• ই-পেপার

অপেক্ষার অবসান, অনুপম রায়ের কনসার্টের নতুন তারিখ ঘোষণা

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নীরবতায় ক্যাটরিনার ওপর অনুরাগীদের ক্ষোভ

বিনোদন ডেস্ক
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নীরবতায় ক্যাটরিনার ওপর অনুরাগীদের ক্ষোভ
সংগৃহীত ছবি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, কেন অনেক জনপ্রিয় তারকা এখনো এ বিষয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নিচ্ছেন না।

বিশেষ করে ২০ জুলাইয়ের সংসদ অভিযানের পর থেকে বলিউডের একাধিক তারকা শিক্ষার্থীদের সমর্থনে বক্তব্য দিতে শুরু করেন। তবে ক্যাটরিনা কাইফসহ খান, কাপুর, কুমার ও দেবগন পরিবারের অনেক তারকার নীরবতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

এই নীরবতার কারণেই ক্যাটরিনা কাইফকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁর কিছু অনুরাগী। মঙ্গলবার অভিনেত্রীর একটি জনপ্রিয় ইনস্টাগ্রাম ফ্যান পেজের অ্যাডমিন ঘোষণা দেন, তারা ৭০ হাজার অনুসারী থাকা সেই পেজটি বন্ধ করে দিচ্ছেন।

ফ্যান পেজের অ্যাডমিনের ভাষ্য, ‘ভারতীয়দের পাশে দাঁড়ানোর সাহস যার নেই, তাকে আর সমর্থন করতে চাই না।’

ওই পেজের বিবৃতিতে আরো লেখা হয়, ‘ছোটবেলা থেকে আমি আপনার ভক্ত। কিন্তু আমাদের মতো ভারতীয়দের জন্য এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আপনি একটি কথাও বললেন না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস আপনার নেই। আপনার খারাপ সময়ে আমরা সব সময় পাশে ছিলাম, অথচ আপনি আমাদেরই হতাশ করলেন। তাই আমি আপনাকে আনফলো করছি এবং এই ফ্যান পেজ বন্ধ করে দিচ্ছি। আপনি এর যোগ্য নন।’

এই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘ফ্যানপেজের অ্যাডমিনকে সম্মান জানাই।’ আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘খুব ভালো হয়েছে, ফ্যান পেজ বন্ধ করে দেওয়াই উচিত।’

তবে ক্যাটরিনা কাইফের অনেক অনুরাগী অভিনেত্রীর পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, কোনো বিষয়ে কথা বলা বা না বলা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘আপনি যেমন গণতন্ত্রে বাস করেন, তিনিও করেন। আপনি যেমন নিজের ইচ্ছেমতো কোনো বিষয়কে সমর্থন করতে পারেন, তিনিও পারেন। তাঁর সিদ্ধান্তের জন্য যদি আপনি তাঁকে সমর্থন না-ও করেন, তা হলে সেটা আপনার অধিকার। কিন্তু এই নিয়ে কাউকে চাপ দেওয়া বা আবেগ দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা ঠিক নয়। তিনি প্রাপ্তবয়স্ক। কী ঠিক, কী ভুল, সেটা তিনি নিজেই বুঝতে পারেন।’

এদিকে শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন বলিউডের একাধিক তারকা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শাবানা আজমি, অরিজিৎ সিং, নাসিরুদ্দিন শাহ, প্রীতি জিনতা, রিতেশ দেশমুখ, সোনু সুদ, সোনাক্ষী সিনহা, হৃত্বিক রোশন, সোহা আলী খান, প্রকাশ রাজ, বিশাল দাদলানী, শিল্পা রাও, অনুরাগ কাশ্যপ, মধুবন্তী বাগচী এবং ফাতিমা সানা শেখ প্রমুখ।

‘বান্ধবী’ গুঞ্জনের নেপথ্য গল্প জানালেন পূর্ণিমা

বিনোদন প্রতিবেদক
‘বান্ধবী’ গুঞ্জনের নেপথ্য গল্প জানালেন পূর্ণিমা
সংগৃহীত ছবি

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা পর্দার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমানভাবে আলোচনায় থাকেন। তাঁর যেকোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ পেলেই ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয় বাড়তি উচ্ছ্বাস। 

সম্প্রতি এক ভিডিওকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া ‘বান্ধবী’ গুঞ্জন নিয়ে এবার মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী।

মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পূর্ণিমার শেয়ার করা একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করেই আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওটিতে কয়েকজন নারীর সঙ্গে তাঁকে অত্যন্ত সাবলীল ও আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। 

ভিডিওর ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছিলেন, ‘এই সেই আমার বান্ধবীরা’—সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন ভালোবাসার ইমোজি।

ভিডিওটি প্রকাশের পর নেটদুনিয়ায় নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে খোলামেলা কথা বলেন পূর্ণিমা। 

হাসতে হাসতেই তিনি জানান, ‘না আমি দিয়েছি, আমি আর পরে আরেকটা ভিডিও দিয়েছি আমার বান্ধবীর সঙ্গে, ফটোশুট করছি এমনকি আমি তো বানাইনি, বান্ধবী বানিয়েছিলেন আপনারা।’

