• ই-পেপার

ঈমামের বিরুদ্ধে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর মাঝিরঘাট এলাকা থেকে ৪০-৪৫ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। 

সোমবার (০৮ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কর্ণফুলী নদীর জুট রেলিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নৌ-পুলিশের সদরঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, কর্ণফুলী নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

তিনি আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি তিন থেকে চার দিন আগে মারা গেছেন। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানের চামড়া উঠে গেছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়েও তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়া কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কমলগঞ্জ

ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন, ঝুঁকিতে ১৫ স্থান

ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে স্থানীয়রা দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

মো. মোস্তাফিজুর রহমান,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)
ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন, ঝুঁকিতে ১৫ স্থান
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লঙ্গুরপার এলাকায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি স্থান। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদীপারের বাসিন্দারা। 

স্থানীয়রা জানান, নদীটি এর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের কাছে এখন আতঙ্কের নাম। প্রতিবছর বর্ষা এলেই আগ্রাসী হয়ে ওঠে এ নদী।  চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে কয়েক দফা ভারি বৃষ্টি ও  পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বাড়ে। এতে নদীটির প্রতিরক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে মাটি ধসে পড়ে। তারা জানান, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় অন্তত ১৫টি স্থান ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের বিপর্যয়ের  আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলে ইসলামপুরের মখাবিল, হখতিয়ারখোলা, মাধবপুরের হিরামতি, কাটাবিল, আদমপুরের ঘোরামারা, শুকুর উল্লাগাঁও, কমলগঞ্জ সদরের  লংগুরপার, চৈতন্যগঞ্জ, পৌরসভার কুমড়াকাপন, করিমপুর, রহিমপুরের চৈত্রগাট, উবাহাটা, খুশালপুরসহ উপজেলার প্রায় ১৫টি স্থানে মাটি ধসে পড়ায় বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এককটি স্খানে ৫০ থেকে ১০০ ফুটজুড়ে ভাঙন সৃষ্টি হয়।  

শনিবার (৬ মে)  সরেজমিনে কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের লঙ্গুরপার, হীরামতি, চৈতন্যগঞ্জ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের এসব এলাকায় মাত্র এক ফুট অংশ বাকি রয়েছে ভাঙার। এতে আতঙ্কে রয়েছে শতাধিক পরিবার। 

বাঁধের দূরবস্থা নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলেন, জরুরিভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে জিও ব্যাগ বা ব্লক ফেলে ভাঙন ঠেকানো প্রয়োজন। বর্ষা পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই ব্যবস্থা না নিলে বিপদে পড়তে হবে তাদের। তবে বার বার বাঁধ মেরামত না করে নতুন করে পরিকল্পিত ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করার দাবি তাদের। 

লঙ্গুরপার গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা সৌলেন্দ্র কুমার ভৌমিক বলেন, আমরা খুবই আতঙ্কে আছি। রাস্তাও বন্ধ। বাঁধের পাড় মাত্র এক ফুট ভাঙতে বাকি। তিনি বলেন, এখানকার প্রতিরক্ষা বাঁধ এখন অত্যন্ত দুর্বল। দ্রুত সংস্কার করা না হলে ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে।

একই কথা বলেন ঘোরামারা এলাকার বাসিন্দা তাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘নদী আমাদের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও এখন তা অভিশাপে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর আমরা শুধু আশ্বাস পাই, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান হয় না। বর্তমানে বাঁধের যে অবস্থা, তাতে সামান্য বৃষ্টি হলেই আমরা আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাই। জরুরিভিত্তিতে সিসি ব্লক বা টেকসই মেরামতের ব্যবস্থা না করলে এবার ঘরবাড়ি রক্ষা করা কঠিন হবে।’

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী গৌতম রঞ্জন দাস (কমলগঞ্জে দায়িত্বরত) বলেন, আমরা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ মেরামত করার চেষ্টা করছি। যেসব স্থানে ভাঙন দেখা দেখা দিয়েছে,  তা জরুরিভাবে মেরামত করা হবে। তিনি বলেন, লঙ্গুরপার ও কুমড়াকাপন বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) আছাদুজ্জামান বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা দ্রুত ধসে পড়া ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

কসবায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
কসবায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামে কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (৮ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নেয়ামতপুর গ্রামের জমির হোসেনের ছেলে নুরু মিয়া (৬৫) এবং মর্জু মিয়ার ছেলে সানাউল্লাহ (১৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের মতি সরকারের স্ত্রীর দাফনের জন্য কবর খোঁড়ার কাজে কয়েক যুবকসহ স্থানীয় লোকজন অংশ নেন। একপর্যায়ে কবরস্থানে কবর ঢাকার জন্য ব্যবহৃত স্টেইনলেস স্টিলের (এসএস) একটি শিল্ড সরানোর সময় সেটি কবরস্থানের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে আসে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।

কসবা থানার ওসি (তদন্ত) নুরুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নেয়ামতপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি টিপু, সম্পাদক মেহেদী

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি টিপু, সম্পাদক মেহেদী
আব্দুল মান্নান টিপু ও শেখ মেহেদী হাসান। ছবি : সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টায় প্রেস ক্লাব সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। 

ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্রে উল্লিখিত ১৭ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রের বিধিমোতাবেক সাবজেক্ট কমিটির পরামর্শে সভাপতি সাপ্তাহিক সমকোণ পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল মান্নান টিপু ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কালের কণ্ঠের ঈশ্বরদী প্রতিনিধি শেখ মেহেদী হাসানকে নির্বাচিত করা হয়েছে। 

এ ছাড়া জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে খবরের কাগজের ঈশ্বরদী প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সমকাল প্রতিনিধি সেলিম সরদার, জ্যেষ্ঠ সাধারণ সম্পাদক দৈনিক বীর বাংলা সম্পাদক ওহিদুজ্জামান টিপু, কোষাধ্যক্ষ দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি শহীদুল্লাহ্ খান, কার্যনির্বাহী সদস্য দৈনিক করতোয়া প্রতিনিধি এস এম ফজলুর রহমান, ইত্তেফাক প্রতিনিধি স্বপন কুমার কুন্ডু, সাপ্তাহিক জংশন সম্পাদক এস এম রাজা, সাপ্তাহিক ঈশ্বরদী বার্তা সম্পাদক আজিজুর রহমান খান নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শিগগিরই ১৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান টিপু। 

ঈমামের বিরুদ্ধে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ | কালের কণ্ঠ