• ই-পেপার

‘আমি কেন পালাব?’ প্রশ্ন সুবাহর

মরক্কোর বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নোরা ফাতেহি

বিনোদন ডেস্ক
মরক্কোর বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নোরা ফাতেহি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গের মুহূর্তে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি। প্রিয় দল মরক্কোর বিদায়ের পর গ্যালারিতেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি। পাশে থাকা সমর্থকরা সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও চোখের জল থামাতে পারেননি এই তারকা।

এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম চমক ছিল মরক্কো। শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের হারিয়ে দলটি শিরোপার দৌড়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের। এমবাপ্পে ও দেম্বেলের গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয় মরক্কোর।

ম্যাচটি দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন নোরা ফাতেহি। তবে তীব্র যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছানো নিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেঁটে দ্রুত স্টেডিয়ামে পৌঁছান এবং ম্যাচ শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে গ্যালারিতে প্রবেশ করেন। 

পুরো ম্যাচজুড়েই মরক্কোর সমর্থনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার পরই সেই উচ্ছ্বাস বদলে যায় হতাশা আর কান্নায়।

May be an image of text

ম্যাচের পর নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও মন খারাপের ইঙ্গিত দেন নোরা। কান্না ও ভাঙা হৃদয়ের ইমোজি শেয়ার করে তিনি দলের বিদায়ের কষ্ট প্রকাশ করেন।

দীর্ঘদিন ধরেই মরক্কোর তারকা ফুটবলার আশরাফ হাকিমির সঙ্গে নোরার সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। যদিও তারা কেউই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি। 

তবে মরক্কোর বিদায়ের পর হাকিমি ও তার সতীর্থদের লড়াইয়ের প্রশংসা করে নোরা লিখেছেন, তারা গর্ব করার মতো ফুটবল খেলেছেন। একই সঙ্গে দলের গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

ফুটবলের প্রতি নোরা ফাতেহির ভালোবাসা নতুন নয়। ছোটবেলায় নিজেও ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত বিনোদন জগতেই নিজের ক্যারিয়ার গড়েন। এবারের বিশ্বকাপেও বিভিন্ন আয়োজনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ফিফার অফিশিয়াল মিউজিক ভিডিওতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও ‘সির সির’ গানে পারফর্ম করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন। তবে নিজের সমর্থিত দলের বিদায়ে শেষ পর্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই বলিউড তারকা।

পা পিছলে ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত অভিনেতা

বিনোদন ডেস্ক
পা পিছলে ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত অভিনেতা
সংগৃহীত ছবি

ঘুড়ি ওড়ানোর সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেতা ও জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার সালমান ইউসুফ খান। ১৩ ফুট উঁচু ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে তাঁর শরীরের একাধিক স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে হাতের দুটি হাড় ভেঙে যাওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিনেতার ভাষ্য, ঘটনাটি কোনো সিনেমার শুটিং বা ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্টের সময় ঘটেনি। বরং পরিবারের সঙ্গে ছাদে কাটানো একটি সাধারণ মুহূর্তই মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় রূপ নেয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সালমান বলেন, ‘সিনেমার শুটিং বা স্টান্ট করতে গিয়ে নয়। বাড়ি ছাদেই একেবারে নিমেষে ঘটনাটা ঘটল! আরো মারাত্মক কিছু হতে পারত আমার।’

দুর্ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘নিতান্তই অসতর্কতাবশত! আজকালকার বাচ্চারা মোবাইল আর আইপ্যাড নিয়ে মেতে থাকে। সেসব থেকে দূরে রাখতেই আমি আমার ১০ বছর বয়সি ছেলেকে কীভাবে ঘুড়ি ওড়াতে হয়, সেটা শেখানোর সিদ্ধান্ত নিই। আমরা বাড়ির ছাদেই ছিলাম। ওকে শেখানোর পর নিচে পাঠিয়ে দিই। এরপর নিজেই উৎসাহের বশে ঘুড়িটি আরও উঁচুতে ওড়ানোর চেষ্টা করছিলাম। তখনই পা পিছলে ১৩ ফুট নিচে পড়ে যাই এবং আমার হাত ভেঙে যায়।’

