• ই-পেপার

৮ মাসের জন্য মহাকাশে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিল মেনন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতার ইতি ঘোষণা ইরানের সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপির

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতার ইতি ঘোষণা ইরানের সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপির
সংগৃহীত ছবি

ইরানের ২৯০ সদস্যের পার্লামেন্টের ১৮০ জন আইনপ্রণেতাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক কার্যত সমাপ্ত বলে ঘোষণা করেছেন। হরমুজ প্রণালি ঘিরে তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরা

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রতিশোধ নেওয়ার’ নীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ইরানের শর্ত অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে নতুন আইন দ্রুত পাসের আহ্বান জানান তারা।
 
আইনপ্রণেতাদের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা প্রতিশোধের পথে অঙ্গীকারবদ্ধ। পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো মুহূর্ত যেন নষ্ট না হয়।’ তারা আরো জানান, পার্লামেন্টের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিতে থাকবে দেশের প্রতিরক্ষা নীতি আরো শক্তিশালী করা এবং হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত আইন পাস করা।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এই সমঝোতাকে সমাপ্ত ঘোষণা করেছেন, তাই ইরানের সরকারের তিন অঙ্গের প্রধানদেরও এ বিষয়ে দৃঢ় ও ‘বিপ্লবী’ অবস্থান স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা উচিত।
 
এছাড়া ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে এমপিরা বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌম কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পার্লামেন্ট প্রস্তুত।

পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারে পুতিনকে নিবৃত করেছিলেন মোদি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারে পুতিনকে নিবৃত করেছিলেন মোদি
সংগৃহীত ছবি

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যাতে আরো ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

পোল্যান্ডের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্লাদিস্লাভ টিওফিল বার্তোশেভস্কি নরেন্দ্র মোদির ভূমিকার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের এমন কয়েকজন নেতার একজন, যার মতামতকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন।’

২০২২ সালের শেষের দিকের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, ‘যুদ্ধের সময় রাশিয়াকে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার বিষয়ে রাজি করাতে মোদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।’

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্তোশেভস্কি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের কয়েক দশকের পুরোনো সম্পর্ক নয়াদিল্লিকে একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে, যা দেশটিকে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হিসেবে গড়ে তুলেছে। 

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একজন অত্যন্ত সুপরিচিত ও সম্মানিত বিশ্বনেতা। জোটনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে রাশিয়া এবং তার আগে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন আসলে প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন।’ 

পোল্যান্ডের এই মন্ত্রী বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর মস্কোর সঙ্গে যোগাযোগ যখন ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়েছে, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি হলেন সেই অল্প কয়েকজন নেতার একজন যিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে প্রভাবিত করতে পারেন। এই যুদ্ধ বন্ধে সাহায্য করার জন্য মোদি এটা করতেই পারেন।’

বার্তোশেভস্কির মতে, ‘যুদ্ধে সংযত হওয়ার আহ্বানগুলো যদি এমন দেশ থেকে আসে, রাশিয়া যাদের শত্রু মনে করে না, তাহলে সেটার গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়।’

এ প্রসঙ্গে ভারতের পাশাপাশি চীনের নামও উল্লেখ করেন, ‘শুধু ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিই নন, চীনের শি চিনপিংও এই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার বিরুদ্ধে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন এমন দেশগুলোর কাছ থেকে এই আহ্বান আসে যাদের রাশিয়া শত্রু ভাবাপন্ন মনে করে না। এক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

কয়েক সপ্তাহ আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনও ভারতের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রশংসা করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে, মস্কোর সঙ্গে নতুন দিল্লির সম্পর্কের কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদির ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য অন্য দেশগুলোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরামের সাইডলাইনে দেওয়া এক বক্তব্যে পুতিন বলেছিলেন, ‘আমরা আনন্দিত যে ভারত তার জাতীয় স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এমন সব দেশের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে।’

জুয়ার টাকার জন্য ১৪ জনকে বিয়ে করলেন এক নারী

অনলাইন ডেস্ক
জুয়ার টাকার জন্য ১৪ জনকে বিয়ে করলেন এক নারী
সংগৃহীত ছবি

জুয়ার নেশার অর্থ জোগাতে একসঙ্গে ১৪ জন পুরুষকে বিয়ে করে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ ডলার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের এক নারী আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। তবে প্রসিকিউশনের সঙ্গে সমঝোতার কারণে তার কারাদণ্ডের পরিবর্তে প্রবেশন (পর্যবেক্ষণাধীন মুক্তি) পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খবর সিরাকিউস

