• ই-পেপার

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ‘মৎস্য ও পোনার ভাণ্ডার’

পটিয়ায় বন্যার তাণ্ডবে ভেসে গেছে ১৪০০ পুকুরের মাছ

পারিবারিক বিরোধের জের

নরসিংদীতে শিশুর পা ভেঙে দিল চাচি, ভিডিও ভাইরাল

নরসিংদী প্রতিনিধি
নরসিংদীতে শিশুর পা ভেঙে দিল চাচি, ভিডিও ভাইরাল

নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদীতে ৩ মাস বয়সী এক শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার আপন চাচির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পরিবারের ৩ সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। পারিবারিক বিরোধের জেরে আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী এলাকার চাঁনগাও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে মাধবদী থানা পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিশুর মা-বাবার বরাত দিয়ে বলেন, ‘প্রায় ৫ দিন আগের এ ঘটনার একটি ভিডিও আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভাইরাল হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মূল ঘটনা উদঘাটন করা হয়।’

ওসি জানান, গত ৫ দিন আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে রাগের বশে চাচি লতা বেগম ঘরে এসে শিশু সন্তান রিজিকের পা মুচড়ে দেন। তবে শিশুটির পা ভেঙে যায়নি বলে জানান তিনি। বাড়িতে ঝামেলা চলছিল, এ কারণে শিশুর মা গোপনে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরে গত ১১ তারিখে তিনি ভিডিওটি তার ভাই ইব্রাহিমকে দেন। ভিডিওটি কারা কীভাবে ভাইরাল করলো, এ বিষয়ে পুলিশ আরো তদন্ত করছে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় কারও কোনো অভিযোগ নেই। ওসি বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া তথ্যের সঙ্গে শিশুর মা-বাবার বক্তব্যের মিল পাওয়া যায়নি। তারা দাবি করেছেন, শিশুর পা ভাঙেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত নারী লতা বেগম (৩২)-এর স্বামী কাউছার আহমেদ ও তার বাবা আলমাছ মিয়া, মা শেফালী বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে এবং একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে জানান ওসি।

শিশুর বাবা জহিরুল হক জহির ও মা সাইফা জানান, এটি পারিবারিক বিষয়। ৩ দিন আগেই বিষয়টির মীমাংসা হয়ে গেছে। তার ছেলে সুস্থ রয়েছে, তাদের পা ব্যান্ডেস বা চিকিসা দিতেও নেওয়া হয়নি, তাই তাদের কোনো অভিযোগ নেই। তবে ভিডিওগুলো ফেসবুকে মনগড়া তথ্য দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

এদিকে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বুড়িচং মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ফুলেল অভ্যর্থনায় ১২ নবনিযুক্ত শিক্ষক

মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে শিক্ষার ঘোষণা

বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
বুড়িচং মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ফুলেল অভ্যর্থনায় ১২ নবনিযুক্ত শিক্ষক
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার বুড়িচং মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ জন শিক্ষক ও একজন হিসাব সহকারীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে শিক্ষার ঘোষণা দেওয়া হয়। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কলেজের অডিটরিয়াম কক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভা শেষে নবনিযুক্ত শিক্ষক ও হিসাব সহকারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে তাদের বরণ করে নেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. কবির হোসেন এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজির অধ্যক্ষ আলহাজ আবু তাহের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বুড়িচং মডেল ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আব্দুল আউয়াল, অভিভাবক সদস্য অধ্যাপক মো.গিয়াস উদ্দিনসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রতিষ্ঠানের অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে ‘বুড়িচং মডেল একাডেমি’ নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক ভালো ফলাফলের মাধ্যমে স্কুল শাখাটি কুমিল্লা জেলায় সুনাম অর্জন করে। চলতি বছর ২০২৬ সালে (১২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনে কলেজ শাখা চালুর অনুমতি পায় প্রতিষ্ঠানটি।

স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ৫০ জনেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেন। গত ২৪ জুন অনুষ্ঠিত নিয়োগ ও নির্বাচনীয় পরীক্ষায় বিভিন্ন বিভাগের নিয়োগ ও নির্বাচনী বোর্ড কর্তৃক ১২ জন শিক্ষক এবং একজন হিসাব সহকারী নির্বাচিত হন।

নবনিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন— হিসাববিজ্ঞান বিভাগের আব্দুল হক, ইংরেজি বিভাগের খাদিজা খাতুন, বাংলা বিভাগের আবুল বাশার মুহাম্মদ গোলাম আযম, গণিত বিভাগের শিক্ষিকা তাসনিম জাহান তন্নি, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন বিভাগের রমজান হোসেন, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের পলাশ কুমার সরকার, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ফাতেমা আক্তার, জীববিজ্ঞান বিভাগের আব্দুল্লাহ আল সজল, রসায়ন বিভাগের সুলতানা আক্তার, সমাজকর্ম বিভাগের সাইয়্যেদুল মোরসালিন, বুড়িচং মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবনিযুক্ত ১২ শিক্ষক ও হিসাব সহকারীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। 

অনুষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আলহাজ আবু তাহের বলেন, ‘একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু ভালো ফলাফলই নয়, একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ মানুষ হিসেবেও গড়ে তোলে। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সুশৃঙ্খল শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ প্রতিষ্ঠান অত্র অঞ্চলের অন্যতম মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’  তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে যারা পরামর্শ, শ্রম ও সহযোগিতা দিয়ে অবদান রেখেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. কবির হোসেন বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা এবং কলেজ শাখার শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি আরো এগিয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী। তিনি আরো বলেন, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সব বিভাগের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলবে, এতে সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষ করে মেধাবী গরিব ও (এ-প্লাস) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে পড়ার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান।

লালমাইয়ে বিধবার ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল

লালমাই-সদর দক্ষিণ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
লালমাইয়ে বিধবার ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল
কুমিল্লার লালমাইয়ে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে আদালতে মামলা করায় এক বিধবার বসতঘর ভাঙচুর করছে প্রতিপক্ষ। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধে আদালতে মামলা করায় এক বিধবার বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার ৩ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের মিতল্লা গ্রামে মরহুম আবদুস সাত্তারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি বসতঘরের টিনের বেড়া খুলে রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখছেন। এ সময় বিধবা পেয়ারা বেগম ও তাঁর ছেলেরা কান্নাকাটি করে ঘর ভাঙচুর বন্ধের অনুরোধ করছেন এবং আশপাশের লোকজনকে ঘটনাটি দেখতে ডাকছেন। তবে ভিডিওতে তাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়নি।

পুলিশ, ভূমি অফিস ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মিতল্লা গ্রামের মরহুম আবদুস সাত্তারের স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬০) তাঁর তিন ছেলে শহিদুল ইসলাম, সুজন ও ইসমাইলকে নিয়ে স্বামীর বসতভিটায় বসবাস করে আসছেন। কিছুদিন আগে আবদুস সাত্তারের একটি খালি ভিটি জমি তাঁর ভাই আবদুল মান্নান জোরপূর্বক দখল করে সেখানে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন বলে অভিযোগ করেন পেয়ারা বেগম। এ ঘটনায় তিনি কুমিল্লার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন।

আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় লালমাই উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি)। তদন্তের অংশ হিসেবে দুই সপ্তাহ আগে লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম উভয় পক্ষকে শান্তি ভঙ্গ না করার নোটিশ দেন। মঙ্গলবার উপজেলা সার্ভেয়ার আবু হানিফ সরেজমিন তদন্ত শেষে ফিরে গেলে, অভিযোগ অনুযায়ী, আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে তাঁর ভাই আবুল কালাম ও আবু তাহেরসহ কয়েকজন গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে পেয়ারা বেগমের বসতঘর ভেঙে ফেলা হয়।

ভুক্তভোগী পেয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার দেবর আবদুল মান্নান আমার স্বামীর রেখে যাওয়া জমি দখল করে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। তাই আদালতে মামলা করেছি। তদন্ত শেষে কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর তারা আমাদের বসতঘর ভেঙে দেয়। এ সময় আমার ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, ছেলের একটি রেডমি মোবাইল ফোন এবং কিছু নগদ টাকা নিয়ে যায়। আমরা অনেক অনুরোধ করলেও তারা ঘর ভাঙা বন্ধ করেনি।’

লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ১৪৫ ধারার মামলার নোটিশ উভয় পক্ষকে দিয়েছি, যাতে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করে। পরে কিভাবে ঘর ভাঙচুর হয়েছে, সেটি আমার দায়িত্বের বিষয় নয়।

ভুশ্চি বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রদীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘ঘর ভাঙচুরের ভিডিও দেখে ওসির নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গাজীপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মুদি দোকানিকে গণপিটুনি

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মুদি দোকানিকে গণপিটুনি
সংগৃহীত ছবি

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১০ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম (৫০) নামের এক মুদি দোকানিকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বিশ্বাসপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। তিনি কালিয়াকৈর উপজেলার বিশ্বাস পাড়া এলাকায় একটি মার্কেটে মুদি দোকানের ব্যবসা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় দিকে বিস্কিট কেনার জন্য বাড়ির পাশের শরিফুলের দোকানে যায় ভুক্তভোগী ওই শিশু। এ সময় ওই দোকানদার কৌশলে বিস্কুটের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে তাকে দোকানের পাশের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবক ওই কক্ষের দরজা ভেঙে বস্তার ভেতর লুকানো অবস্থায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে। পরে তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা। এ ঘটনার পর বিষয়টি দামাচাপা দিতে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করলে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ওই দোকানদারকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মুদির দোকানদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’