• ই-পেপার

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’-এর মুকুট জিতলেন সামানজার

চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’!

বিনোদন ডেস্ক
চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’!
সংগৃহীত ছবি

মার্কিন পপতারকা টেইলর সুইফটকে ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনার নতুন এক দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। তার বিয়ের অনুষ্ঠানের ভেন্যুর বাইরে থেকে কুড়িয়ে আনা সাধারণ আবর্জনাও এবার বিক্রি হয়েছে চড়া দামে। অবাক করার মতো বিষয় হলো, সেই তথাকথিত স্মারক কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ভক্তরা।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী নিউ ইয়র্কের শিল্পী ও কুইন্সের বাসিন্দা জাস্টিন গিগনাক সম্প্রতি ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের আশপাশ থেকে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ করেন। জানা গেছে, সেখানেই মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। পরে তিনি সংগ্রহ করা এসব বস্তু স্বচ্ছ অ্যাক্রিলিক কিউবের মধ্যে সংরক্ষণ করে ‘পকেট গার্বেজ’ নামে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করেন।

প্রতিটি ছোট কিউবের দাম রাখা হয় ২৫ মার্কিন ডলার। বিক্রি শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সব কটি বিক্রি হয়ে যায়। এ ছাড়া ১০০ ডলার মূল্যের বড় আকারের কিছু কিউবও বাজারে ছাড়েন তিনি।

Taylor Swift fans pay $25 for pieces of wedding day rubbish from outside  Madison Square Garden | LBC

জাস্টিন গিগনাক তার ওয়েবসাইটে লিখেছেন, বড় কোনো অনুষ্ঠান শেষে চারপাশে আবর্জনা পড়ে থাকাই স্বাভাবিক। তবে এই সংগ্রহের বিশেষত্ব হলো—এসব বস্তু টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসির বহুল আলোচিত বিয়ের ভেন্যুর একেবারে কাছাকাছি এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। 

তার কথায়, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া ওই অনুষ্ঠানের যতটা কাছে যাওয়া সম্ভব ছিল, এই সংগ্রহ ঠিক সেই স্মৃতিরই প্রতীক।

অ্যাক্রিলিক কিউবগুলোর ভেতরে রাখা হয়েছে একেবারেই সাধারণ কিছু বস্তু—সিগারেটের ফিল্টার, চুইংগামের মোড়ক, জুসের স্ট্র, একটি এয়ারপড এবং ব্যবহৃত ওভুলেশন টেস্ট কিটসহ নানা ধরনের ফেলে দেওয়া জিনিস।

তবে গিগনাক স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এসব জিনিস টেইলর সুইফট, ট্রাভিস কেলসি বা তাদের কোনো অতিথি ব্যবহার করেছেন—এমন কোনো প্রমাণ নেই। সবকিছুই বিয়ের দিন ভেন্যুর বাইরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

রসিকতা করে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে তার আমন্ত্রণ ছিল না। তাই ভেতরের ‘আসল’ আবর্জনা সংগ্রহের সুযোগও পাননি। তবে তার বিশ্বাস, এসব বস্তু কোথা থেকে এবং কোন ঐতিহাসিক মুহূর্তে সংগ্রহ করা হয়েছে—ভক্তদের কাছে সেটিই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

বিশ্বজুড়ে টেইলর সুইফটের ভক্তরা ‘সুইফটিজ’ নামে পরিচিত। প্রিয় তারকার সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো স্মারক সংগ্রহে তাদের আগ্রহ নতুন নয়। এর আগেও সুইফটের ‘ইরাস ট্যুর’ রেকর্ডসংখ্যক টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ভক্তদের সেই উন্মাদনা প্রমাণ করেছে। এবারও বিয়ের ভেন্যুর বাইরের আবর্জনাকে স্মারক হিসেবে কিনে সেই আগ্রহেরই নতুন নজির গড়লেন তারা।

স্থানীয়দের কেউ কেউ এই উদ্যোগকে নিছক ভক্তি নয়, বরং নিউ ইয়র্কের অনন্য ব্যবসায়িক কৌশলের উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেছেন।

উল্লেখ্য, জাস্টিন গিগনাকের জন্য এমন উদ্যোগ নতুন নয়। প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও আলোচিত ঘটনার স্থান থেকে সংগ্রহ করা আবর্জনা শিল্পকর্মে রূপ দিয়ে বিক্রি করে আসছেন। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ২০০৯ সালের অভিষেক অনুষ্ঠান এবং ২০১২ সালে নিউ ইয়র্ক জায়ান্টসের সুপার বোল বিজয় উদযাপনের পর সংগৃহীত বর্জ্যও একই ভাবে সংরক্ষণ করে সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রি করেছিলেন তিনি। এবার টেইলর সুইফটকে ঘিরে তার সেই অভিনব উদ্যোগ আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছে।

কিশোরীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে অভিনেতা গ্রেপ্তার

বিনোদন ডেস্ক
কিশোরীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে অভিনেতা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে নিয়মিত পিছু নেওয়া, অশালীন আচরণ ও শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ভারতীয় টেলিভিশনের পরিচিত মুখ রোহিত চন্দেল। গত শুক্রবার মুম্বাইয়ের দহিসর এলাকার নিজ বাসস্থান থেকে ২৯ বছর বয়সী এই অভিনেতাকে গ্রেপ্তার করে পন্ত নগর থানার পুলিশ।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর রোহিতকে বিশেষ পকসো আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মুম্বাইয়ের বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে এই অভিনেতার আগে থেকেই পরিচয় ছিল। তবে বেশ কিছুদিন ধরে রোহিত বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। 

অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ জুলাই কিশোরীটি তার আবাসনের কাছাকাছি পৌঁছালে রোহিত তার পথ আটকান এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। সে সময় কিশোরীটি ঘটনার প্রতিবাদ করলে অভিনেতা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পরই ভুক্তভোগীর পরিবার পন্ত নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

মুম্বাই পুলিশ অভিযুক্ত অভিনেতার বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইন বা পকসো আইনের কঠোর ধারা ছাড়াও ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে 'স্টকিং' (পিছু নেওয়া) এবং স্বেচ্ছায় শারীরিক আঘাত করার অভিযোগে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

মহারাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া রোহিত চন্দেল হিন্দি ছোটপর্দায় বেশ পরিচিত মুখ। ক্যারিয়ারের শুরুতে প্রায় ৯০টি অডিশনে ব্যর্থ হওয়ার পর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিনোদনজগতে পা রাখেন তিনি। পরবর্তীতে 'পাণ্ডিয়া স্টোর', 'সৈরাব' এবং 'কাশীবাই বাজিরাও বল্লাল'-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পান। এছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্মের 'এসকেপ লাইভ' এবং ঐতিহাসিক সিরিজ 'চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য'-তেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কাজ করেছেন তিনি।

কিশোরীকে উত্যক্ত ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার টিভি অভিনেতা

অনলাইন ডেস্ক
কিশোরীকে উত্যক্ত ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার টিভি অভিনেতা
সংগৃহীত ছবি

১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পিছু নেওয়া, অনবরত ফোন করে হয়রানি এবং মারধরের অভিযোগে হিন্দি টেলিভিশনের অভিনেতা রোহিত চান্ডেলকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পকসো আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।

মুম্বাইয়ের পূর্ব শহরতলির এক বাসিন্দার করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অ্যাকশন নেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২৯ বছর বয়সী রোহিত চান্ডেল নিজের মোবাইল নম্বরসহ বিভিন্ন নম্বর থেকে ওই ১৬ বছরের কিশোরীকে বারবার ফোন করে উত্যক্ত ও হয়রানি করতেন। গত ৫ জুলাই রোহিত ওই কিশোরীর আবাসিক ভবনের কাছে চলে যান। সেখানে মেয়েটির পিছু নিয়ে একপর্যায়ে ঝগড়া শুরু করেন এবং তাকে গালাগাল করাসহ হাত দিয়ে মারধর করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত অভিনেতা ও ভুক্তভোগী নাবালিকার মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ছিল।

অভিযোগ পাওয়ার পরপরই দহিসর এলাকায় অভিনেতার নিজস্ব বাসস্থান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রোহিত চান্ডেলকে একটি বিশেষ পকসো আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে পুলিশের হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই বিষয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটির আরো বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

বড়পর্দা থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন হেমা মালিনী

অনলাইন ডেস্ক
বড়পর্দা থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন হেমা মালিনী
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেত্রী হেমা মালিনী বহু বছর ধরেই বড়পর্দা থেকে দূরে রয়েছেন। সম্প্রতি তার ৬০ বছরের চলচ্চিত্রজীবন উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বললেন, কেন এখন আর তাকে অভিনয়ে দেখা যায় না এবং কী শর্তে তিনি আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে রাজি আছেন।

হেমা মালিনী জানান, বর্তমান যুগের সিনেমা তৈরির পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া তার পক্ষে বেশ কঠিন। তার মতে, সত্তর ও আশির দশকে সিনেমা তৈরির ধরন ছিল সম্পূর্ণ আলাদা এবং তখন শুটিং সেটে সবার মধ্যে অনেক বেশি আন্তরিকতা ছিল। এখন প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, তেমনি কাজের গতিও অনেক দ্রুত হয়েছে। পুরো শুটিং পদ্ধতিটাই বদলে যাওয়ায় এই নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে তিনি নিজেকে খাপ খাওয়াতে স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন না। ব্যক্তিগতভাবে পুরনো দিনের কাজের পদ্ধতিই তার বেশি প্রিয়।

সিনেমা থেকে দূরে থাকলেও রুপালি পর্দার প্রতি ভালোবাসা কমেনি হেমা মালিনীর। তবে শুধু পর্দায় নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য বা যেকোনো চরিত্রে তিনি অভিনয় করতে রাজি নন। তিনি বলেন, ‘আমি সিনেমাকে এখনো ভীষণ ভালোবাসি। কিন্তু শুধু পর্দায় থাকার জন্য কোনো চরিত্র করতে চাই না। এমন চরিত্রে অভিনয় করতে চাই, যেটা আমায় অনুপ্রাণিত করবে। তিনি জানান, যদি মনের মতো সঠিক কোনো চিত্রনাট্য পান, তবেই তিনি আবার অভিনয়ে ফিরবেন।’

বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা যে ভিন্নধর্মী ও নতুন ধরনের কাজ করছেন, তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এই প্রবীণ অভিনেত্রী। তিনি এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখেন ও সম্মান করেন, তবে নিজের জন্য পুরনো আমেজটাই বেছে নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

সূত্র : এই সময়