• ই-পেপার

লাক্সারিয়াস ফুড বাত্বীলের বাংলাদেশে ফ্রাঞ্চাইজ আনল বেক্সিমকো

ইউরোপের ৬ দেশে বাজারজাতের অনুমোদন পেল রেনাটার লেভোথাইরক্সিন ট্যাবলেট

ইউরোপের ৬ দেশে বাজারজাতের অনুমোদন পেল রেনাটার লেভোথাইরক্সিন ট্যাবলেট

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রেনাটার লেভোথাইরক্সিন সোডিয়াম ট্যাবলেট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ছয়টি দেশে বাজারজাতের অনুমোদন পেয়েছে। এক বিজ্ঞপ্তিতে কম্পানিটি এ তথ্য জানিয়েছে। কম্পানিটি জানায়, এই অনুমোদনের ফলে ওষুধটি ডিসেন্ট্রালাইজড প্রসিডিউরের মাধ্যমে ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও মাল্টায় বাজারজাত করা যাবে।

রেনাটা বলছে, এই অনুমোদন ইইউভুক্ত ছয়টি দেশে রেনাটার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ, এই অর্জন ইউরোপীয় কঠোর নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড পূরণে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতার স্বীকৃতি এবং বিশ্বব্যাপী রোগীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন লেভোথাইরক্সিন একটি বহুল ব্যবহৃত কৃত্রিম থাইরয়েড হরমোন, যা প্রধানত হাইপোথাইরয়েডিজম এবং থাইরয়েড-সংক্রান্ত অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ওষুধ হওয়ায় রোগীর বিপাকীয় কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে ডোজ বা ওষুধের গুণগত মানে সামান্য পরিবর্তনও চিকিৎসার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

রেনাটা ওষুধটি উৎপাদনে ইউরোপের উন্নত মান নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং গবেষণা ও উন্নয়নভিত্তিক ফর্মুলেশনের মাধ্যমে প্রতিটি ট্যাবলেটে নির্ভুল মাত্রা নিশ্চিত করা হয়, যা রোগীর নিরাপত্তা ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

বাংলাদেশে রেনাটা তাদের থাইরক্স ব্র্যান্ড নামে লেভোথাইরক্সিন বাজারজাত করে আসছে এবং থাইরয়েড চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড। বাংলাদেশের মতো ইউরোপীয় ওষুধ সরবরাহে রেনাটার ধারাবাহিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

শাহ্ সিমেন্টের স্পন্সরশিপে আতিফ আসলামের মেইন স্টেজ শো

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শাহ্ সিমেন্টের স্পন্সরশিপে আতিফ আসলামের মেইন স্টেজ শো
সংগৃহীত ছবি

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড শাহ্ সিমেন্ট আসন্ন ‘শাহ্ সিমেন্ট প্রেজেন্টস মেইন স্টেজ শো ফিচারিং আতিফ আসলাম’-এর টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে তারুণ্যের বিনোদন, উদ্যাপন এবং আন্তর্জাতিক মানের লাইভ সংগীত আয়োজনের প্রতি নিজেদের সমর্থন আরও একবার তুলে ধরছে প্রতিষ্ঠানটি। মেইন স্টেজ আয়োজিত এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে ২৪ জুলাই। অনুষ্ঠানস্থলের গেট দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে দুপুর ১ টায় এবং মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল ৫ টা থেকে।

বিশ্বখ্যাত শিল্পী আতিফ আসলাম তাঁর জনপ্রিয় গান নিয়ে মঞ্চ মাতাবেন, যেখানে উপস্থিত থাকবেন হাজারো সংগীতপ্রেমী।

শাহ্ সিমেন্ট বিশ্বাস করে, সংগীত ও বিনোদন মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে এবং একসঙ্গে উদ্যাপনের উপলক্ষ সৃষ্টি করে। সেই ভাবনা থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এমন আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, যা তরুণ প্রজন্মের জন্য আন্তর্জাতিক মানের বিনোদনের অভিজ্ঞতা এনে দেয়।

‘শাহ্ সিমেন্ট প্রেজেন্টস মেইন স্টেজ শো ফিচারিং আতিফ আসলাম’ দেশের সংগীতপ্রেমীদের জন্য একটি স্মরণীয় লাইভ কনসার্টের অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সমতা, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিতে সেরার স্বীকৃতি পেল ব্র্যাক ব্যাংক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সমতা, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিতে সেরার স্বীকৃতি পেল ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