অভিযুক্ত ৩৩ বছর বয়সী জিয়াইং চেন ২০২৪ সালে গ্রেপ্তার হন। তদন্তে জানা যায়, ২০১৯ সালের মার্চ থেকে নেভাদা অঙ্গরাজ্যের ক্লার্ক কাউন্টিতে তিনি মোট ১৪টি বিয়ের সনদ সংগ্রহ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে ‘ভিকি লিয়াং’ নামে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন পুরুষকে প্রেম ও বিয়ের ফাঁদে ফেলতেন তিনি।

প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, বিয়ের পর চেন তার স্বামীদের কাছে দাবি করতেন যে, চীনে থাকা অসুস্থ স্বজনদের চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে অর্থ প্রয়োজন। এই অজুহাতে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে সম্মিলিতভাবে এক লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ আদায় করেন। তবে তদন্তে দেখা যায়, ওই অর্থ আত্মীয়দের চিকিৎসায় নয়, বরং লাস ভেগাস স্ট্রিপের বিলাসবহুল উইন ক্যাসিনোতে জুয়া খেলতেই ব্যয় করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, শুধু গত এক বছরেই চেন জুয়া খেলতে গিয়ে তিন লাখ ডলারেরও বেশি অর্থ হারিয়েছেন।

গত ৯ জুলাই বহুবিবাহ এবং প্রতারণার মাধ্যমে এক লাখ ডলারের বেশি অর্থ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে আদালতে দোষ স্বীকার করেন চেন। এর বিনিময়ে তার বিরুদ্ধে আনা আরো কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ প্রত্যাহারে সম্মত হয় প্রসিকিউশন। পাশাপাশি আদালতে তার জন্য প্রবেশনের সুপারিশও করা হবে।

আগামী ২০ আগস্ট তার সাজা ঘোষণা করা হবে। আইনে বহুবিবাহের অপরাধে এক থেকে চার বছর এবং প্রতারণার অভিযোগে এক থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও, প্রসিকিউশনের সুপারিশের কারণে তিনি অল্প সময়ের কারাভোগ অথবা কারাদণ্ড ছাড়াই মুক্তি পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, পরিচয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই চেন বিয়ের প্রস্তাব দিতেন। বিয়ের পর বড় অঙ্কের অর্থ নেওয়ার পরই তিনি ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতেন। এক ভুক্তভোগীর দাবি, অসুস্থ আত্মীয়ের চিকিৎসার কথা বলে তার কাছ থেকে ৪০ হাজার ডলার নেওয়ার পর চেন জানিয়ে দেন যে তিনি আর বৈবাহিক সম্পর্ক চালিয়ে যেতে চান না।

জিজ্ঞাসাবাদে চেন পুলিশকে জানান, একটি ভুয়া বিয়ে থেকে তিনি সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারতেন। এছাড়া লাস ভেগাসে বিয়ে করা তুলনামূলক সহজ হওয়ায় শহরটিকেই তিনি তাঁর প্রতারণার কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে চলমান ভারতের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে যা বলল নয়াদিল্লি

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে চলমান ভারতের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে যা বলল নয়াদিল্লি
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন ভারতীয় উন্নয়ন প্রকল্প বাতিলের আশঙ্কা নাকচ করে দিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতের যে উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচি রয়েছে, তা সম্পূর্ণ দুই দেশের পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতেই পরিচালিত হয় এবং ভবিষ্যতেও তা একইভাবে অব্যাহত থাকবে। 

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান ভারতের ১১টি উন্নয়নমূলক প্রকল্প অগ্রগতির ‘অভাব’ থাকায় স্থগিত হতে পারে- এমন গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের যে উন্নয়ন প্রকল্প কর্মসূচি রয়েছে, তা বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই করা হয়েছে এবং তা এখনো সেভাবেই চলছে।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভারতের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছিল, এই বক্তব্যের মাধ্যমে অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি।

এর আগে গত সপ্তাহেও রণধীর জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ভারতের দেওয়া আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা মূলত একটি দ্বিপক্ষীয় এবং যৌথভাবে অনুমোদিত রোডম্যাপের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, যা উভয় দেশ নিয়মিত পর্যালোচনা করে থাকে।