• ই-পেপার

বগুড়ার শিবগঞ্জে ট্রাকে আগুন

সিরাজগঞ্জে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সাবিয়া খাতুন (২২) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (৭ জুন) সকালে উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর বাহিরপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাবিয়া খাতুন ওই গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে। মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সাবিয়া খাতুনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

শনিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা খাবারের জন্য তাকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরে প্রবেশ করে তারা দেখতে পান, গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছে।

পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে রোববার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

আরো পড়ুন

গাজার আশ্রয় শিবিরে শৌচাগার সংকটে ভুগছেন লাখো ফিলিস্তিনি

গাজার আশ্রয় শিবিরে শৌচাগার সংকটে ভুগছেন লাখো ফিলিস্তিনি

 

তাড়াশ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিহত সাবিয়া খাতুনের বিবাহবিচ্ছেদসহ বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক অস্থিরতা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হালুয়াঘাট

প্রভাষক নাসরিন আক্তারের বেতন ফেরত দিতে নির্দেশ

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রভাষক নাসরিন আক্তারের বেতন ফেরত দিতে নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নে অবস্থিত বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নাসরিন আক্তার। তিনি ২০০৪ সালে এসএসসি ও ২০০৯ সালে এইচএসসি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করেন। অনিয়মিত থাকায় তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্সে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। তারপরও তিনি ইডেন মহিলা কলেজ থেকে অনার্স পাশ করেন বলে ভুয়া সনদ দেখান।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, তিনি কোনোদিন ইডেন মহিলা কলেজর বারান্দা পর্যন্তও যাননি। বরং ২০১৩ সালে তিনি চৌধুরী ছবুরুন্নেছা মহিলা কলেজ থেকে সাধারণ ডিগ্রি পাস করেন তিনি। অথচ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স পাস সনদ দেখিয়ে ভুয়া নিয়োগ বোর্ড, এনটিআরসিএর (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) সনদ জালিয়াতিসহ নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে চাকরি নেন নাসরিন আক্তার। এমন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর তার সনদ ভুয়া উল্লেখ করে সরকার থেকে প্রাপ্ত ৪ লক্ষ ২১ হাজার ৯২৮ টাকার বেতন ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

গত বছরের ১৫ ও ১৬ই অক্টোবর শিক্ষা পরিদর্শক সনজয় চন্দ্র মন্ডল, সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মো. নূরুল আফছার ও অডিটর সিরাজুল ইসলাম বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন ও সনদ যাচাই করে নাসরিন আক্তার এর বিরুদ্ধে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর ওই প্রভাষকের বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন।

জানা গেছে, নাসিরন আক্তারের বাড়ি নকলা উপজেলার বারমাইসা গ্রামে। স্বামী নাজমুল হক উপজেলার গনপদ্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের মৌলভী শিক্ষক। মৌলভী শিক্ষক হওয়ার পরও তিনি তার স্ত্রীকে দিয়ে জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে প্রভাষক পদে চাকরির ব্যবস্থা করে দেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ কলেজটির গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলীনূর খান এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। সেখানে নাসরিন আক্তারের নিয়োগের জাল জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এর পরবর্তীতে তাকে দুই দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলে তিনি সন্তুষ্টজনক জবাব দিতে না পারায় তাকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়। এরপর পরিচালক, আঞ্চলিক কার্যালয়, ময়মনসিংহ ও পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) কর্তৃক তদন্তেও নাসরিন আক্তারের সনদ জাল ও বানানো বলে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। যা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে একাধিকবার প্রভাষক নাসরিন আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। 

বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আরিফ রব্বানী বলেন, ‘এনটিআরসিএ কর্তৃক নির্দেশনা মোতাবেক তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এর নির্দেশনা এসেছে এবং সেটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

মৃত মায়ের লাশ দেখতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মেয়ের

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
মৃত মায়ের লাশ দেখতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মেয়ের

ফরিদপুরের মধুখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় রেশমা বেগম (২৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত মায়ের শেষবারের মতো মুখ দেখতে যাওয়ার পথে তিনি এই দুর্ঘটনার শিকার হন।

রোববার (৭ জুন) সকাল আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকায় মালেকা চক্ষু হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি প্রাইভেটকার ফরিদপুর থেকে মাগুরার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পথে গোন্দারদিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সড়কের পাশে অবস্থিত মালেকা চক্ষু হাসপাতালের সীমানা প্রাচীরে (বাউন্ডারি ওয়াল) সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িতে থাকা রেশমা বেগম গুরুতর আহত হন।

খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রেশমা বেগম সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের আব্দুর সাত্তার গাজীর স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার মায়ের মৃত্যু হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবারের মতো মরদেহ দেখতে তিনি রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুন
কনটেন্ট ক্রিয়েটররা হচ্ছেন আয় করমুক্ত

কনটেন্ট ক্রিয়েটররা হচ্ছেন আয় করমুক্ত

 

খবর পেয়ে করিমপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নেন। পরে তিনি হাসপাতাল মর্গে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ বর্তমানে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রামগতি

