• ই-পেপার

জুলাই বিপ্লব প্রমাণ করেছে, শেখ হাসিনার বিকল্প ছিল : তাজুল ইসলাম

ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত
সংগৃহীত ছবি

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ, স্মৃতি কর্নার স্থাপনসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে ক্যাম্পাসে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘জুলাই স্মৃতি কর্নার’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য চারুকলা অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে সদস্যসচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্মৃতি কর্নার স্থাপনের লক্ষ্যে চারুকলা অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক ও ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিককে সদস্যসচিব করে পৃথক আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে একটি আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া বার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল ও অনুষদ নিজ নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি, গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ বিভিন্ন হল ও আবাসিক এলাকার মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

একই সভায় প্রতি বছর ১৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘উইমেন্স ডে’ উদ্‌যাপনেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, অফিস প্রধানগণ এবং ডাকসু ও ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এইচএসসির প্রশ্নপত্রে ত্রুটি, ৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসির প্রশ্নপত্রে ত্রুটি, ৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
সংগৃহীত ছবি

চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র (২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী) পরিশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস ইয়াছমীন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই সকালের পরীক্ষা চলাকালে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নং প্রশ্নে মারাত্মক ত্রুটি/অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের ত্রুটি/অসংগতি থাকায় পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের চরম মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের ত্রুটি/অসংগতি যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল এবং এ ধরনের কাজে সিলেট বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি/অসংগতি থাকার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এর জবাব পত্রপ্রাপ্তির ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। 

কারণ দর্শানোর নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন— শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

প্রশ্ন আমরা করিনি, বিগত সরকার করেছে : পদার্থবিজ্ঞানের ভুল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রশ্ন আমরা করিনি, বিগত সরকার করেছে : পদার্থবিজ্ঞানের ভুল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন ভুল হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি সংসদে জানিয়েছেন, প্রশ্নটি বর্তমান সরকার নয়, বিগত সরকারের সময় প্রণয়ন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্পিকারের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনি জানেন যে প্রশ্ন মডারেট করতে হলে এই প্রক্রিয়া দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। আমরা এসে কোনো প্রশ্ন তৈরি করিনি। বিগত সরকারের যে মডারেটর ছিল তারাই এই প্রশ্ন করেছে।’ 

তিনি বলেন, ‘তবু আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, ফিজিকসের (পদার্থবিজ্ঞান) ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে আমরা ফুল ক্রেডিট (পূর্ণ নম্বর) দিয়ে দেব।’

ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

‘অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ইন ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এসিপিবিএ)’ শীর্ষক একটি এক্সিকিউটিভ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম পরিচালনার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই স্মারক সই হয়।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই উদ্যোগ দেশের ওষুধশিল্প খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় আইবিএ ওই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম পরিচালনা করবে। ওষুধ শিল্পে কর্মরত কর্মকর্তাদের ব্যবসায় প্রশাসন, নেতৃত্ব, ব্যবস্থাপনা ও ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস বিষয়ে আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নই এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটির প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ হবে প্রায় ছয় মাস, যেখানে ৪০টি সেশনের মাধ্যমে মোট প্রায় ১২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে দুই বছর মেয়াদে মোট চারটি ব্যাচ পরিচালিত হবে এবং প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪৫ জন কর্মকর্তা অংশ নেবেন।

প্রশিক্ষণে আইবিএর শিক্ষক ও শিল্পখাতের অভিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ নির্বাহীরা রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। লেকচার, কেস স্টাডি, গ্রুপ এক্সারসাইজ, কর্মশালা ও উপস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে সনদপত্র দেওয়া হবে।