এ সময় একটি রিসোর্টের আতিথেয়তা ও সেখানকার রান্নার প্রতি নিজের ভালো লাগার কথাও তুলে ধরেন তিনি। পূর্ণিমা বলেন, ‘আমি একটা রিসোর্টে যাই, সেখানে উনারা খুবই মজার রান্না করে, আমি খেতে পছন্দ করি, আমি কিচেনে যাই, উনারা কি কি রান্না করেন দেখতে।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘তারা বসে থাকে যে আমি কখন আসব, আমি রান্নাটা দেখব। মাঝে মাঝে আমি একটু বলি যে আমি একটু শসা কাটি, একটু লেবু কাটি, বলে হ্যাঁ কাটুক, খুবই আন্তরিকভাবেই ওরা আমাকে পছন্দ করে।’

পূর্ণিমার এই ব্যাখ্যার পর ‘বান্ধবী’ গুঞ্জনের পেছনের আসল গল্প স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁর ভক্তরা। অভিনেত্রীর সরল ও হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ক্ষুব্ধ অরিজিৎ সিং

বিনোদন ডেস্ক
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ক্ষুব্ধ অরিজিৎ সিং
সংগৃহীত ছবি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি মন্ত্রী ও দিল্লি পুলিশর কড়া সমালোচনা করেন।

অরিজিৎ তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনারা তো এখন শিক্ষার্থীদেরও মারধর করছেন! নিজেদের কি ভগবান ভেবে নিয়েছেন? সবকিছু মনে রাখা হবে। মনে রাখবেন, পরিবর্তনই একমাত্র সত্য।’

শিক্ষাক্ষেত্রে অনিয়ম এবং নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দিল্লিতে ছাত্রবিক্ষোভ চলছে। 

আন্দোলনকারীদের দাবি, তাদের কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ। কিন্তু তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।

এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই পুলিশের পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন।

অরিজিৎ সিংয়ের পাশাপাশি শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহ এবং সোনাক্ষী সিনহাসহ আরও অনেক বলিউড তারকা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এদিকে প্রখ্যাত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও এই আন্দোলনে যোগ দিয়ে অনশন করেছিলেন। পরে তাঁকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত সরকার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন ভারতের বিশিষ্টজনরা।

কাকে বিয়ে করলেন মিস্টার বিস্ট?

বিনোদন ডেস্ক
কাকে বিয়ে করলেন মিস্টার বিস্ট?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে বিয়ে করেছেন ইউটিউবের জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা মিস্টার বিস্ট ওরফে জিমি ডোনাল্ডসন। ২৮ বছর বয়সী এই ইউটিউবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে সুখবরটি ভক্তদের জানান।

ছবির সঙ্গে মিস্টার বিস্ট লিখেছেন, ‘আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি। আর এটি ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।’

বিশ্বজুড়ে বিশাল বাজেটের চমকপ্রদ ভিডিও নির্মাণের জন্য পরিচিত হলেও নিজের বিয়েতে কোনো জাঁকজমক রাখেননি মিস্টার বিস্ট। দুই পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ কয়েকজন প্রিয়জনকে নিয়ে ব্যক্তিগত পরিসরেই সম্পন্ন হয়েছে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।

বিয়ের পোশাকেও ছিল সরলতা ও আভিজাত্যের ছোঁয়া। থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড টোনের ওপর ফুল ও লেসের নকশা করা একটি গাউন। অন্যদিকে মিস্টার বিস্টের পরনে ছিল সাদা টাক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার ও কালো বো-টাই।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাগদান করেছিলেন এই জুটি। বিয়ের প্রস্তাব নিয়েও শুরু থেকেই তাদের পরিকল্পনা ছিল ব্যতিক্রমী। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম পিপল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিমি জানিয়েছিলেন, বন্ধুরা ভেবেছিলেন তিনি হয়তো সুপার বোউল-এর মতো বড় কোনো জনসমাগমপূর্ণ জায়গায় বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু তিনি চেয়েছিলেন একেবারেই ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ একটি মুহূর্ত।

দক্ষিণ আফ্রিকায় এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল জিমি ও থিয়ার। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ থিয়াকে বার্তা পাঠান জিমি। থিয়ার লেখা বই দ্য মার্কড চিলড্রেন পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই সাধারণ কথোপকথনই ধীরে ধীরে গভীর সম্পর্কে রূপ নেয়।

সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর জিমি থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে থিয়া এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি’ বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শেষ করার জন্য বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা পিছিয়ে দেন।

বিয়ের আগে থিয়া বলেছিলেন, তারা মানসিকভাবে অনেক আগেই বিবাহিত। ভবিষ্যতে সন্তান এবং ৭০ বছর বয়সে একসঙ্গে জীবন কাটানোর মতো বিষয় নিয়েও তারা নিয়মিত আলোচনা করেন। 

তাঁর মতে, বিয়ে তাদের সম্পর্কের সম্পূর্ণ নতুন কোনো শুরু নয়, বরং ভালোবাসার সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।