• ই-পেপার

কুমিল্লা

ছাত্রকে দিয়ে এসএসসির খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষক-ছাত্র গ্রেপ্তার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির ফল প্রকাশ, পাস ৯৩ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির ফল প্রকাশ, পাস ৯৩ শতাংশ
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৪ সালের ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স দ্বিতীয়বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। 

শনিবার (১১ জুলাই) রাতে এ ফল প্রকাশ করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফল দেখতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় দেশের ৬৪৭টি কেন্দ্রে এক হাজার ৯১৫টি কলেজের নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন বিভাগের সর্বমোট এক লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এতে গড় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

তবে কোনো ধরনের ভুল হলে বা অসঙ্গতি থাকলে সংশোধন কিংবা প্রয়োজনবোধে সম্পূর্ণ ফলাফল বাতিল করার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় সংরক্ষণ করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ
সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আজ রবিবার প্রকাশ করা হবে। এ উপলক্ষে আজ দুপুর ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত থাকবেন। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হবে। ১২টায় শুরু হওয়া ওই সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। এরপর শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত মাধ্যমে নিজেদের ফল দেখতে পারবে।

গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই একজন কর্মকর্তা ফলের কিছু অংশ ওয়েবসাইটে আপলোড করে দেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। অনুমোদন ছাড়াই ফল প্রকাশ করায় ওই কর্মকর্তাকে গত শুক্রবার বরখাস্ত করা হয়।
 

দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের আর কোথাও নেই উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশ পিছিয়ে থাকবে না। তাই দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের জন্য সরকার শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছে।’

শনিবার (১১ জুলাই) গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটরিয়ামে আয়োজিত ‘নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের সময় অপচয়ের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর শিক্ষার্থীদের প্রায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়ে যায়, যা দেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। এর ফলে আমরা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সফলভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। পরীক্ষা শেষের এই সময়টা যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে কোনো ধরনের সেশনজট না থাকে, তা-ও নিশ্চিত করতে হবে।’

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে কৃষি খাতকে আরো উন্নত করতে হবে। এ জন্য কৃষিক্ষেত্রে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ব্যবহার বাড়াতে হবে।’ এ ক্ষেত্রে দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং নিজে একটি চারা রোপণ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী ‘Mental Health First Aid’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সেমিনারকক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করে গ্রিট ফাউন্ডেশন। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মশালা চলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. রেজওয়ানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা আবু বকর সিদ্দিক। সভাপতিত্ব করেন গ্রিট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন গ্রিট ফাউন্ডেশনের পরিচালক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ইউনাইটেড হাসপাতালের কনসালটেন্ট সাইকিয়াট্রিস্ট, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মুজতবা তাসফিক আহমেদ।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃত Mental Health First Aid এর মৌলিক ধারণা সম্পর্কে জানেন। পাশাপাশি মানসিক সংকটের প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্ত করা, তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া, সংকটকালীন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া, প্রয়োজনীয় রেফারেলের পদ্ধতি নিয়ে ব্যাবহারিক প্রশিক্ষণ নেন।

কর্মশালায় মানসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা, দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান বাস্তবতা, সামাজিক কুসংস্কার দূর করার উপায়, নীতিগত বিষয়, ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা নিয়েও আলোচনা হয়।

গ্রিট ফাউন্ডেশন জানায়, তরুণদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ চলবে। এসব আয়োজন শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিতে আগ্রহী করবে। একই সঙ্গে সহমর্মী, মানসিকভাবে সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।