• ই-পেপার

কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে সরকার কাজ করছে : কৃষিমন্ত্রী

জনরায়ে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে : পানিসম্পদ মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
জনরায়ে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে : পানিসম্পদ মন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জনরায়ে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। বিএনপি ঐক্যে বিশ্বাসী। জাতীয় স্বার্থে ২৪-এর জুলাইয়ে যেভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, বৈষম্যহীন দেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

‎মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে ‘ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে বিভাজন নয় ঐক্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করতে হবে।

‎তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার এক ঐতিহাসিক বিজয়। নিরপেক্ষ নির্বাচন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জন্য বিএনপি ধারাবাহিকভাবে ১৬ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম ছালিয়ে আসছিল। জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, রিকশাওয়ালাসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে আর কখনোই ফাসিবাদ কায়েম হবে না, কাউকে গণতন্ত্র হত্যা করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বিরোধীদলকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পার্লামেন্টে এক আচরণ বাহিরে ভিন্নরূপ এই নীতি পরিহার করতে হবে। অযথা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরোধীদলকে বিরত থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার ব্যাপারে গণতন্ত্রকামী জনগণকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান মন্ত্রী।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ এহসানুল হুদা।

ঢাকা-আশুলিয়া অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে : ব্যয়ে শীর্ষে, সুবিধায় পিছিয়ে

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা-আশুলিয়া অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে : ব্যয়ে শীর্ষে, সুবিধায় পিছিয়ে
ফাইল ছবি

অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা উড়াল সড়ক এখন সব দেশের সড়কব্যবস্থা সহজ ও যাতায়াতব্যবস্থা দ্রুত করার মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ঢাকা-আশুলিয়া অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ২৪ কিলোমিটার উড়ালপথ করছে বাংলাদেশ। অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণে অন্য দেশগুলোর তুলনায় খরচ বেশি হচ্ছে। তবে অন্য দেশের কম খরচে নির্মিত উড়াল সেতুগুলোতে সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি।

চীনের অর্থায়নে নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। বেশির ভাগ কাজ শেষের পর ব্যয় এক লাফে ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। গত ২২ জুলাই (বুধবার) সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাবটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পায়।

বিদেশি ঋণে নির্মিত হচ্ছে দেশের দ্বিতীয় অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ‘ঢাকা-আশুলিয়া’। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ উড়ালসড়কের নির্মাণ ব্যয় ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। এ হিসাবে প্রতি কিলোমিটার নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ ব্যয়ের দিক দিয়ে এটি বিশ্বে অন্যতম শীর্ষে। এ প্রকল্পের ডিপিপি পাস হয় ২০১৭ সালে। ঠিকাদারের সঙ্গে চায়না কমার্শিয়াল লোনের চুক্তি হয়েছে ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে। এরপর শুরু হয় নির্মাণকাজ।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা; এর মধ্যে চীনের অর্থায়নের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে ওই বছর জুনেই প্রকল্প প্রস্তাবে প্রথম সংশোধনী আনা হয়।

এতে প্রকল্প ব্যয় ৬৫২ কোটি টাকা বেড়ে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা দাঁড়ায়। তবে ওই সময় চীনের অর্থায়নের পরিমাণ কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা। সবশেষ গত বুধবার একনেকে এ প্রকল্পের ব্যয় ৯ হাজার ৪৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ বাড়ল এক লাফে ৫৪ শতাংশ টাকা।

এতে সরকারের সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ৭৬ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা এবং চীনের অর্থায়ন ৩৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।

একনেক কমিটির বৈঠক শেষে এই প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির কারণ জানতে চাওয়া হয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির কাছে। তিনি তখন বলেন, এখানে আসলে ঢাকা-আশুলিয়া যে প্রকল্পের খরচটা এখন বৃদ্ধি পেয়েছে, তার দুটো কারণ আছে।
একটা হচ্ছে মূলত ডলার রেট একটা বড় আকারে পরিবর্তন ঘটেছে। সেই ডলারের পরিবর্তনের কারণেই আবার কতগুলো ভ্যাট, ট্যাক্সসহ বেশ কিছু পরিবর্তনের জায়গা আছে।”

অপর কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এখানে নতুন একটা অঙ্গ সংযোজন হয়েছে। তো সেই অঙ্গ সংযোজনের ফলেও খরচের একটি বৃদ্ধি আছে। আর কিছু ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তর, যেটা মূল ডিপিপিতে সেখানে ছিল না—যার ফলে ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তরে একটা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, আর পাঁচটি নতুন অঙ্গ সংযোজনের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ দুটোই আসলে মূলত খরচ বৃদ্ধি। বাকিটা মূলত ডলারের রেট সমন্বয় এবং তদঅনুযায়ী যে ভ্যাট-ট্যাক্সের হিসাব, সেটা।

