• ই-পেপার

একসময় পৃথিবীতে ছিল ৭৫ হাজার ভাষা, এখন টিকে আছে সাড়ে ৭ হাজার

ঢাবিতে মানবাধিকারবিষয়ক ২ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে মানবাধিকারবিষয়ক ২ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

তরুণদের মানবাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে সচেতন করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘হিউম্যান রাইটস ফ্রম থিওরি টু প্র্যাকটিস’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাব ও ড্যানিশ ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটসের (ডিআইএইচআর) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সহযোগিতা করছে রয়্যাল ড্যানিশ এম্বাসি। এতে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৫টি বিভাগের ৩২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

আয়োজকরা জানান, কর্মশালায় মানবাধিকারের মৌলিক ধারণা, নীতিমালা, আন্তর্জাতিক কাঠামো ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম, দলীয় আলোচনা ও বাস্তবভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে মানবাধিকার বিষয়ে তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার কৌশল শেখানো হচ্ছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্তিমূলক যোগাযোগ, অ্যাডভোকেসি, নাগরিক শিক্ষা এবং স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া গল্প ও শিল্পের মাধ্যমে মানবাধিকারের বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপনের কৌশল সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) কর্মশালার শেষ দিনে শিক্ষার্থীরা দলগতভাবে নিজেদের অ্যাকশন প্রজেক্টের পরিকল্পনা প্রস্তুত ও উপস্থাপন করবেন। নির্দিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগের পরিকল্পনা তৈরি করবেন তারা।

অভিজ্ঞতা বিনিময়, মূল্যায়ন এবং সফল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার সমাপ্তি হবে।

ঢাবির বাংলা বিভাগের ১১ শিক্ষার্থী পেলেন ‘সেতারা মূসা বৃত্তি’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির বাংলা বিভাগের ১১ শিক্ষার্থী পেলেন ‘সেতারা মূসা বৃত্তি’
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের ১১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘সেতারা মূসা বৃত্তি ২০২৪-২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে এ বৃত্তির অর্থ ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।

এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশন বৃত্তি তহবিলের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, কিংবদন্তি সাংবাদিক এবিএম মূসা ছিলেন সত্যনিষ্ঠা, সাহস ও নৈতিকতার প্রতীক। তিনি আজীবন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বাংলা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সেতারা মূসার স্মৃতি রক্ষার্থে প্রতিষ্ঠিত এ বৃত্তি তহবিলকে তিনি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বৃত্তির আর্থিক মূল্য ছাড়াও এটি শিক্ষার্থীদের মেধা, অধ্যবসায় ও সাফল্যের স্বীকৃতি। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আরো ভালো ফলাফল অর্জন ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করবে।

উপাচার্য শিক্ষার্থীদের বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, কলা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং ট্রাস্ট ফান্ডের দাতা পরিবারের সদস্য ব্যারিস্টার মো. আফতাব উদ্দিন।

বাংলা বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সোহানা মাহবুবের স্বাগত বক্তব্যের পর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন)।

এ বছর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন নাইম সিরাজ, ফাবিহা বুশরা প্রিয়ন্তি, তনুজা বিশ্বাস প্রজ্ঞা, তাসনিয়া জাহান মুনমুন, নুসরাত জাহান সুবর্ণা, আনিকা তাবাসসুম, সাবিকুন নাহার, আনিবা তাসনীম, আলপনা আক্তার, সালমা বেগম ও আ. খালেক।

উল্লেখ্য, তহবিলের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর বাংলা বিভাগের স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি প্রদান করা হয়। স্নাতকোত্তরে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে এককালীন ২০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া স্নাতকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী বর্ষে অধ্যয়নরত সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ১৫ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকারীদের ১০ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

শনিবার ইবিতে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
শনিবার ইবিতে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

নবীন শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে শনিবার (১ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আসছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আবদুল খালেক, ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, সদস্য ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পর অতিথিরা তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। বক্তব্য শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।

খুকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান

বাকৃবি প্রতিনিধি
খুকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান
অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৫-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্যের অনুমোদনক্রমে অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারকে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর অথবা তাঁর অবসর গ্রহণের নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দায়িত্ব পালনকালে তিনি উপাচার্য পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।