• ই-পেপার

মাদক ও কিশোর গ্যাং সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে : পরিবেশমন্ত্রী

গোমস্তাপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
গোমস্তাপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি
ছবি : কালের কণ্ঠ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চাঁড়ালডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সাতজনকে বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির কড়া বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত রাতের আঁধারে ওই সাতজনকে ভারতের ভেতরে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বিজিবির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজিবি জানায়, সীমান্তে ভারতের ১৫০ গজের ভেতর ওই সাতজনকে আর দেখা যাচ্ছে না।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চাঁড়ালডাঙ্গা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকাভুক্ত মেইন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ২১৯/২৪ আর-এর কাছ দিয়ে বিএসএফ ১২ ব্যাটালিয়নের টিলাশন ক্যাম্পের টহল দল সাতজন পুরুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে চাঁড়ালডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিএসএফের এই অপচেষ্টায় বাধা দেয়। ওই সময় সাত ব্যক্তি জিরো লাইনের ভারতীয় অংশের ৫০ গজের মধ্যে অবস্থান করছিলেন। বিজিবির শক্ত অবস্থানের কারণে তাঁরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি।

নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম শনিবার দুপুরে জানান, ওই সাতজনকে নিকটবর্তী সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়াবিহীন এলাকা দিয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর জন্য বিজিবি তাৎক্ষণিক প্রক্রিয়া শুরু করে। শনিবার দুপুরে সীমান্ত এলাকায় পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, দেড়শ গজের ভেতরে তাদের আর অবস্থান বা কোনো ধরনের চলাফেরা নেই। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে বিএসএফ তাদের সরিয়ে নিয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক আরো বলেন, ‘সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিজিবির নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ বা পুশ ইনের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ৪ জুন থেকে আজ পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ছয় দফায় মোট ৮৩ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএফ। এর মধ্যে কেবল গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়েই চার দফায় ৫১ জন এবং শিবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে দুই দফায় ৩২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়। এর আগে গত ৪ জুলাই শিবগঞ্জের চকপাড়া সীমান্তে স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ১২ জনের পুশ ইন চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছিল বিজিবি।

তিস্তায় বিলীন ৭ ঘরবাড়ি, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছে পাউবো

রংপুর অফিস
তিস্তায় বিলীন ৭ ঘরবাড়ি, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছে পাউবো
ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর স্রোতে কয়েকটি এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত ৭টি বসতবাড়ি। ভাঙনের মুখে থাকা আরো অনেক পরিবার ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। 

এদিকে ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তবে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শনিবার সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রোয়েন বাঁধসংলগ্ন এলাকা, মর্ণেয়া, সালাপাক, নোয়ালীর ব্যাংকপাড়া ও মিনারবাজারে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। কোথাও কয়েক মিনিটের ব্যবধানে কয়েক হাত করে জমি নদীতে বিলীন হচ্ছে। নদীর পাড়ে ফাটল দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকজন টিন, কাঠ, বাঁশ ও আসবাবপত্র খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। অনেকেই আত্মীয়স্বজনের বাড়ি কিংবা বাঁধের ওপর অস্থায়ী আশ্রয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এ ছাড়া নোহালী ইউনিয়নের কাচারী ব্যাংক পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার ১১ জনের বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হযেছে। স্থানীয়রা বলছেন, গত তিন দিনে এমন তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। 

শনিবার দুপুরে গংগাচড়া কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে গিয়ে দেখা গেছে, বসত বাড়ির কাছেই অন্তত ৫০ মিটার এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে শনিবার বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ২৩০ বস্তা জিও ব্যাগ ফেলেছে পাউবো। 

মিনা বাজার এলাকার মোতালেব বলেন, ‘সারা জীবনের সঞ্চয়ে ঘর তুলেছিলাম। ২০০৮ সালে ১০ লাখ টাকা দিয়ে ১৪ রুমের বাড়ি বানাইছি চোখের সামনেই নদী সব গিলে ফেলল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, সেটাই জানি না। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

মিনারবাজারের আরেক ভুক্তভোগী সুরুজ মিয়া বলেন, ‘দুই দিন ধরেই নদী পাড় খাচ্ছিল। ভেবেছিলাম হয়তো ঘরটা বাঁচবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে পুরো ভিটাটাই নদীতে চলে গেছে। কিছু জিনিসপত্র বাঁচাতে পেরেছি, বাকিটা নদী নিয়ে গেছে।’

