গাজীপুরের টঙ্গী-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে আধা কিলোমিটারজুড়ে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। দীর্ঘদিন ধরে ভাগাড়ে জমা হচ্ছে বাসাবাড়ি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আবর্জনা ও বর্জ্য।
পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এই আবর্জনায় থাকা পলিথিন ও প্লাস্টিকে মাঝে মাধ্যে আগুন দেওয়ায় সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্মক দূষণ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা- সিলেট, ঢাকা-চট্রগ্রাম রুটের অনেক যানবাহন ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে টঙ্গী-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে। একই নামে রেলরুটও লগোয়া। ফলে এই দুটি রুটের সড়কপথে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও রেলরুটে বেশ কিছু ট্রেন যাতায়াত করে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, টঙ্গী রেল ক্রসিংয়ের কয়েক গজ সামনে রেলপথ ও সড়কপথের মাঝে প্রায় আাধা কিলোমিটার দীর্ঘ জায়গাজুড়ে ময়লার স্তূপ। সড়কের যানবাহন ও ট্রেনের যাত্রীরা নাকে রুমাল বা টিস্যু পেপার দিয়ে এলাকাটি পার হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়, ময়লার ভাগাড়ে ফেলা পলিথিনে মাঝে মাঝে আগুন দেওয়া হয়। আগুনে পুঁড়ে ময়লা, পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিষাক্ত ধোঁয়া গণপরিবহনের যাত্রী ও পথচারীদের অতিষ্ঠ করে তোলে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এই ধোঁয়া আশপাশের বাসিন্দাদের জন্যও বিব্রতকর। এই গন্ধ আগুনে পুঁড়ে বাতাসে মিশে দূষণ সৃষ্টি করছে।
রিয়াজ (৩০) নামের এক পথচারী জানান, প্রতিদিন নাকে টিস্যু দিয়ে এই ময়লার ভাগাড় পার হতে হয়। অনেক দিন ধরেই এখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্কুলছাত্রী ফারজানা ইয়াসমিন (১৩) জানায়, রিকশা দিয়ে গেলেও নাকে রুমাল চেপে যেতে হয়। আমরা এখানে ময়লার ভাগাড় চাই না।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা সোহেল রানা কালের কণ্ঠকে বলেন, ময়লার ভাগাড় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নয়। স্থানীয় লোকজন এখানে ময়লা ফেলে।