অন্য দেশের অ্যালিভেটের এক্সপ্রেসওয়ে

চলতি বছর পুরোদমে চালু হয়েছে চীনের সিচুয়ান প্রদেশে নির্মিত ইবিন-পানঝিহুয়া এক্সপ্রেসওয়ে। ৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ এক্সপ্রেসওয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই এলিভেটেড (উড়ালপথ)।

দুর্গম এলাকা হওয়ায় এক্সপ্রেসওয়েটির জন্য বিপুলসংখ্যক ছোট-বড় সেতু এবং পাহাড় কেটে টানেল বানাতে হয়েছে। দুর্গম পাহাড় আর উপত্যকাঘেরা এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ঝুঁকি এক্সপ্রেসওয়েটিকে চীনের ব্যয়বহুল মহাসড়কে পরিণত করেছে। এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হয়েছে ২০০ মিলিয়ন ইউয়ান, বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী যা ৩৬৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

বাংলাদেশি মুদ্রায় কিলোমিটারপ্রতি ৬৩০ কোটি টাকা খরচ করে দামনসারা-শাহ আলম অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (ড্যাশ) নির্মাণ করেছে মালয়েশিয়া। এ উড়ালসড়ক আধুনিক অবকাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের জন্য বিশেষভাবে আলোচিত। যানবাহন চলাচল ও নিয়ন্ত্রণের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ছাড়াও এতে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নয়েজ ব্যারিয়ারের মতো সুবিধা গড়ে তোলা হয়েছে। মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (এমএলএফএফ) টোল ব্যবস্থার সঙ্গে ১৩টি ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণ করা হয়েছে এ এক্সপ্রেসওয়েতে।

ভারতের প্রথম আট লেনের অ্যালিভেটেড মহাসড়ক দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ে। কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) অব ইন্ডিয়ার হিসাব অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়েটির প্রতি কিলোমিটারের নির্মাণ ব্যয় ২৫০ কোটি রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩২০ কোটি টাকা। প্রকল্পটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ। এ সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্মিত হয়েছে ৩ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ আট লেনের সুড়ঙ্গ, যা ভারতের অন্যতম প্রশস্ত নগর (আরবান) টানেল হিসেবে বিবেচিত।

কিলোমিটারপ্রতি ৮৩৭ কোটি টাকা খরচে পোর্ট অ্যাকসেস অ্যালিভেটেড হাইওয়ে নির্মাণ করছে শ্রীলঙ্কা। কিলোমিটারপ্রতি ৩৯০ কোটি টাকায় শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ স্কাইওয়ে নির্মাণ করেছে ইন্দোনেশিয়া। রামা ৩ এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করেছে থাইল্যান্ড কিলোমিটারপ্রতি ৬১২ কোটি টাকা ব্যয়ে। এ প্রকল্পগুলোর অবকাঠামোগত সুবিধা চীন, মালয়েশিয়ায় নির্মিত এক্সপ্রেসওয়েগুলোর মতোই। 

বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

যোগাযোগ অবকাঠামো বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ ব্যয়ের দিক দিয়ে বিশ্বে অন্যতম শীর্ষ হলেও এর অবকাঠামোগত সুবিধা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হচ্ছে না।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, ‘আমাদের দেশে মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ব্যয় অনেক ক্ষেত্রেই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় বেশি হলেও সেই ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নির্মাণমান, পরিবেশগত সুরক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। উন্নত ও উদীয়মান দেশগুলো অবকাঠামো নির্মাণে শুধু মূল নির্মাণ ব্যয় নয়, পরিবেশগত শর্ত পূরণ, জলবায়ু সহনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তাকেও প্রকল্পের মূল বাজেটের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। কিন্তু বাংলাদেশে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করা হলেও বাস্তবায়নের সময় তার কার্যকর প্রয়োগ ও তদারকির ঘাটতি রয়ে যায়। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও আমরা এমন অবকাঠামো পাচ্ছি, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক পিছিয়ে।’

সূত্র : বণিক বার্তা

আইসিটি বিভাগের সচিব হলেন মামুনুর রশীদ ভূঞা

অনলাইন ডেস্ক
আইসিটি বিভাগের সচিব হলেন মামুনুর রশীদ ভূঞা
সংগৃহীত ছবি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

 

এর আগে সোমবার (২৫ মে) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনকে সরিয়ে মো. মামুনুর রশীদ ভূঞাকে ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল

মীর শাহে আলম

সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করতে হবে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর অর্জন, চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা যেন তথ্যভিত্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপিত হয়, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপগুলোও ১৮০ দিনের অর্জনের অংশ হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, গত ১৮০ দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরো কার্যকর করা, নগর ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগসমূহকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরো আধুনিক, সমন্বিত ও টেকসই করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি)-এর মহাপরিচালক ড. রওশন আরা বেগম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহান, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়াল, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সকল ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।