• ই-পেপার

বরিশালের ১২ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করেছে সরকার :  ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

পাবনা প্রতিনিধি
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করেছে সরকার :  ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
পাবনা শহীদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকসহ অতিথিরা।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সকল চর্চাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন বর্তমান সরকার।     

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে পাবনা শহীদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা শুধু বাংলাদেশে না, আমরা আন্তর্জাতিকভাবেও যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য রয়েছে আমরা সাব গেমস থেকে শুরু করে অলিম্পিকের মত সর্ববৃহৎ আসরে বাংলাদেশের নামটি যাতে লেখাতে পারি এটি আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের এই প্রথম খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রত্যেকটি বাবা-মা তার সন্তানদেরকে পড়াশোনা করিয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কেউ ব্যারিস্টার হওয়ার চিন্তা বা স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্ন যেন একটি বীজ বপন করতে চাচ্ছেন খেলোয়াড় হিসাবেও আপনার সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। নতুন কুড়ির মাধ্যমে খেলাধুলাকে আরো উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-২ আসনের সাংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালেব মন্ডল। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ফাইনাল গোল্ডকাপ খেলায় সদর উপজেলা ও ঈশ্বরদী উপজেলার দল অংশগ্রহণ করেন। অতিরিক্ত সময়সহ ৯৫ মিনিট খেলায় ঈশ্বরদী উপজেলা ৩/১ গোলে সদর উপজেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।

রাজশাহীতে ৩১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
রাজশাহীতে ৩১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৩১ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫। এ সময় তার এক সহযোগী পালিয়ে যায়।

র‌্যাব-৫ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজশাহী সদর কম্পানির একটি দল মোহনপুর থানার কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে অভিযান চালায়। এ সময় ৩১ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

অভিযানে উপজেলার বাকশৈল গ্রামের মৃত কিতাব আলীর ছেলে মো. মুকুল ওরফে কালু (৪০) গ্রেপ্তার হন। তবে তার সহযোগী ট্রাকচালক মো. রাজু মিয়া (২০) কৌশলে পালিয়ে যান।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মুকুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে বিভিন্ন এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে মোহনপুরসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রি করে আসার কথা স্বীকার করেছেন। জব্দ করা গাঁজাও বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছিলেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মুকুল ও পলাতক রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে মোহনপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল দুই সিএনজি, নিহত ১

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল দুই সিএনজি, নিহত ১

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে গিয়ে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অপর এক চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মইজ্জ্যারটেক গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত চালকের নাম দোলন কান্তি দে সুমন (৫২)। তিনি বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ী কেবি বাজার এলাকার সাধন চন্দ্রের ছেলে।

একই ঘটনায় আহত হয়েছেন মো. রুবেল (৩০) নামে অপর এক সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। তাঁকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর বাড়িও বাঁশখালীর বৈলছড়ী এলাকায়।

জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় দুই সিএনজিতেই কোনো যাত্রী ছিল না। নিহত ও আহত দুজনই দুর্ঘটনাকবলিত অটোরিকশার চালক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুইটি সিএনজি বাঁশখালী থেকে মইজ্জ্যারটেকের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পটিয়া থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে সিএনজি দুটিকে ধাক্কা দিলে সেগুলো দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দোলন কান্তি দে সুমনের মৃত্যু হয় এবং গুরুতর আহত হন রুবেল।

মইজ্জ্যারটেক ট্রাফিক পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আবু সাঈদ বাকের জানান, দুর্ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে গেলেও দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও দুইটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর

শিশু নিরবের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এলেন জেলা প্রশাসক

নীলফামারী সংবাদদাতা
শিশু নিরবের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এলেন জেলা প্রশাসক

নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের ল্যাম্পপোস্টের আলোয় বসে পড়াশোনা করা সাত বছরের শিশু নিরবের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। ‘কুপির তেল ফুরোলেই স্টেশনে, ল্যাম্পপোস্টের নিচে পড়াশোনা’ শিরোনামে গতকাল বৃহস্পতিবার কালের কণ্ঠ ডিজিটাল ও অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের একদিনের মধ্যেই নিরবের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসক নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মসংলগ্ন ছোট্ট ঘরে গিয়ে নিরব ও তার পরিবারের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি পরিবারের হাতে খাদ্য সহায়তা তুলে দেন।

2

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনটি আমার নজরে আসে। সেখানে দেখেছি, বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় নিরব প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত স্টেশনের ল্যাম্পপোস্টের আলোয় পড়াশোনা করে। বড় হয়ে সে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তার সেই স্বপ্ন পূরণে আমরা পাশে দাঁড়িয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিরব পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী। তাই সরকারি শিশু সদনের মাধ্যমে তার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। সে কিছুটা অসুস্থ, তাই তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হবে। এছাড়া পরিবারটি রেলওয়ের জমিতে বসবাস করছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাদের জন্য সরকারি খাস জমির ব্যবস্থা করে স্থায়ী আবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছি।’

66

জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেন নিরবের মা রুপসানা বেগম। তিনি সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সম্মতি জানান। একই সঙ্গে তাদের জীবনসংগ্রামের গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরায় কালের কণ্ঠের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী সরকারি শিশু পরিবার (বালক)-এর উপতত্ত্বাবধায়ক শাহ মো. আল আমিন, নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মিঠুন রায়সহ জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।