• ই-পেপার

মগবাজারে ৪ গাড়িকে ধাক্কা দিয়ে চলে গেল ট্রেন

মিরপুরে দেয়ালধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ২

নিজস্ব প্রতিবেদক
মিরপুরে দেয়ালধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ২
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাউন্ডারি দেয়ালধসের ঘটনায় আরো একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দুজনে দাঁড়িয়েছে। মিরপুর থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে দেয়ালধসের ঘটনাটি ঘটে।

এসআই মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার পরিচয় জানা যায়নি। এ ছাড়া ঢামেক হাসপাতালে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং আহত একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

তিনি আরো জানান, ঢামেকে নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৩৫। পরনে পুরাতন  ‍লুঙ্গি ও লাল চেক শার্ট রয়েছে। আহত নারীর নাম রাজিয়া বেগম (৫৫)। তিনি পায়ে আঘাত পেয়েছেন।

আহত নারীর ভাই দেলোয়ার হোসেন জানান, তার বোন মিরপুরের সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় থাকেন। তিনি সেসময়ে টিসিবি মালামাল ক্রয়ের জন্য সে পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। 

এসআই মনিরুল ইসলাম বলেন, ওই বাউন্ডারির পাশে টিসিবির পণ্যের জন্য কার্ডধারীরা লাইনে দাঁড়াতেন। আজও লোকজন দাঁড়ানো অবস্থায় এ ঘটনা ঘটে।

মিরপুরে দেয়ালধসে একজন নিহত, আহত অন্তত ৭

অনলাইন ডেস্ক
মিরপুরে দেয়ালধসে একজন নিহত, আহত অন্তত ৭
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুরের লাভ রোডে দেয়ালধসে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।  

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে দেয়ালধসের এ ঘটনা হয়। নিহত নারীর নাম নাসিমা। 

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে টিসিবির পণ্য পরিবাহী একটি ট্রাক দাঁড়িয়েছিল। টিসিবির পণ্য নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় দেয়ালধসে নারীর মৃত্যু হয়। নিহত নারী স্থানীয় একটি বস্তির বাসিন্দা।

বিস্তারিত আসছে...

সংলাপে বিশিষ্টজনেরা

গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে
ছবি: কালের কণ্ঠ

গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার, উন্নয়ন সংস্থা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেছেন, শিশুর অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি আমাদের সমাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের মৌলিক প্রশ্নের সাথে জড়িত। অথচ বিদ্যমান আইনি ও নীতিমালার দুর্বলতা এবং তা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ায় গৃহকর্মী শিশুরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় শিশুশ্রমকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুর অধিকার ও সুরক্ষায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সংলাপে এসব কথা বলেন তারা। চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্লাটফর্মের (ক্লেপ) সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) আয়োজিত সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তফাদার। 

এএসডির নির্বাহী পরিচালক এম এ করিমের সভাপতিত্বে সংলাপে বক্তৃতা করেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) বাংলাদেশের প্রতিনিধি সৈয়দা মুনিরা সুলতানা, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপপরিচালক এম রবিউল ইসলাম, এডুকো বাংলাদেশের চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন কর্মসূচির ব্যবস্থাপক আফজাল কবির খান, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন, এএসডির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইউকেএম ফারহানা সুলতানা ও এএসডির কোঅর্ডিনেটর সৈয়দ শাহিনুর রহমান প্রমুখ।

সংলাপে মূল প্রবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যমান শ্রম আইন, শিশু আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পেনাল কোডসহ অন্যান্য বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের আইনগত সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। শিশুশ্রম নিরসনে শিশুদের জন্য ঝূঁকিপূর্ণ কাজের তালিকায়ও গৃহকর্মীর কাজকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তাই গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতির আলোকে গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে গৃহকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। সরকার দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ নিবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সচিব মো. আব্দুর রহমান তফাদার বলেন, গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় সরকার ইতিমধ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। গৃহকর্মী কল্যাণ ও সুরক্ষায় মনিটরিং কমিটি গঠনের কাজ চলছে। এই সেক্টরে কর্মরত সব সরকারি-বেসরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন সবার সচেতনতা। জনগণ সচেতন হলেই আমাদের উদ্যোগ সফল হবে। সংলাপের মাধ্যমে গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর সুপারিশ প্রণয়ন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে এম এ করিম বলেন, শিশুরা তাদের আনন্দের শৈশব হারিয়ে ফেলছে, কাজে নিয়োজিত হয়ে। গৃহকর্মীর কাজকে এখনো শিশুদের জন্য ঝূঁকিপূর্ণ কাজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ২০০৭ সালের পর গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নির্মূল করা হবে। কিন্তু আমরা তা পারিনি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু গৃহকর্মীর অধিকার ও সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আনসারের সহযোগিতায় হারানো ব্যাগ ফিরে পেলেন প্রবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আনসারের সহযোগিতায় হারানো ব্যাগ ফিরে পেলেন প্রবাসী
ছবি: কালের কণ্ঠ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় হারানো ব্যাগ ফিরে পেয়েছেন মো. মাসুদুজ্জামান তালুকদার নামের এক প্রবাসী যাত্রী।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোররাতে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-০২ এলাকায় একটি ট্রলিতে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা মূল্যবান ব্যাগটি উদ্ধার করেন কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা।

ক্যানোপি-০২ এলাকায় দায়িত্বরত আনসার সদস্য এপিসি মো. জগলুল পাশা প্রথমে ব্যাগটি দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি ক্যানোপি ইনচার্জ পিসি মো. আলতাফ হোসেন এবং শিফট ইনচার্জ পিসি মো. মোজাম্মেল হোসেনকে জানান। এরপর প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করতে ক্যানোপি-০২ ও আশপাশের এলাকায় মাইকিং করা হয়।

পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ থেকে বিমানবন্দরে ফিরে আসেন মো. মাসুদুজ্জামান তালুকদার। তার উপস্থিতিতে ব্যাগের ভেতরে থাকা মালামাল যাচাই করা হয়। মানিব্যাগ, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ব্যাংক কার্ড ও প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক সামগ্রী মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাগটি তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ব্যাগ ফিরে পেয়ে আনসার সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ওই প্রবাসী যাত্রী। কেপিআইভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আনসার সদস্যদের এমন দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।

মগবাজারে ৪ গাড়িকে ধাক্কা দিয়ে চলে গেল ট্রেন | কালের কণ্ঠ