• ই-পেপার

রাজশাহীতে ৩১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ, নদী থেকে উদ্ধার যুবকের লাশ

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ, নদী থেকে উদ্ধার যুবকের লাশ
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ দেখতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া আহাদ নূর (২৬) নামের এক যুবকের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে উপজেলার বার্তোকোনা এলাকার সাপমরা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আহাদ নূর উপজেলার মাঘান মাইজহাটি গ্রামের কাঁচা মিয়ার ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে বসবাস করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ফুটবল খেলা দেখতে বাড়ি থেকে বের হন আহাদ নূর। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা দুই দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে শুক্রবার ভোরে সাপমরা নদীতে একটি ভাসমান মরদেহের খবর পান। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহটি আহাদ নূরের বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে নদীর পাড়ে বসে মোবাইলে খেলা দেখার সময় অসাবধানতাবশত আহাদ নূর পানিতে পড়ে যান। তিনি সাঁতার জানতেন না। যে স্থান থেকে নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেখান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে তার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

রংপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় এক দিনে প্রাণ গেল ৫ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় এক দিনে প্রাণ গেল ৫ জনের
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের পীরগাছা ও পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক ৫টি দুর্ঘটনায় এক দিনে ৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ট্রেনে কাটা পড়া দুই নারী, ছাদ থেকে পড়ে নিহত এক ব্যবসায়ী, বিলে ডুবে মারা যাওয়া নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী এবং বাসের চাপায় নিহত এক মোটরসাইকেল আরোহী। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এসব মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সূত্র জানায়, পীরগাছা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন সুখানপুকুর এলাকায় পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে রাশেদা বেগম (৫৫) নামে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি উপজেলার দক্ষিণ দুধিয়াবাড়ী গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী। পদ্মরাগ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, একই এলাকায় আরেক নারী ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। তার পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, নিহত নারীর বয়স প্রায় ২০ বছর। পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

এদিকে, শুক্রবার সকালে পীরগাছা বাজার এলাকায় একটি ভবনের ছাদ থেকে পড়ে নাহিদ হোসেন (৩৮) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার বটতলা এলাকার বাসিন্দা ফজলু মিয়ার ছেলে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও ব্যবসায়ী মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, পীরগঞ্জ উপজেলার ৫ নম্বর মদনখালী ইউনিয়নের খেরুয়া আলমপুর গ্রামের ধারাকোল বিলে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে রোজাতুল খাতুন (১৫) নামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের রজ্জব আলীর মেয়ে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে কয়েকজনের সঙ্গে বিলে গোসল করতে নেমে একপর্যায়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায় রোজাতুল। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, সহপাঠী ও এলাকাজুড়ে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

একই দিনে পীরগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বড়দরগাহ বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় উজ্জ্বল রায় নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত উজ্জ্বল রায় লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মসুরদরগাহ এলাকার দুলাল রায়ের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজের পর বগুড়া থেকে রংপুরগামী একটি মোটরসাইকেল বড়দরগাহ বাজার এলাকায় পৌঁছালে চালক হঠাৎ রাস্তা পার হওয়া দুই পথচারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।  এতে মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি রংপুরগামী রোমান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের নিচে চলে যায়। 

ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা উজ্জ্বল রায় নিহত হন। গুরুতর আহত চালককে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে বড়দরগাহ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করে।

পীরগাছা ও পীরগঞ্জ থানা এবং হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, পৃথক এসব দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। অজ্ঞাত নারীর পরিচয় শনাক্তে চেষ্টা চলছে। সড়ক দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এছাড়া পানিতে ডুবে মৃত্যু ও অন্যান্য দুর্ঘটনার ঘটনাগুলোও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।

একদিনে পরপর পাঁচটি প্রাণহানির ঘটনায় রংপুরের পীরগাছা ও পীরগঞ্জ উপজেলাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের মতে, এমন মর্মান্তিক দিন সাম্প্রতিক সময়ে খুব কমই দেখা গেছে। পরিবারগুলোর আহাজারি আর স্বজন হারানোর বেদনা পুরো এলাকাকে ভারাক্রান্ত করে তুলেছে।

