• ই-পেপার

চুনারুঘাটে অবৈধভাবে বালু বিক্রির অভিযোগ, ৩টি ট্রাক জব্দ

সিরাজগঞ্জে স্ত্রীকে মাথায় আঘাত করে হত্যা, স্বামী পলাতক

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে স্ত্রীকে মাথায় আঘাত করে হত্যা, স্বামী পলাতক
সংগৃহীত ছবি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় মসলা পেশানো সিলপাটার সিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের বিষমডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তানিয়া খাতুন (২৪) একই গ্রামের সোহবার আলী সেখের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামীর নাম মো. শাহপরান।

তাড়াশ থানার ওসি (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, ‘তিন-চার বছর আগে তানিয়াকে বিয়ে করে স্বামী মো. শাহপরান শ্বশুরবাড়িতে ঘর জামাই থাকতেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে নিজ ঘরে তানিয়াকে মৃত অবস্থায় দেখে স্বজনরা থানায় সংবাদ দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো একসময় তানিয়াকে সিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী শাহপরান তার স্ত্রী তানিয়াকে হত্যার পর পালিয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।’

আশুলিয়া

বহুতল ভবনে কাজের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
বহুতল ভবনে কাজের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
ছবি: কালের কণ্ঠ

সাভারের আশুলিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রবিউল ইসলাম (২৬) নামের এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো এক নির্মাণ শ্রমিক। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে আশুলিয়ার কোনাপাড়া ছয়তলা মহল্লার একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায় রবিউল। নিহত লালমনিরহাট জেলার দক্ষিণ দলগ্রাম এলাকার একলাস হোসেনের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার কোনাপাড়া এলাকার হাজী রফিকুল ইসলামের বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থেকে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন।

স্থানীয়রা জানান, কোনোরকম নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই ছয়তলা একটি ভবনের কাজ করাচ্ছিলেন ওই এলাকার ইদ্রিস মিয়া। তার পক্ষে কাজ তদারকি করেন তার শ্যালক হাসান আলী। সোমবার বিকেলে কাজ করার সময় ভবনের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নির্মাণ শ্রমিক রবিউল ইসলাম বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। 

নিহতের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান, দুই মাস আগে কাজের সন্ধানে গ্রামের বাড়ি থেকে আশুলিয়ার কোনাপাড়ায় আসেন তারা। পরে এখানে থেকে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালেও কাজের উদ্দেশ্যে কোনাপাড়ায় যান। বিকেল ৫টার দিকে খবর পান তার স্বামী বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়েছেন। পরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে জিরানী বাজারস্থ বাংলাদেশ কোরিয়া মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মর্জিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পরেও তার স্বামীকে ফেলে রাখা হয়েছে। কিন্তু অন্য একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সময় মতো হাসপাতালে নিলে হয়তো তার স্বামীর মৃত্যু হত না। তার দুইটা ছোট ছোট সন্তান রয়েছে। এখন তাদের কি হবে বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

আশুলিয়া থানার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভালুকা

স্বামীর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে প্রতিকার চাইলেন স্ত্রী

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
স্বামীর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে প্রতিকার চাইলেন স্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহের ভালুকায় স্বামীর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ তুলে এবং ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়ে প্রতিকার চেয়েছেন তার স্ত্রী হনুফা (৪২)। উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালিয়া হাজীর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হনুফা উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালিয়া হাজীর বাজার এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম রবুর (৪৫) স্ত্রী। তিনি এক মেয়ে এক ছেলের জননী। মেয়ে এবং তিনি স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছেলে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।

অভিযোগে তিনি জানান, তার স্বামী মো. রফিকুল ইসলামহে রবু একজন মাদকসেবী ও এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। মাদক সেবন ও বিক্রিতে পরিবারের কারো বাধা তিনি শোনেন না বরং প্রতিবাদ করায় স্ত্রী-কন্যাকে মাদক বিক্রির কাজে তাকে সহায়তা করতে বলেন। এলাকার লোকজন তাকে একাধিকবার সাবধান করলেও তিনি তা আমলে নিচ্ছেন না। লোকজনকে বাড়িতে নিয়ে তিনি মাদক সেবন করেন।