বৈষম্য হ্রাস এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূলধারায় অন্তর্ভুক্তিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নিজেদের ফ্ল্যাগশিপ কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) উদ্যোগ ‘অপরাজেয় আমি’-এর জন্য ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকটি ‘ইক্যুইটি, ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন (এসডিজি ১০)’ ক্যাটাগরিতে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি লাভ করেছে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবার পরিধি সম্প্রসারণ, সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত বহুমাত্রিক উদ্যোগ ‘অপরাজেয় আমি’-এর সামগ্রিক প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালে যাত্রা শুরু করা ‘অপরাজেয় আমি’ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের প্রথম বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি উদ্যোগ। বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত ৬৩ হাজারের বেশি মানুষ দৃষ্টিসেবা পেয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির কর্মসংস্থান, ৭৮ জন বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী নারীর কারিগরি প্রশিক্ষণ, এবং দেশব্যাপী ছানি অপারেশন, সহায়ক চিকিৎসা উপকরণ বিতরণ ও কিডনি ডায়ালাইসিসসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই অর্জন সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “প্রকৃত ব্যাংকিং কেবল আর্থিক সেবার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়— বরং এর মূল লক্ষ্য হলো সুযোগ সৃষ্টি করা, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং মানুষের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ ঘটানো। এ স্বীকৃতি আমাদের সেই বিশ্বাসকেই আরও দৃঢ় করেছে। ‘অপরাজেয় আমি’ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের সমানভাবে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে”।

এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি টেকসই উন্নয়ন, সমতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি আর্থিক সেবার পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক ও স্থায়ী পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির নেতৃত্বকে আরো সুসংহত করেছে।

ড্যাফোডিলে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচারের ১৭তম সেশন অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ড্যাফোডিলে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচারের ১৭তম সেশন অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনোভেশন সেন্টার (আইআইসি)-এর উদ্যোগে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচার সিরিজ– সিজন ১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিল্পখাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত করা এবং কৃষি প্রযুক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

`Post-Harvest Technology in the Field of Good Food for All' শীর্ষক এ আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ফসল সংগ্রহ-পরবর্তী প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই কৃষি এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা। অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ গ্রুপ বাংলাদেশের সঙ্গে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির তিনটি বিভাগের পৃথক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।

অনুষ্ঠানে কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ গ্রুপ বাংলাদেশের (কেজিবি) গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী, মাননীয় ডিন, অধ্যাপক ড. এস. এম. মাহবুব উল হক মজুমদার, রিয়েল এস্টেট বিভাগের প্রধান ড. আমির আহমেদ, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. নিজাম উদ্দিন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগের প্রধান মো. কামরুজ্জামান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনোভেশন সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (সিডিসি) হেড অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিংকেজ মনোয়ারুল ইসলাম রিবেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

মূল বক্তব্যে ড. মো. আলী আফজাল ফসল সংগ্রহ-পরবর্তী প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, কৃষিতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ফসল সংগ্রহ-পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানোর বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ‘সততা, পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী চিন্তাই একজন উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে তরুণদের সামনে অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। ইচ্ছাশক্তি, সাহস এবং ধারাবাহিক পরিশ্রমের মাধ্যমে তারাই আগামী দিনের সফল উদ্যোক্তা হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ গ্রুপ বাংলাদেশের সঙ্গে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ, রিয়েল এস্টেট এবং নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-এর পৃথক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এসব সমঝোতার আওতায় যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ, শিল্প-সংযুক্ত প্রকল্প, অতিথি বক্তৃতা, কর্মশালা এবং পাঠ্যক্রম উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আয়োজকরা জানান, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচার সিরিজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পখাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও গবেষকদের কাছ থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে এ মৌসুমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও শেখার ফলাফল মূল্যায়নের জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ মূল্যায়ন পদ্ধতি সংযুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন মূল্যায়নের আয়োজন করা হয়। বিষয়বস্তুর অনুধাবন, বিশ্লেষণী দক্ষতা, ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং মৌলিকতার ভিত্তিতে মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত সেরা ১০ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ স্বীকৃতি সনদ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম গোএডু-এর বিভিন্ন কোর্সে বিশেষ মূল্যছাড়ও প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচার সিরিজ-এর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিডিসি) এবং ই-লার্নিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে গোএডু।

লাক্সারিয়াস ফুড বাত্বীলের বাংলাদেশে ফ্রাঞ্চাইজ আনল বেক্সিমকো | কালের কণ্ঠ