• ই-পেপার

\'পর্দার অজুহাতে\' ভোট দিলেন না ১২ হাজার নারী

মাদক ও কিশোর গ্যাং সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে : পরিবেশমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী
মাদক ও কিশোর গ্যাং সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে : পরিবেশমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

মাদক ও কিশোর গ্যাং সারা দেশে সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শুরু করেছেন। খেলাধুলার মাধ্যমে ছেলে-মেয়েদের শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি মাদক ও কিশোর গ্যাং থেকেও তাদের দূরে রাখা যাবে।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ফেনী শহরের একটি কনভেনশন হলে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের জন্য অনুকূল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এগুলো ভালো না হলে কোনো কিছুই ভালো হবে না। দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই।


তিনি বলেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সম্পদ বৃদ্ধি হয় একমাত্র ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে হয়। সম্পদের ভাগ-বাটোয়ারা বা বিলি বণ্টন করা যায়, কিন্তু দারিদ্র্যের এমন বণ্টন করা সম্ভব নয়। একটি দেশ ও সমাজের জন্য সম্পদ সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রসার ঘটাতে হবে। 

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সমন্বয় না হলে কোনো সমাজ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব না। যখন ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে তখন সামাজিক বৈষম্যও কমে যাবে। বাড়িতে বসে থাকলে কর্মসংস্থান হবে না। সেজন্য ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে ব্যবসায়ীদের ব্যবসার কাজটি করতে দিতে হবে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক প্রমুখ। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

ছাতকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ছাতকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সংগৃহীত ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রেবুল কুমার দাস বাদী হয়ে জুলাই ছাতক থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। পরে পুলিশ বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী মামলাটি রুজু করা হয়। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাতক থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) তদন্ত ঝলক মোহন্ত।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম ছাতক থানা পুলিশ ও নৌ-পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রহমতপুর উত্তরপাড়া সংলগ্ন ইজারা বহির্ভূত নদীপথে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে অবৈধ বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি এক্সকাভেটর ও একটি হুইল লোডার জব্দ করা হয়।

মামলার এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, জব্দকৃত যন্ত্রপাতির কোনো বৈধ মালিক বা দাবিদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। পরে জব্দকৃত আলামত ব্যবহারকারীদের পরিচয় শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ইজারা বহির্ভূত নদীপথ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে এলাকার ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে আসছিলেন এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন রহমতপুর গ্রামের ছালিম উদ্দিনের ছেলে আমির আলী (৩৮), জমির আলী (৩৫),  একই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আবুল বশর (৬০), আলমপুর গ্রামের আলতাবুর রহমানের ছেলে আতাউর (৪০), সোনাফর আলীর ছেলে চমক আলী (৬০),  নজির আলী (৫৫), সোনাপুর গ্রামের সুনু মিয়ার ছেলে ধন মিয়া (৬২) জিয়াদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৫২) ও গাংপাড় নোয়াকুট গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে কামরুল (৩৮)।

এ ছাড়া বৈশাকান্দি (বাহাদুরপুর) গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে রফিক (৫৫) জয়নাল (৪৬), একই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে এবাদুল্লাহ (৫৪), জাইদুল (৪২), শারফিন পাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আতাউর (৪৮) ও চাটিবহর গ্রামের তৈমুজ আলীর ছেলে সুজন (৪৬), থানা-কোম্পানীগঞ্জ।

বাদী রেবুল কুমার দাস বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জব্দকৃত আলামত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশ ও নদী রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ছাতক থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) তদন্ত ঝলক মোহন্ত বলেন, ‘মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করবে নৌ পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

৪৫০০ পিস ইয়াবাসহ বদির ফুপাতো বোনের জামাই আটক

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
৪৫০০ পিস ইয়াবাসহ বদির ফুপাতো বোনের জামাই আটক

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী মেরিন ড্রাইভ এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ মো. হাফেজ উল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

আটক হাফেজ উল্লাহ টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডেইলপাড়া এলাকার মৃত তমিম গোলালের ছেলে। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ফুপাতো বোনের জামাই। 

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চট্টগ্রাম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ জুলাই সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড স্টেশন ইনানীর একটি বিশেষ দল ইনানী মেরিন ড্রাইভ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে সন্দেহভাজন যাত্রী হাফেজ উল্লাহর কাছে থাকা ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।