দুর্গম চরে রব্বানীর খামার-বাগান, বছরে আয় ২০ লাখ

আমানত উল্যাহ, রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)
দুর্গম চরে রব্বানীর খামার-বাগান, বছরে আয় ২০ লাখ
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামে নিজের খামারে উদ্যোক্তা গোলাম রব্বানী। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য অনুসন্ধান আর মানুষের সুখ-দুঃখের খবর তুলে ধরাই ছিল তার নিত্যদিনের কাজ। তবে সাংবাদিকতার পাশাপাশি কৃষির প্রতি ভালাবাসা থেকেই শুরু করেন ফলের বাগান এবং গরু ও মাছের খামার। নাম দিয়েছেন ‘সাইরা অ্যাগ্রো’। 

অদম্য পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আজ তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। এখন প্রতিবছর সাইরা অ্যাগ্রো থেকে আয় হয় ৬০ লাখ টাকা। সেখান থেকে সাত কর্মচারীর বেতনসহ সমস্ত খরচ মিটিয়ে বছরে মোট আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা। 

তরুণ উদ্যোক্তা গোলাম রব্বানীর সফলতার গল্প এটি। লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার দুর্গম চরে জন্ম নেওয়া গোলাম রব্বানী নিজের পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে গড়ে তুলেছেন এ স্বনির্ভর জীবনের পথ। পেশায় মফস্বল সংবাদকর্মী হলেও সেখান থেকে আজ সফল উদ্যোক্তা তিনি।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রামগতির চরগাজী ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামে নিজ বসতবাড়ির পাশে খালি জায়গা থেকেই শুরু হয় রব্বানীর নতুন পথচলা। বাড়ির পাশে অব্যবহৃত ছয় একর ৪০ শতক জমিতে তিনি গড়ে তোলেন ফলের বাগান আর পাশেই গরু ও মাছের খামার। এতে রব্বানীর  শুধু নিজের জীবনই বদলায়নি, কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন তিনি।

রব্বানীর বাবা খবিরুল হকসহ পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ছোটবেলা থেকে কৃষির প্রতি আগ্রহ ছিল রব্বানীর। সেই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অব্যবহৃত জমিতে ১৫ জাতের ফলের বাগান করেন তিনি। পাশাপাশি একটি ডেইরি ফার্ম ও মাছের ঘের। শুরুতে নানা প্রতিবন্ধকতা ও আর্থিক সংকট থাকলেও হাল ছাড়েননি রব্বানী। সাতটি গরু দিয়ে শুরু করা ডেইরি ফার্মে এখন গরুর সংখ্যা ৩০টি। তার খামার থেকে প্রতিদিন গড়ে আড়াই হাজার টাকার দুধ বিক্রি হয়। এর থেকে বছরে আয় আসে প্রায় আট লাখ টাকা।

সূত্র জানায়, রব্বানীর ফল বাগানে ৯ প্রজাতির আম ছাড়াও চেরি ফল, জামরুল, পেওলা ফল, ননী ফল, পেঁপে, চুঁইঝাল, লিচু , মাল্টা, সফেদা, অ্যাভোকাডো, কাউফল, পেয়ারা ও পাঁচ প্রজাতির কলা রয়েছে। এসব ফল বিক্রি করে বছরে আয় করেন আরো ২০ লাখা টাকা। বর্তমানে তার বাগানে উৎপাদিত ফল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলেও সরবরাহ করা হচ্ছে। 

স্থানীয়দের ভাষ্য, সাংবাদিকতার মতো ব্যস্ত পেশার পাশাপাশি কৃষিতে সফলতা অর্জন করে রব্বানী অনেকের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন  করছেন। তার দেখানো পথে এলাকার অনেক তরুণ ফলের বাগান ও গরুর খামার করতে আগ্রহী হচ্ছেন।

উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম রব্বানী বলেন, সাংবাদিকতার জীবনে আর্থিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বরাবরই ছিল এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। এ কারণে একসময় নিজের জীবনে ভিন্ন কিছু করার ভাবনা আসে। তাছাড়া সংবাদপত্রে কাজ করতে গিয়ে কৃষি ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে অনেক প্রতিবেদন করেছি। তখনই নিজে কিছু করার বিষয়টি মাথায় আসে। প্রথমে ছোট আকারে খামার ও বাগান গড়ে তুলি। ইছাশক্তি, পরিশ্রম আর পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়েছি। এ কারণে আজ সফল হতে পেরেছি।

রব্বানী বলেন, ‘কৃষির প্রতি আমার ভালাবাসা অনেক আগের। অবসর সময় আমি বাগানের পরিচর্যা করি। ভালো বেতনে সাতজন লোক নিয়োগ দিয়েছি। নিজের ব্যস্ততার মধ্যেও কর্মচারীদের সঙ্গে সময় দিচ্ছি। আমার বাবাও আমাকে সহযোগিতা করছেন। সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রম করলে কৃষিতেও ভালো আয় করা সম্ভব।’

রামগতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, কৃষিতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা খুবই কঠিন। আর্থিক সংকট, সচেতনতা ও সময় দিতে অনেকেই আগ্রহী হয় না। সেক্ষেত্রে গোলাম রব্বানীর এ ধরনের উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক ফল চাষের মাধ্যমে তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন। আমরা আমাদের দপ্তর থেকে তাকে সঠিক পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা দেব।

বগুড়ার শিবগঞ্জে ট্রাকে আগুন | কালের কণ্ঠ