• ই-পেপার

সীতাকুণ্ডে ২৫০ দোকানের দু’মাসের ভাড়া মওকুফ!

ঠাকুরগাঁওয়ে লক্ষাধিক টাকার রিং ও কারেন্ট জাল জব্দ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে লক্ষাধিক টাকার রিং ও কারেন্ট জাল জব্দ
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালান্দর বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় এক লাখ টাকার নিষিদ্ধ রিং জাল ও কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে প্রায় ২৫টি রিং জাল এবং ২০টি কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ জালগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। এসময় জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে অভিযানে সহযোগিতা করেন। 

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সিরাজাম মনিরা সুমি বলেন, ‘রিং জাল ও কারেন্ট জাল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব জালের মাধ্যমে ছোট মাছ ও মাছের পোনা নির্বিচারে ধরা পড়ায় মৎস্যসম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত হয়। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশের জলজ সম্পদ সংরক্ষণ এবং মাছের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অবৈধ জালের ব্যবহার অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাঁচতে চায় শিশু জুঁই, সাহায্যের আবেদন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
বাঁচতে চায় শিশু জুঁই, সাহায্যের আবেদন
অসুস্থ শিশু জুঁই। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘আমার সোনার ধনরে কিবায় বাচাইয়াম? আপনেরা সকলেই একটু হাত বাড়িয়ে দিন’, চোখের পানি মুছতে মুছতে এভাবেই নিজের ১৯ মাস বয়সী অবুঝ সন্তান জুঁইকে বাঁচানোর আকুতি জানাচ্ছিলেন এক অসহায় মা আছমা বেগম।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের মধ্যমপাড়া গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে নেমে এসেছে চরম অন্ধকার। মাত্র ১৯ মাস বয়সী নিষ্পাপ এক শিশুর হার্টে (হৃদযন্ত্রে) ধরা পড়েছে ছিদ্র। দিন দিন শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে, আর অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে চোখের সামনে সন্তানকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখছেন তার অসহায় বাবা-মা।

দিনমজুরের ঘরে অসুস্থতার কালো ছায়াশিশুটির মা অন্যের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন এবং বাবা আব্দুল লতিফ একজন সাধারণ দিনমজুর। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর এই সংসারে নূন্যতম পুষ্টিকর খাবার জোটানোই যেখানে কষ্টকর, সেখানে হার্টের অপারেশনের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো এই পরিবারের পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব। চিকিৎসকরা দ্রুত অপারেশনের কথা বললেও, টাকার অভাবে থমকে গেছে শিশুটির চিকিৎসা। তবে কি টাকার অভাবে একটি ফুটফুটে শিশুর জীবনের প্রদীপ এভাবেই নিভে যাবে?

সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক সংগঠনগুলোর সামান্য একটু সহানুভূতি ও আর্থিক সাহায্যই পারে এই অবুঝ শিশুটিকে একটি নতুন জীবন দিতে। ফিরিয়ে দিতে পারে এক মায়ের কোলের হাসি।

সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নম্বর- ০১৯৫৬০৬৪৮২৮ আব্দুল লতিফ (শিশুর বাবা)

‘বন্যপ্রাণীর বন্ধু’ সিতেশ রঞ্জন আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
‘বন্যপ্রাণীর বন্ধু’ সিতেশ রঞ্জন আর নেই

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব আর নেই। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের রামকৃষ্ণ মিশন রোডের বাসা থেকে সিতেশ রঞ্জনের মরদেহ শেষকৃত্যের জন্য উপজেলার নোয়াগাঁওয়ে তার গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। সেখানেই শেষকৃত্য হবে।

১৯৬২ সাল থেকে শখের বশে বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ শুরু করেন সিতেশ রঞ্জন দেবের বাবা শ্রীশ দেব। বিভিন্ন প্রাণী ধরে এনে বাড়িতে সেবা করতেন তিনি। প্রাণী ধরার কৌশল এবং তাদের প্রতি বাবার এমন মমত্ববোধ দেখে সিতেশ দেবও তা শেখেন। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় নিজ বাড়িতে গড়ে তোলেন পশুপাখি সেবাশ্রম।

১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গড়ে তোলা হয় সিতেশ রঞ্জন দেবের পশুপাখি সেবাশ্রম। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় গড়ে ওঠে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। আর ১৯৯১ সালে ভালুকের আক্রমণে এক চোখ, মুখ ও নাকে মারাত্মক আঘাত পান সিতেশ রঞ্জন দেব।

সিতেশ রঞ্জন দেশে প্রথম ব্যক্তি উদ্যোগে বন্যপ্রাণী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলেন। যেখানে তিনি আহত প্রাণীদের সেবা দিতেন। পর্যটকদের কাছে যা সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা নামে পরিচিত। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি দেশজুড়ে পরিচিতি পান।

পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বাসস
পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতবিক্ষত কক্সবাজারের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলবে না। পাহাড়খেকোরা যতই প্রভাবশালী হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে, তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতবিক্ষত কক্সবাজারের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিনে দেখতে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকা মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী।

নির্বাচিত সরকারের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের অবকাঠামো সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু ও বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।

তিনি আরো জানান, বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই শুরু হবে পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম। এ সময় কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, পুলিশসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সীতাকুণ্ডে ২৫০ দোকানের দু’মাসের ভাড়া মওকুফ! | কালের কণ্ঠ