• ই-পেপার

ঢাবির বাংলা বিভাগের ১১ শিক্ষার্থী পেলেন ‘সেতারা মূসা বৃত্তি’

ঢাবিতে মানবাধিকারবিষয়ক ২ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে মানবাধিকারবিষয়ক ২ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

তরুণদের মানবাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে সচেতন করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘হিউম্যান রাইটস ফ্রম থিওরি টু প্র্যাকটিস’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাব ও ড্যানিশ ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটসের (ডিআইএইচআর) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সহযোগিতা করছে রয়্যাল ড্যানিশ এম্বাসি। এতে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৫টি বিভাগের ৩২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

আয়োজকরা জানান, কর্মশালায় মানবাধিকারের মৌলিক ধারণা, নীতিমালা, আন্তর্জাতিক কাঠামো ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম, দলীয় আলোচনা ও বাস্তবভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে মানবাধিকার বিষয়ে তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার কৌশল শেখানো হচ্ছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্তিমূলক যোগাযোগ, অ্যাডভোকেসি, নাগরিক শিক্ষা এবং স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া গল্প ও শিল্পের মাধ্যমে মানবাধিকারের বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপনের কৌশল সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) কর্মশালার শেষ দিনে শিক্ষার্থীরা দলগতভাবে নিজেদের অ্যাকশন প্রজেক্টের পরিকল্পনা প্রস্তুত ও উপস্থাপন করবেন। নির্দিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগের পরিকল্পনা তৈরি করবেন তারা।

অভিজ্ঞতা বিনিময়, মূল্যায়ন এবং সফল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার সমাপ্তি হবে।

একসময় পৃথিবীতে ছিল ৭৫ হাজার ভাষা, এখন টিকে আছে সাড়ে ৭ হাজার

অনলাইন ডেস্ক
একসময় পৃথিবীতে ছিল ৭৫ হাজার ভাষা, এখন টিকে আছে সাড়ে ৭ হাজার
ছবি: রয়টার্স

বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৭ হাজার ৫০০টি ভাষা ব্যবহার করা হয়। তবে একসময় পৃথিবীতে ৩০ হাজার থেকে ৭৫ হাজারেরও বেশি ভাষা প্রচলিত ছিল। নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স-এ। এতে গত ১২ হাজার বছরের ভাষার ইতিহাস বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষকরা গণিত, ভাষাবিজ্ঞান, নৃতত্ত্ব এবং জনসংখ্যার তথ্য ব্যবহার করে ভাষার সংখ্যা নির্ধারণের চেষ্টা করেছেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, সর্বশেষ বরফ যুগের শেষের দিকে, অর্থাৎ প্রায় ১২ হাজার বছর আগে, পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা কম ছিল। তারা ছোট ছোট যাযাবর দলে বসবাস করত। তখন পৃথিবীতে আনুমানিক ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার ২০০টি ভাষা ছিল।

পরে মানুষ কৃষিকাজ শুরু করে। স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে। জনসংখ্যাও বাড়তে থাকে। এতে বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন নতুন ছোট জনগোষ্ঠী তৈরি হয়। তাদের সঙ্গে নতুন ভাষারও জন্ম হয়। একসময় পৃথিবীতে ভাষার সংখ্যা ৩০ হাজার থেকে ৭৫ হাজারের বেশি হয়ে যায়। গবেষকদের মতে, এ সময়টিই ছিল ভাষার স্বর্ণযুগ।

কিন্তু পরে বড় বড় সাম্রাজ্যের বিস্তার শুরু হয়। এরপর ইউরোপীয় উপনিবেশবাদ ছড়িয়ে পড়ে। অনেক জায়গায় স্থানীয় মানুষকে নিজেদের ভাষা ছেড়ে শাসকদের ভাষা ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়। ফলে ধীরে ধীরে হাজারো ভাষা হারিয়ে যেতে থাকে।

গবেষকদের ভাষ্য, কোনো ভাষা হারিয়ে গেলে শুধু একটি ভাষাই হারায় না। হারিয়ে যায় সেই ভাষাভাষী মানুষের ইতিহাস, সংস্কৃতি, স্মৃতি এবং বহু প্রজন্মের জ্ঞান।

গবেষণায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর বহু প্রাচীন ভাষা আজ আর নেই। সুমেরীয়, আক্কাদীয়, হিট্টাইট ও এট্রুস্কান ভাষা এর উদাহরণ। আবার কিছু ভাষা সময়ের সঙ্গে বদলে নতুন ভাষায় রূপ নিয়েছে। যেমন, লাতিন ভাষা থেকে ফরাসি, ইতালীয় ও স্প্যানিশ ভাষার জন্ম হয়েছে।

ইতিহাসে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীও ভাষা দমনের চেষ্টা করেছে। ইংল্যান্ড আয়ারল্যান্ডে আইরিশ ভাষা ব্যবহারে বাধা দেয়। স্পেন আমেরিকার আদিবাসীদের ভাষা নিষিদ্ধ করে। পর্তুগাল ব্রাজিলে স্থানীয় ভাষা দমন করে। ফ্রান্স আফ্রিকার উপনিবেশগুলোতে ফরাসি ভাষা চাপিয়ে দেয়। জাপানও কোরিয়ায় কোরীয় ভাষা দমনের চেষ্টা করেছিল। তবে ইনকা, মায়া ও অ্যাজটেক সভ্যতার কিছু ভাষা এসব বাধা পেরিয়েও টিকে আছে।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক ভাষাই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। আর বিশ্বের ৯০ শতাংশ মানুষ মাত্র ১০ শতাংশ ভাষায় কথা বলে। ফলে ছোট ছোট অনেক ভাষা ভবিষ্যতে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার ইবিতে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
শনিবার ইবিতে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

নবীন শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে শনিবার (১ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আসছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আবদুল খালেক, ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, সদস্য ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পর অতিথিরা তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। বক্তব্য শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।

খুকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান

বাকৃবি প্রতিনিধি
খুকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান
অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৫-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্যের অনুমোদনক্রমে অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারকে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর অথবা তাঁর অবসর গ্রহণের নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দায়িত্ব পালনকালে তিনি উপাচার্য পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।