kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

নায়ক থেকে যেভাবে খলনায়ক হয়েছিলেন রাজীব

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নায়ক থেকে যেভাবে খলনায়ক হয়েছিলেন রাজীব

২০০৪ সালের ১৪ নভেম্বর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অভিনেতা রাজীব। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাংলা চলচ্চিত্রে রাজীবের শক্ত অবস্থান প্রমাণ করে তিনি একজন অসম্ভব জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন। পুরো নাম ওয়াসীমুল বারী রাজীব।  ঠিক আজকের এই দিনেই ১৫ বছর আগে ভক্তদের কাঁদিয়ে চলে যান শক্তিমান এই খল অভিনেতা।  খল অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি পেলেও অভিনয়ের প্রতিটা শাখায় তিনি দক্ষতা দেখাতে সক্ষম ছিলেন। 

যদিওবা তার অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল নায়ক চরিত্র দিয়ে। নায়ক হিসেবে খুব বেশী জনপ্রিয়তা বা গ্রহণযোগ্যতা তিনি পাননি।  কেয়ামত থেকে কেয়ামত,  অন্তরে অন্তরে,  হাঙর নদী গ্রেনেড, প্রেম পিয়াসী, সত্যের মৃত্যু নেই, স্বপ্নের পৃথিবী, আজকের সন্ত্রাসী, দুর্জয়, দেনমোহর, স্বপ্নের ঠিকানা, মহামিলন, বাবার আদেশ, বিক্ষোভ, অন্তরে অন্তরে, ডন, দাঙ্গা, ভাত দে, অনন্ত ভালোবাসা, রাজা শিকদার ও বুকের ভেতর আগুনের মতো অসম্ভব জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেন রাজীব। 

১৯৭৩ সালে প্রয়াত পরিচালক জহিরুল হক নির্মাণ করেন ‘রংবাজ’, যেখানে বাংলা সিনেমায় প্রথম অ্যাকশন দৃশ্য ছিল। সে কারণেই সিনেমাটি ইতিহাসে ঠাই পায় এবং এর মাধ্যমে বাংলা সিনেমায় নতুন একটি ধারার শুরু হয়। নায়ক বনাম খলনায়কের দ্বন্দ্ব, শেষের দিকে এসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অশুভ শক্তির পরাজয়। মূলত, এই সিনেমার মাধ্যমেই খলনায়ক বা ভিলেনের মতো শক্তিশালী একটি পক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজীব মারা যাওয়ার পরে বাংলা চলচ্চিত্রে একটি গভীর শূন্যতা তৈরি হয়, যা আর পূরণ হয় নি।

রাজীব ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি পটুয়াখালী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।  অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজীব শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ছাড়াও অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। অভিনয়ের বাইরে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা