• ই-পেপার

কিশোরীকে উত্যক্ত ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার টিভি অভিনেতা

বড়পর্দা থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন হেমা মালিনী

অনলাইন ডেস্ক
বড়পর্দা থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন হেমা মালিনী
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেত্রী হেমা মালিনী বহু বছর ধরেই বড়পর্দা থেকে দূরে রয়েছেন। সম্প্রতি তার ৬০ বছরের চলচ্চিত্রজীবন উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বললেন, কেন এখন আর তাকে অভিনয়ে দেখা যায় না এবং কী শর্তে তিনি আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে রাজি আছেন।

হেমা মালিনী জানান, বর্তমান যুগের সিনেমা তৈরির পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া তার পক্ষে বেশ কঠিন। তার মতে, সত্তর ও আশির দশকে সিনেমা তৈরির ধরন ছিল সম্পূর্ণ আলাদা এবং তখন শুটিং সেটে সবার মধ্যে অনেক বেশি আন্তরিকতা ছিল। এখন প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, তেমনি কাজের গতিও অনেক দ্রুত হয়েছে। পুরো শুটিং পদ্ধতিটাই বদলে যাওয়ায় এই নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে তিনি নিজেকে খাপ খাওয়াতে স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন না। ব্যক্তিগতভাবে পুরনো দিনের কাজের পদ্ধতিই তার বেশি প্রিয়।

সিনেমা থেকে দূরে থাকলেও রুপালি পর্দার প্রতি ভালোবাসা কমেনি হেমা মালিনীর। তবে শুধু পর্দায় নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য বা যেকোনো চরিত্রে তিনি অভিনয় করতে রাজি নন। তিনি বলেন, ‘আমি সিনেমাকে এখনো ভীষণ ভালোবাসি। কিন্তু শুধু পর্দায় থাকার জন্য কোনো চরিত্র করতে চাই না। এমন চরিত্রে অভিনয় করতে চাই, যেটা আমায় অনুপ্রাণিত করবে। তিনি জানান, যদি মনের মতো সঠিক কোনো চিত্রনাট্য পান, তবেই তিনি আবার অভিনয়ে ফিরবেন।’

বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা যে ভিন্নধর্মী ও নতুন ধরনের কাজ করছেন, তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এই প্রবীণ অভিনেত্রী। তিনি এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখেন ও সম্মান করেন, তবে নিজের জন্য পুরনো আমেজটাই বেছে নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

সূত্র : এই সময়

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এস জানকী মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এস জানকী মারা গেছেন
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় সংগীতজগতের কিংবদন্তি প্লেব্যাক গায়িকা এস জানকীর সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বার্ধক্যজনিত নানাবিধ অসুস্থতার কারণে ৮৮ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

হাসপাতাল সূত্রের খবরে জানা গেছে, শেষ সময়ে তার পাশে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন এবং আজই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রখ্যাত ও প্রবীণ এই গায়িকা গত রাতে তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হলে মহীসূরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সংগীতপ্রেমীদের কাঁদিয়ে বিদায় নেন এই সুরসম্রাজ্ঞী। এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পীর প্রয়াণের খবরে দক্ষিণ ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনসহ গোটা দেশের সাংস্কৃতিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কণ্ঠের অভাবনীয় বৈচিত্র্য এবং যেকোনো আবেগকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার জাদুকরি ক্ষমতার জন্য শ্রোতাদের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন।

দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত কর্মজীবনে তিনি প্রায় ২০টি ভিন্ন ভারতীয় ভাষায় গান গেয়েছেন। তবে কন্নড়, তামিল, তেলেগু এবং মালয়ালম ভাষার চলচ্চিত্রেই তার অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।

চলচ্চিত্র, ব্যক্তিগত অ্যালবাম, টেলিভিশন ও রেডিও মিলিয়ে প্রায় ৪৮ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করে ভারতীয় সংগীতজগতে এক অনন্য ও প্রায় দুর্ভেদ্য রেকর্ড গড়ে গেছেন তিনি।

দক্ষিণী ভাষার পাশাপাশি হিন্দি, ওড়িয়া, তুলু, উর্দু, পাঞ্জাবি এবং বাংলা ভাষাতেও তার কণ্ঠের জাদু মুগ্ধ করেছে শ্রোতাদের।

বহু প্রজন্মের মানুষের শৈশব ও যৌবনের স্মৃতির সঙ্গে মিশে থাকা এই কণ্ঠশিল্পীর প্রয়াণকে ভারতীয় সংগীতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখছেন বিশিষ্টজনরা। 

আমির খানের তৃতীয় বিয়ে ঘিরে ভারতে বিক্ষোভ

বিনোদন ডেস্ক
আমির খানের তৃতীয় বিয়ে ঘিরে ভারতে বিক্ষোভ
সংগৃহীত ছবি

তৃতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। ভারতের বিহারে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বজরং দলের একাংশ। বিক্ষোভকারীরা অভিনেতার বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগ তুলে কুশপুত্তলিকা দাহ করেন এবং সরকারের কাছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

