‘আমার সোনার ধনরে কিবায় বাচাইয়াম? আপনেরা সকলেই একটু হাত বাড়িয়ে দিন’, চোখের পানি মুছতে মুছতে এভাবেই নিজের ১৯ মাস বয়সী অবুঝ সন্তান জুঁইকে বাঁচানোর আকুতি জানাচ্ছিলেন এক অসহায় মা আছমা বেগম।
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের মধ্যমপাড়া গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে নেমে এসেছে চরম অন্ধকার। মাত্র ১৯ মাস বয়সী নিষ্পাপ এক শিশুর হার্টে (হৃদযন্ত্রে) ধরা পড়েছে ছিদ্র। দিন দিন শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে, আর অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে চোখের সামনে সন্তানকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখছেন তার অসহায় বাবা-মা।
দিনমজুরের ঘরে অসুস্থতার কালো ছায়াশিশুটির মা অন্যের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন এবং বাবা আব্দুল লতিফ একজন সাধারণ দিনমজুর। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর এই সংসারে নূন্যতম পুষ্টিকর খাবার জোটানোই যেখানে কষ্টকর, সেখানে হার্টের অপারেশনের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো এই পরিবারের পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব। চিকিৎসকরা দ্রুত অপারেশনের কথা বললেও, টাকার অভাবে থমকে গেছে শিশুটির চিকিৎসা। তবে কি টাকার অভাবে একটি ফুটফুটে শিশুর জীবনের প্রদীপ এভাবেই নিভে যাবে?
সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক সংগঠনগুলোর সামান্য একটু সহানুভূতি ও আর্থিক সাহায্যই পারে এই অবুঝ শিশুটিকে একটি নতুন জীবন দিতে। ফিরিয়ে দিতে পারে এক মায়ের কোলের হাসি।
সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নম্বর- ০১৯৫৬০৬৪৮২৮ আব্দুল লতিফ (শিশুর বাবা)