স্ত্রী ও সন্তানদের প্রায়ই মারধর করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ জুলাই বিকেলে অজ্ঞাত পরিচয়ের ৩-৪ জন ব্যক্তিকে মাদক সেবনের জন্যে বাড়িতে নিয়ে আসেন রবু। ওই সময় বাধা দিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে কন্যাকে মারপিট করেন। এবং মাদক বিক্রিতে সহায়তা না করলে তাদেরকে মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। ওই ঘটনায় হনুফা বাদি হয়ে ভালুকা মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

হনুফা জানান, তার স্বামী মাদক বিক্রি ও সেবন করেন এবং তাদেরকেও তা বিক্রিতে সহায়তা করতে বলেন। তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে তিনি থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

ভালুকা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নোয়াখালীতে হেফাজতের মহাসমাবেশ ১ আগস্ট

অনলাইন ডেস্ক
নোয়াখালীতে হেফাজতের মহাসমাবেশ ১ আগস্ট
সংগৃহীত ছবি

দেশের চলমান প্রেক্ষাপটে ইসলামবিরোধী বিভিন্ন তৎপরতা, ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত এবং মুসলিম সমাজের উদ্বেগের নানা বিষয় সামনে রেখে আগামী ১ আগস্ট নোয়াখালীর জেলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে এক ঐতিহাসিক ইসলামী মহাসমাবেশ। ইতিমধ্যে এ সমাবেশকে ঘিরে দেশের শীর্ষস্থানীয় পীর-মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম ও জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান। 

আয়োজকরা জানান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, জমইয়্যাতুল মাদারিসিল কওমিয়্যাহ এবং ইসলামবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ইসলামবিরোধী কার্যক্রমের প্রতিবাদ, হেযবুত তাওহীদকে নিষিদ্ধ করার দাবি এবং ধর্মীয় বিভিন্ন ইস্যুতে জনসচেতনতা ও জনমত গড়ে তোলাই এ মহাসমাবেশের মূল উদ্দেশ্য। 

সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত থাকবেন হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা শেখ আহমদ, আল্লামা খলিল আহমদ কুরাইশী, আল্লামা আব্দুল হামিদ মধুপুরী, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী (পীর সাহেব দেওনা), মুফতি আরশাদ রহমানী, আল্লামা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, মুফতি শামসুদ্দিন জিয়া (পটিয়া), আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মুফতি দিলাওয়ার হুসাইন, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা আশেক এলাহী (পীর সাহেব উজানি), মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, মুফতি মাহফুজুল হক এবং সৈয়দ মুফতি মুহা. ফয়জুল করিম (শায়খে চরমোনাই)সহ আরো অনেকে।

এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী, ড. উবায়দুল্লাহ হামজা, ড. কাজী ইব্রাহিম, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুরহানী, মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান সিরাজী, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি সাখওয়াত হুসাইন রাজী, মুফতি হারুন ইজহার, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মীর ইদ্রিস নদভী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা, মুফতি বসীরুল্লাহ, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, মুফতি লুতফুর রহমান ফরায়েজী, মুফতি রেজাউল করিম আবরার, মাওলানা আনিচুর রহমান আশরাফী, মুফতি আমজাদ হুসাইন, মুফতি রিজওয়ান রফিকী, মুফতি মুজাম্মেল হুসাইন কামাল এবং মাওলানা আব্দুল হামিদ কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া এই বিশাল সমাবেশে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম বিশেষভাবে  অংশ গ্রহণ করবেন। সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আলেম-উলামা, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণের লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।  আয়োজকরা সবার প্রতি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সমাবেশে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
 

চুনারুঘাটে অবৈধভাবে বালু বিক্রির অভিযোগ, ৩টি ট্রাক জব্দ | কালের কণ্ঠ