কোলকোন্দ এলাকার বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা মৌসুমি বলেন, ‘শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে আমার চোখের সামনেই এত বড় পাড় ভাঙছে। পাশে পাশ ও বাশ বাগান থানায মসজিদ কবরস্থানে রক্ষা হয়েছে। আমরা এগুলো আর দেখতে চাই না। দ্রুত ভাঙন ঠেকানো হোক।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, চলতি বর্ষায় নদীর তলদেশে চর জেগে ওঠায় তিস্তার মূল প্রবাহ দুই পাশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে স্রোতের চাপ সরাসরি নদীর তীরে আঘাত হানছে। সেই তীব্র স্রোতেই একের পর এক এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন স্থান ঝুঁকির মুখে পড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরো বহু পরিবার বসতভিটা হারাবে বলে আশঙ্কা তাদের।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রতিবছর বর্ষা এলেই কেন একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি হবে। তাদের অভিযোগ, সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে কিছু সময়ের জন্য ভাঙন কমানো গেলেও স্থায়ী নদীশাসনের অভাবে প্রতি বছরই মানুষ ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারাচ্ছেন। তাই তিস্তার ভাঙনকবলিত এলাকায় দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় ভাঙ্গনশুরু হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলানো হচ্ছে। ব্যাগ ফেলা হলে আশা করছি ভাঙন রোধ হবে। নদীর ডান তীরে আমরা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছি।’

রংপুর-১ আসনের (গংগাচড়া) সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী বলেন, ‘খবর পেয়ে শুক্রবার বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করেছি। দ্রুত সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া আছে। শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের আগে থেকেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

আনোয়ারায় একমাত্র ছেলের হাতে মা-বাবা খুন

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
আনোয়ারায় একমাত্র ছেলের হাতে মা-বাবা খুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একমাত্র ছেলের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে মা-বাবার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর নিজের ঘর থেকে ঘাতক ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ওই এলাকার স্থানীয় মৃত রেবতি দাশ গুপ্তার ছেলে স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) এবং তার স্ত্রী কল্পনা দাশ (৫৫)। ঘাতক হলেন তাদের একমাত্র ছেলে রিমন দাশ গুপ্ত (৪২)।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত কল্পনা দাশের ছোটো জা তিথি দাশ বলেন, ‘ছেলেটি দীর্ঘদিন মাদক আসক্ত ছিল। কয়েকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রেও ছিল। আজ সকালে তারা মা-বাবা-ছেলে বাইরে গিয়ে পৌন ১২টার দিকে বাড়ি পৌঁছে। এর কিছুক্ষণ পরই ছেলেটি ছুরিজাতীয় জিনিস দিয়ে তার মাকে আঘাত করতেছিল। মাকে বাঁচাতে তার বাবা এগিয়ে গেলে ছেলে তার বাবাকেও আঘাত করে। এ সময় আমরা দৌড়ে আশপাশের মানুষ ডাকতে যাই। এসে দেখি তার মা ঘটনাস্থলে মারা গেছে। আর বাবাকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বাবার মৃত্যুর বিষয়ে আনোয়ারা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপন দাশ গুপ্তকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে প্রেরণের সময় তার মৃত্যু হয়। আমরা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।

এ বিষয়ে আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ছেলেকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতালেও আরেকটি মরদেহের খবর পাওয়া গেছে। মরদেহগুলোকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে এবং এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

হাজীগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি
হাজীগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা
সংগৃহীত ছবি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পড়ালেখাতে মনযোগী করা, মোবাইলের অপব্যবহার বন্ধে উপজেলার সব মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদরাসা ও কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে এ সিদ্বান্ত নেওয়া হয়।

গত ২৩ মে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় এমন সিদ্ধান্তের পরে গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ জুলাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সাংসদ মো. মমিনুল হক এমপি ফের তার বক্তব্যে ঘোষণা করেন ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন নিতে পারবে না আর শিক্ষকরা ক্লাসে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলাতে ৩৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৩টি মাদরাসা ও ৮ কলেজ রয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আসক্তি দূর করা, লেখাপড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধি করা, সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত পত্রে জানা গেছে, কোনো শিক্ষার্থীর কাছে ক্যাম্পাসে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবককে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৪ জুলাই ২০২৬ মো. মমিনুল হক এমপির উপস্থিতিতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলার সব মাধ্যমিক ও তদূর্ধ্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তৎপ্রেক্ষিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।