মাদক ঠেকাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী নিহত, আশঙ্কাজনক ১

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
মাদক ঠেকাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী নিহত, আশঙ্কাজনক ১
ছবি: কালের কণ্ঠ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে আহত আব্দুর রহমান (২০) নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭জুলাই) সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই মো. হাসান গুরুতর আহত হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

 

নিহত আব্দুর রহমান উপজেলার ফুলজোর নদীর পশ্চিমপাড় এলাকার ব্যবসায়ী মো. ফিরোজের ছেলে। তিনি রায়গঞ্জ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি অংশ নিয়েছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আব্দুর রহমান ও তার বড় ভাই হাসানের সঙ্গে স্থানীয় তারা শেখের ছেলে টিটোনের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে টিটোন বার্মিজ ছুরি ও চাপাতি দিয়ে দুই ভাইকে আঘাত করেন। এতে তারা গুরুতর আহত হন।

 

পরে তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আব্দুর রহমানের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা তার একটি হাত কেটে ফেলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

 

আব্দুর রহমানের সহপাঠী রেজুয়ান হাসান সিফাত বলেন, আব্দুর রহমান শান্ত, ভদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এমন মৃত্যুতে আমরা মর্মাহত। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান তিনি।

রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ ঢাকায় থেকে আনার পর উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ শহীদ এম. মনসুর আলী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনেরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

অভিযুক্ত টিটোন পলাতক রয়েছেন। তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার আগেই উঠে গেল সড়কের পিচ, স্থানীয়দের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার আগেই উঠে গেল সড়কের পিচ, স্থানীয়দের ক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান সংস্কারকাজে নিম্নমানের বিটুমিন ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলকে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের সংস্কারকাজের দায়িত্ব পেয়েছে আরিফ এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারকাজে প্রয়োজনের তুলনায় কম বিটুমিন এবং নিম্নমানের পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক দেবে গেছে এবং যানবাহন চলাচলের কারণে পাথরও উঠে আসছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন বলেন, ‘সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্নস্থানে সড়ক ভেঙে বেহাল দশা হয়ে গেছে। আমরা শুরু থেকে প্রতিবাদ করে আসছি কিন্তু কে শুনে কার কথা। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির মধ্য দিয়ে কাজ করেছে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্কুলশিক্ষক বলেন, ‘একটা সড়ক ভাঙার পর কত দৌড়াদৌড়ি করতে হয় সংস্কার কাজের জন্য। আমাদের সড়কটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় না ৮৭ দিনও সড়কটি অক্ষত ছিল। নিম্নমানের কাজের কারণে তারও আগে সড়কটি স্থানে স্থানে খানাখন্দ হয়ে, পিচ উঠে বেহাল দশা হয়ে গেছে।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, যেসব অংশে সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে, সেসব স্থানের অনেক জায়গায় পিচ উঠে গেছে এবং ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও কালো কার্পেটিংয়ের চিহ্নও নেই। এসব অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করায় ক্ষতি আরও বাড়ছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন তফাদার বলেন, ‘রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হতে দেরি হয়েছে। ফলে কাজের মাঝে বৃষ্টির মৌসুম চলে আসে। এতে সংস্কার হওয়া অনেক অংশ বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যায়ও সড়কটিকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

অনিয়ম ও নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। পানির কারণে সড়কের ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া রাস্তার সংস্কার কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। যেসব অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেসব অংশ আমরা আবার সংস্কার করে দেব।’

গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমেদ বলেন, বর্ষাকালে কাজ চলমান থাকায় যেসব অংশে কার্পেটিং করা হয়েছিল, সেগুলো বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃষ্টি কমলে পুনরায় কাজ শুরু হবে।

নিম্নমানের বিটুমিন ও পাথর ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাজ শুরুর সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি না থাকায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে কাজ শুরু করা হয়েছিল। তাই অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।