীর আচরণ দেখে কম বয়সী মনে হলে তখন অতিরিক্ত বয়স যাচাই করা হয়। তাই সব ব্যবহারকারীর কাছ থেকে শুরুতেই বয়সের প্রমাণ চাওয়া হয় না।
বিশ্লেষকরা জানায়, ভুল জন্ম তারিখ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ বন্ধ না করলে অস্ট্রেলিয়ার এই আইন পুরোপুরি সফল হবে না।




