• ই-পেপার

ডার্কওয়েব, সোশ্যাল মিডিয়া ও ক্রিপ্টো লেনদেন- সব মাদক আইনের আওতায়

  • মাদক নিয়ন্ত্রণে আরো শক্তিশালী হচ্ছে ডিএনসি

বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে মিলল ১৬ কেজি সোনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে মিলল ১৬ কেজি সোনা
সংগৃহীত ছবি

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) ও ঢাকা কাস্টমস হাউসের যৌথ অভিযানে ফলের ক্যারেটের ভেতর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অন্তত ১৬ কেজি সোনার বার জব্দ করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) পরিচালিত এ অভিযানে সোনার চালানটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশ থেকে আনা ফলের চালানের আড়ালে সোনা পাচারের চেষ্টা করছিল একটি চোরাচালান চক্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কার্গো ভিলেজে অভিযান চালিয়ে ফলের ক্যারেটের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট পরিমাণ অন্তত ১৬ কেজি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া সোনার প্রকৃত মালিক এবং জড়িতদের সম্পর্কে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ১৮৭০ মামলা

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ১৮৭০ মামলা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে ১৮৭০টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। রবিবার (১৯ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

ডিএমপি জানায়, গতকাল শনিবার ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১১টি বাস, ১টি ট্রাক, ৬টি সিএনজি ও ৩৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৬টি বাস, ৪টি ট্রাক, ২৩টি সিএনজি ও ৮০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৬টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৯টি বাস, ১টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ৮৭টি সিএনজি ও ১৩ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০০টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৬টি বাস, ২৩টি ট্রাক, ৩২টি কাভার্ডভ্যান, ৪৩টি সিএনজি ও ১০৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০৭টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১২টি বাস, ৭টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৬১টি সিএনজি ও ৮৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩০টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৯টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৩৭টি সিএনজি, ১৮১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩১৪টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৭টি বাস, ৯টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ড ভ্যান, ৫৩টি সিএনজি ও ৯৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৭টি বাস, ২টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৫টি সিএনজি ও ৬০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০৩টি মামলা হয়েছে।

মামলা করা ছাড়াও অভিযানকালে মোট ৪৯ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৭৩টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কারওয়ান বাজার রেলগেটে পেটে রড ঢোকা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ঢামেকে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
কারওয়ান বাজার রেলগেটে পেটে রড ঢোকা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ঢামেকে মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর তেজগাঁও কারওয়ান বাজার রেলগেট এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির (৪৫) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী আবদুর রহমান জানান, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তিনি কারওয়ান বাজার রেলগেট এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। ওই ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ করে বলতে থাকেন, ‘আমাকে বাঁচান, আমারে হাসপাতালে নিয়ে যান। আমার পেটে রড ঢুকেছে।’ তবে রড কিভাবে পেটে ঢুকল কিংবা কেউ তাকে আঘাত করেছে কি না, সে বিষয়ে ওই ব্যক্তি কিছু বলতে পারেননি।

আবদুর রহমান আরো জানান, তাৎক্ষণিকভাবে তিনি অন্য আরেকজনের সহযোগিতা নিয়ে গুরুতর আহত ওই ব্যক্তিকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, নিহতের পেটে রক্তাক্ত জখম রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে তিনজন, ঢামেকে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে তিনজন, ঢামেকে ভর্তি

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন তিন ব্যক্তি। অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর থেকে বিকালের মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলিস্তান ও বাংলামোটর এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের সাদ্দাম মার্কেট এলাকা থেকে রাহাদ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি এপেক্স ফার্মা নামের একটি ওষুধ কম্পানির ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করেন।

সহকর্মী এনামুল হক জানান, দুপুরে সাদ্দাম মার্কেট এলাকায় রাহাদকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

স্বজনরা জানান, রাহাদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা কিছুই পাওয়া যায়নি। তার সবকিছু খোয়া গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে মৈনউদ্দিন (৬০) নামে আরেক ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

তার স্ত্রী মানসুরা বেগম জানান, মৈনউদ্দিন গুলিস্তান এলাকায় ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা করেন। তিনি মাতুয়াইলের নূরবাগ এলাকায় থাকেন। সকালে বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বাসের মধ্যে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকায় নামিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

তিনি আরো জানান, মৈনউদ্দিনের কাছ থেকেও টাকা-পয়সা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বাংলামোটর এলাকায় বিআরটিসির একটি বাস থেকে উত্তম কুমার সরকার (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে দুই বাসযাত্রী তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

বাসযাত্রী ডা. জোবায়ের জানান, বাসে এক হকারের কাছ থেকে চকলেট খাওয়ার পর উত্তম কুমার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার কাছ থেকেও টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা।

উত্তম কুমার সরকারের বাবার নাম জিতেন্দ্র নাথ সরকার। তিনি উত্তর শাহজাহানপুর শান্তিনগর এলাকায় থাকেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অচেতন অবস্থায় আনা তিন ব্যক্তি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।