• ই-পেপার

ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

হাসপাতালে কেউ অনৈতিক কাজ করতে চাইলে ব্যবস্থা নেব : ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
হাসপাতালে কেউ অনৈতিক কাজ করতে চাইলে ব্যবস্থা নেব : ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, হাসপাতাল থাকবে হাসপাতালে মতো। আর সেবা থাকবে সেবার মতো। গ্রীন স্পেশালাইজড হাসপাতাল যত ভালো কাজ করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এর পাশে থাকবে।

আজ শুক্রবার বিকালে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় হাসপাতালটির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, কেউ যদি এই হাসপাতালে কোনো অনৈতিক কাজ করতে চায়, তাহলে আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

প্রশাসক আরো বলেন, এখানে ভালো চিকিৎসক আছে এবং আরো যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উত্তর সিটি করপোরেশন এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে।

দল-মত-নির্বিশেষে এলাকার সবাই এই হাসপাতালে সুন্দর ও ভালো পরিবেশে সঠিক চিকিৎসা পাবে বলে প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন। 

এই হাসপাতালে যেন সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এলাকার জনগণ যেন দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসা পায় সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানান প্রশাসক। 

এসময় তিনি হাসপাতালের মেডিকেল বর্জ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ক্র্যাবের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের নাম প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্র্যাবের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের নাম প্রকাশ

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য সন্তানদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ক্র্যাব মিলনায়তন (৩য় তলায়) উৎসবমুখর পরিবেশে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

বয়সভিত্তিক ৩ গ্রুপে মোট ২৭ জন এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। আগামী ২৩ জুলাই ক্র্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। 

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল। সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহর সঞ্চালনায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মুকুল কুমার বাড়ৈ। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আবু জাফর। এসময় ক্র্যাবের যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রাজী, দফতর সম্পাদক ইসমাঈল হুসাইন ইমু, প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক শাহরিয়ার জামান দীপ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবু হেনা রাসেল ও আইয়ুব আনসারীসহ ক্র্যাব সদস্য ও সন্তানদের মায়েরা উপস্থিত ছিলেন। 

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ক গ্রুপে ১ম স্থান অধিকার করেছে জয়নাল আবেদীনের সন্তান আবিদা জান্নাত খান আরোশী, ২য় স্থান অধিকার করেছে জিলানী মিলটনের সন্তান এ আর তালহা এবং ৩য় স্থান অধিকার করেছে জাহেদ সেলিমের সন্তান অহর্নিশ দীপ্যময়ী। 

খ গ্রুপে ১ম হয়েছে জাহেদ সেলিমের সন্তান সমগীত আর্যগাঁথা, যৌথভাবে ২য় হয়েছে মাসুম মিজানের সন্তান মাহাদ মিজান মন ও আতাউর রহমানের সন্তান আহনাফ রহমান সিদ্দিকী। এ ছাড়া ৩য় হয়েছে কামরুজ্জামান খানের সন্তান জুয়াইরিয়া জারিন খান।

গ গ্রুপে ১ম হয়েছে শাহরিয়ার আরিফের সন্তান ওয়াসফিয়া বিনতে শাহরিয়ার, ২য় হয়েছে হরলাল রায় সাগরের সন্তান অনুদীপ রায় স্নিগ্ধ, ৩য় হয়েছে ইমরান আলীর সন্তান সুমাইয়া ইসলাম সকাল।

প্রতিযোগিতার বিচারক মুকুল কুমার বাড়ৈ বলেন, বাচ্চাদের মননে যা আসে তা আঁকাআঁকি করাই চিত্রাঙ্কন। এতে শিশুদের মেধা বিকশিত হয়। এ ধরনের আয়োজন করার জন্য তিনি ক্র্যাব কার্যনির্বাহী কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।

ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল বলেন, সন্তানদের লেখাপড়া খেলাধুলাসহ নানা বিষয়ে মায়েরাই দেখভাল করেন। বাবারা পেশাগত কাজে ব্যস্ত থাকায় সন্তানদের খোঁজ নিতে পারেন না। আজকের অনুষ্ঠানে সব প্রতিযোগী ও উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আগামীতে আরো ভালো চিত্রাঙ্কন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ বলেন, ক্র্যাব কার্যনির্বাহী কমিটি সব সময়ই সদস্যদের কল্যাণে কাজ করে আসছে। এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সদস্য সন্তানদের মিলনমেলা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। শুধু চিত্রাঙ্কন নয় আগামীতে নাচ-গানসহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সদস্যদের পরিবারের বন্ধন আরো অটুট হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

নিজ কক্ষে কনস্টেবলের ঝুলন্ত দেহ, কী ঘটেছিল?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজ কক্ষে কনস্টেবলের ঝুলন্ত দেহ, কী ঘটেছিল?
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ডেমরার পুলিশ লাইনে নিজ কক্ষে পুলিশের এক কনস্টেবলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিহত কনস্টেবলের নাম মো. সাইদুল ইসলাম। ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া উত্তর চাঁদপু গ্রামের মো. সাদেকের ছেলে তিনি। ৯ মাস আগে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন।

ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মো. সাইফুর রহমান মির্জা শুক্রবার বিকালে কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে কনস্টেবল সাইদুল ইসলামের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র বলছে, নানা কারণে ওই কনস্টেবল বিষন্নতায় ভুগছিলেন। সহকর্মীদের সঙ্গে তার ঠিকমতো কথা হতো না। আবার কারো সঙ্গে তার বিরোধ ছিল কিনা সে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কেউ পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে কিনা গুরুত্ব দিয়ে তার তদন্ত চলছে।
 
পুলিশ বলছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডেমরা পুলিশ লাইনের ওই ভবনের নিজের রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়। এ সময় তার শরীর বিছানার চাদর দিয়ে পেঁচানো ছিল। শুক্রবার সকালে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

নিহতের চাচা মো. সোহাগ বলেন, সাইদুল বেশ কিছু দিন ধরে চরম বিষণ্ণতায় ভুগছিলেন। কিন্তু কী কারণে তার মৃত্যু হয় হয়, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. সেলিম বলেন, ময়নাতদন্তের সাইদুল ইসলামের লাশ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানীর আবাসিক হোটেল থেকে যুবকের মরদহে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর আবাসিক হোটেল থেকে যুবকের মরদহে উদ্ধার

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি আবাসিক হোটেল থেকে জাহিদুল ইসলাম তায়েফ (২৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমির হোসেন এ তথ্য সত্যতা নিশ্চিত করেন। 

মৃত জাহিদুল ইসলাম তায়েফ পেশায় দিগন্ত পরিবহন বাসের সুপারভাইজার ছিল। তিনি গাজীপুর কালীগঞ্জ দক্ষিণ রাজনগর গ্রামের হোটেল চাকরিজীবী জহিরুল ইসলামের ছেলে।

এসআই আমির হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির পশ্চিম পাশে হোটেল ইন্টারকম আবাসিক হোটেলের পঞ্চম তলার ৫৩১ নম্বর কক্ষ থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করা ছিল। সে সিলিং ফ্যানের আংটার সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো ছিল। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

এসআই আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা মনে হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে। 

মৃতের বাবা জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার ছেলে হবিগঞ্জ নানাবাড়িতেই থাকত। ঢাকা-হবিগঞ্জ রোডের দিগন্ত পরিবহনে বাসের সুপারভাইজার ছিল। রাতে পুলিশের মাধ্যমে খবর পাই, সে একটি আবাসিক হোটেলে গলায় ফাঁস দিয়েছে। তবে কি কারণে কেন এমনটি ঘটিয়েছে বলতে পারেননি স্বজনরা।

মৃত জাহিদুল হবিগঞ্জ চুনারুঘাট রাজাবাজার নানা-নানির বাড়িতে থাকত। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়।