নিউজ এইটিনসহ ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিহারের ফোরবেসগঞ্জ এলাকায় এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা আমির খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

বজরং দলের নেতা মনোজ সোনি এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ‘আমির খান বারবার হিন্দু নারীদের বিয়ে করছেন। তাদের গর্ভবতী করছেন। কেন তিনি মুসলিম কোনো নারীকে বিয়ে করেন না? এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘হিন্দু নারীদের তিনি মুসলিম ধর্মে কনভার্ট করছেন না ঠিকই, কিন্তু সন্তানদের নাম রাখছেন নিজের ধর্মের নাম অনুসারে। কেন শুধু বারবার হিন্দু মেয়েদের প্রেমেই পড়েন তিনি? যদি বিয়েও করেন তাহলে কেন বারবার ডিভোর্স করেন?’

মনোজ সোনির অভিযোগ, এসব ঘটনার মাধ্যমে সমাজের সম্প্রীতি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তিনি সরকারের কাছে আমির খানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানান।

এদিকে আমিরের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে লেখিকা তসলিমা নাসরিনও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিনেতার বারবার হিন্দু নারীকে বিয়ে করার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন।

তবে বজরং দল বা অন্যদের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমির খান কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া জানাননি।

ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির খান। ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন তিনি। ২০২১ সালে সেই দাম্পত্যেরও ইতি ঘটে।সম্প্রতি দীর্ঘদিনের বন্ধু গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করে তৃতীয়বারের মতো বৈবাহিক জীবনে পা রেখেছেন বলিউডের এই অভিনেতা।

বিয়ের পর প্রথমবার প্রকাশ্যে টেইলর সুইফট-ট্রাভিস

বিনোদন ডেস্ক
বিয়ের পর প্রথমবার প্রকাশ্যে টেইলর সুইফট-ট্রাভিস
সংগৃহীত ছবি

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর প্রথমবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গেল পপতারকা টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসিকে। নবদম্পতির সেই উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টির দ্য রিটজ-কার্লটন, লাগুনা নিগুয়েলে ট্রাভিস কেলসির সাবেক সতীর্থ জুজু স্মিথ-শুস্টার ও লরা ক্রুকের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন টেইলর ও ট্রাভিস। সেখানে হাস্যোজ্জ্বল ও স্বতঃস্ফূর্ত মুহূর্তে ধরা পড়েন এই তারকা দম্পতি।

পেজ সিক্সের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এই অনুষ্ঠানের আগে মন্টানায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন টেইলর ও ট্রাভিস। সেখানে ট্রাভিসের ভাই জেসন কেলসি ও তাঁর স্ত্রী কাইলি কেলসির সঙ্গেও সময় কাটান তারা।

Taylor Swift And Travis Kelce's First Photos As Newlyweds ...

গত ৩ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিয়ে করেন টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসি। প্রায় এক বছর আগে, ২০২৫ সালের আগস্টে তাঁদের বাগদান হয়েছিল। বিয়ের খবর টেইলরের প্রতিনিধিও নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, বিয়ের অনুষ্ঠানে টেইলর ও ট্রাভিস দুজনেই ডিওরের হাউট কুত্যুর পোশাক পরেছিলেন, যার নকশা করেন ডিওরের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর জোনাথন অ্যান্ডারসন। টেইলরের গয়না ছিল কার্টিয়ারের, আর দুজনের জুতা তৈরি করা হয়েছিল বিশেষভাবে ক্রিশ্চিয়ান লুবুটিনের মাধ্যমে।

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের বিশাল পর্দায় ভেসে ওঠে ‘JUST T&T MARRIED!’ বার্তা, যা উপস্থিত অতিথি ও ভক্তদের উচ্ছ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রচলিত রীতি ভেঙে কোনো ব্রাইডসমেইড বা গ্রুমসম্যান রাখেননি এই তারকা জুটি। টেইলরের ভাই অস্টিন সুইফট ছিলেন তাঁর ‘ম্যান অব অনার’ এবং ট্রাভিসের ভাই জেসন কেলসি ছিলেন ‘বেস্ট ম্যান’। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তাঁদের বন্ধু, অভিনেতা অ্যাডাম স্যান্ডলার।

প্রায় দুই বছর প্রেমের পর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া টেইলর ও ট্রাভিসের বিয়েতে প্রায় এক হাজার অতিথি উপস্থিত ছিলেন। স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন অনুষ্ঠিত এই আয়োজনকে বছরের অন্যতম আলোচিত তারকাবহুল বিয়ে হিসেবে দেখছেন বিনোদন অঙ্গনের মানুষেরা।