কোস্টগার্ড জানায়, উদ্ধার করা ইয়াবা এবং আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হাফেজ উল্লাহর বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে হাফেজ উল্লাহকে আটক করা হয়েছিল। পরে বাসের মালামাল রাখার সাইডবক্সে থাকা তার একটি ট্রলি ব্যাগ তল্লাশি করে ৫ হাজার ১৮৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৬ লাখ টাকা।

‘সরকার যায়, সরকার আসে; মৃত্যুকূপ যায় না’

ছাইদুর রহমান নাঈম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
‘সরকার যায়, সরকার আসে; মৃত্যুকূপ যায় না’
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর মুমুরদিয়া ইউনিয়নের শিবনাথ সাহার বাজারসংলগ্ন নদীর ওপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু। শনিবার সকালে তোলা। -কালের কণ্ঠ

‘কত সরকার এলো-গেল, কিন্তু আমাদের জন্য মৃত্যুকূপ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি অপসারণ করে নতুন সেতু হলো না। ২৫ বছর চলে গেছে শুধু আশ্বাসে। মানুষের মৃত্যু হলেই কি সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?’

প্রশ্নটি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের নামা বোয়ালিয়া গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বাসিন্দা আবু তাহের মিয়ার। ইউনিয়নের শিবনাথ সাহার বাজারসংলগ্ন নদীর ওপর জীর্ণ সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় কথাগুলো বলেন তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, শিবনাথ সাহার বাজারসংলগ্ন জরাজীর্ণ সেতুটি অপসারণ করে নতুন সেতু নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ষাটের দশকে শিবনাথ সাহার বাজারসংলগ্ন কুড়িখাঁই নদীতে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০০১ সালে সেতুটির রেলিং ও পাটাতন ভেঙে যায়। সেতুর মাঝখানে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্ত। এরপর থেকে প্রায় ২৫ বছর ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়রা গর্তে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে কোনো রকমে চলাচল করছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) সরেজমিন দেখা যায়, সেতুর দুই পাশে  জনবহুল এলাকা। কিছুক্ষণ পরপরই যানবাহন চলাচল করছে। সেতুর মাঝখানের বড় দুটি গর্ত দিয়ে নিচের পানি দেখা যায়। ঝুঁকি এড়াতে চালকরা যাত্রী নামিয়ে কোনো রকমে সেতু পার হচ্ছেন। আশপাশে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অন্তত ২০ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান সড়ক এটি।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেতুটি দিয়ে বোয়ালিয়া, নামা বোয়ালিয়া, তেলিচারা, পাড়া মণ্ডলভোগ, কাহেতেরটেকী, ভাংনাদী, চারিয়া, দড়িচারিয়া, মাগুরা, কুড়িখাঁই, চাতল ও মুমুরদিয়াসহ অন্তত ২০ গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। সেতুটি বেহাল থাকায় কৃষিপণ্য পরিবহন ও রোগী আনা-নেওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিকল্প পথে ঘুরে যেতে সময় ও খরচ—দুটিই বেশি লাগছে।

দড়িচারিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘হাসপাতালে জরুরি রোগী নিয়ে গেলে অনেক পথ ঘুরে যেতে হয়। আমাদের কাছে আশ্বাস এখন ছলনার নাম। কারণ গত ২৫ বছর ধরে শুধু প্রতিশ্রুতিই শুনে আসছি।’

নামা বোয়ালিয়া গ্রামের জসিম বলেন, ‘দিন-রাত সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগে। মনে হয়, এই বুঝি ধসে পড়ল। চালকরা আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করেন। উপায়হীন মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় স্থানে সেতু পড়ে আছে, অথচ আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার দিকে কারো নজর নেই।’

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন সেতুটি দ্রুত নির্মাণের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই মধ্যে সেতুটির জন্য বরাদ্দ চেয়ে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আবেদন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কটিয়াদী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মো. এহেতেশামুল হক বলেন, ‘সেতুটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি পরিদর্শন করে কারিগরি প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ভিত্তিতে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে।’

\'পর্দার অজুহাতে\' ভোট দিলেন না ১২ হাজার নারী | কালের কণ্ঠ