অস্ত্রোপচারের পর নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন এই নৃত্যশিল্পী। তিনি বলেন, ‘আমার হাতের দুটো হাড় ভেঙেছে। যেহেতু গুরুতর চোট পেয়েছি, আমার অস্ত্রোপচারও হয়েছে। তাই আপাতত বেশ কিছুদিন লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়া থেকে বিরতি নিতে হবে। তবে নৃত্যশিল্পী হিসেবে চোট লাগার অভ্যোস রয়েছে। হাড় নিশ্চয়ই জোড়া লেগে যাবে। আমি সেরেও উঠছি। চিকিৎসক জানিয়েছেন আর দিন পনেরো পর হাতের প্লাস্টার খুলে ফেলা হবে। এরপর এক মাস ফিজিওথেরাপি চলবে। আশা করছি, মাসখানেকের মধ্যেই আমি আবার পুরোদমে কাজে ফিরতে পারব।’

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আপাতত বিশ্রামেই থাকতে হবে সালমান ইউসুফ খানকে।

চেক বাউন্স মামলা

রাজপাল যাদবকে ৩ মাসের জেল

অনলাইন ডেস্ক
রাজপাল যাদবকে ৩ মাসের জেল
সংগৃহীত ছবি

চেক বাউন্স মামলায় বড় ধাক্কা খেলেন অভিনেতা রাজপাল যাদব। দিল্লি হাইকোর্ট একাধিক চেক বাউন্স মামলায় তার দোষ সাব্যস্ত হওয়ার রায় বহাল রেখে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত ট্রায়াল কোর্টের আগের রায় বহাল রাখলেও সাজা ছয় মাস থেকে কমিয়ে তিন মাস করেছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, আদালত একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণ বাবদ মোটা অঙ্কের অর্থ দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতের রায় অনুযায়ী, সাতটি মামলার প্রতিটিতে অভিযোগকারীকে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা করে দিতে হবে রাজপাল যাদবকে। পাশাপাশি প্রতিটি মামলায় অভিযোগকারীকে আরো এক কোটি ৪ লাখ টাকা এবং রাজ্যকে ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

শুধু রাজপাল যাদবই নন, এই মামলায় তার স্ত্রী রাধা যাদবকেও আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সাতটি মামলার প্রতিটিতে অভিযোগকারীকে ৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা করে পরিশোধ করতে হবে তাকে।

তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আবেদনের সুযোগ রয়েছে রাজপালের।

জিতের ছবি মুক্তির ঘোষণা, পিছিয়ে গেল দেবের সিনেমা

বিনোদন ডেস্ক
জিতের ছবি মুক্তির ঘোষণা, পিছিয়ে গেল দেবের সিনেমা
সংগৃহীত ছবি

টালিউডে স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে বদলে গেল মুক্তির সমীকরণ। জিত অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তির দিন ঘোষণা হতেই আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে দেব অভিনীত ‘বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’র মুক্তি।

জানা গেছে, পরিচালক পথিকৃৎ বসু নির্মিত ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের অন্যতম নায়ক অনন্ত সিংহের জীবন অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। দীর্ঘদিন ধরেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ ছিল।

Keu Bole Biplobi, Keu Bole Dakat (2026) - IMDb

অন্যদিকে, একই সময়ে দেব অভিনীত ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’ মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে দেব লিখেছেন, ‘প্রতিটি যাত্রার একটা নিজস্ব সঠিক সময় থাকে। আপনাদের কাছে যাতে এই ছবি ভালোভাবে পৌঁছে দিতে পারি, তাই আপাতত ছবির মুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

ভক্তদের উদ্দেশে তিনি আরো লেখেন, ‘আমি জানি, আপনারা এই ছবি দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু আরও কিছু দিন ধৈর্য ধরতে হবে। এই অপেক্ষা আপনাদের জন্য সুখেরই হবে।’

Bike Ambulance Dada (2026) - IMDb

দুটি ছবিরই প্রযোজক প্রদীপ কুমার নন্দী। মুক্তির তারিখ পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবির সব ধরনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়েই এটি মুক্তি পাচ্ছে। তবে ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’র পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ এখনও চলমান। সেই কারণেই ছবিটির মুক্তি আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, টালিউডে একই সময়ে একাধিক বড় বাজেটের ছবি মুক্তি এড়িয়ে চলার বিষয়ে প্রযোজক ও পরিবেশকদের মধ্যে আগে থেকেই একটি সমঝোতা রয়েছে। কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, মুক্তির সূচি এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে যাতে কোনো ছবির ব্যবসা অন্য ছবির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। 

দেবের ছবির মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ার পেছনে সেই সমঝোতারও প্রভাব রয়েছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মন্তব্য করেননি।

‘আমি কেন পালাব?’ প্রশ্ন সুবাহর | কালের কণ্ঠ