• ই-পেপার

ওয়ালটনের পণ্য কেনাকাটায় লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার ও ক্যাশব্যাকের সুযোগ

কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ এআইইউবির অংশগ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক
কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ এআইইউবির অংশগ্রহণ
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আcvf শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করেছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। গত ৯ ও ১০ জুলাই ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার শেরাটন আদ্দিস হোটেলে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক ফোরামে এআইইউবি অংশগ্রহণ করে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ এবং উচ্চশিক্ষা খাতের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই ফোরামে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রতিভা ধরে রাখা, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং টেকসই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

‘স্কিলস, সিস্টেমস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই ফোরামে এআইইউবি বাংলাদেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাতের সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গবেষণার সম্ভাবনা তুলে ধরে। ফোরামের স্পন্সর ও সক্রিয় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এআইইউবি বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা আরো জোরদার করেছে।

ফোরামে এআইইউবির প্রতিনিধিত্ব করেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জনাব ইশতিয়াক আবেদীন, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট ডিন অধ্যাপক খন্দকার তাবিন হাসান এবং প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা জনাব আবু মিয়া আকন্দ তুহিন। ফোরাম চলাকালে এআইইউবি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এসব সমঝোতার মাধ্যমে যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রমের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এআইইউবির পক্ষে এসব সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন জনাব ইশতিয়াক আবেদিন ও অধ্যাপক খন্দকার তাবিন হাসান। 

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে নতুন উদ্যোগ হিসেবে এআইইউবি, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) যৌথ উদ্যোগে কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম আয়োজনের বিষয়ে কিউএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন জনাব ইশতিয়াক আবেদীন। প্রস্তাবিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক র‍্যাংকিং উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধি এবং বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণা চর্চার সঙ্গে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংযোগ আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ এআইইউবি’র অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচনের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

টেকসই ও অর্থবহ পর্যটন গড়ে তুলতে ড্যাফোডিলে জাতীয় সংলাপ

অনলাইন ডেস্ক
টেকসই ও অর্থবহ পর্যটন গড়ে তুলতে ড্যাফোডিলে জাতীয় সংলাপ

দেশের পর্যটন খাতের শীর্ষস্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় গোলটেবিল বৈঠক। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকার সাভারের বিরুলিয়ায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে ‘অর্থবহ পর্যটন: পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়নের প্রেক্ষাপট (মিনিংফুল ট্যুরিজম: প্রসপেক্টিভস অন প্ল্যানিং অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি)’ শীর্ষক এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

জার্মানির আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পর্যটন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. উলফগ্যাং জর্জি আর্ল্ট- এফআরজিএস, এফআরএএস আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বাংলাদেশের পর্যটন খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অর্থবহ মতবিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন।

এ গোলটেবিল বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো ‘অর্থবহ পর্যটন’ (মিনিংফুল ট্যুরিজম) ধারণাটিকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরা, যার মাধ্যমে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের এমন উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব- যা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জন্য বস্তুনিষ্ঠ সুফল এবং আত্মিক সন্তুষ্টি বয়ে আনবে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মাহাবুব পারভেজের সঞ্চালনায় ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবিরের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে এ গোল টেবিল বৈঠক শুরু হয় হয়। এতে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক মো. জিয়াউল হক হাওলাদার ও অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) মো. জালাল উদ্দিন টিপু, পাটা বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল মো. তওফিক রহমান, নভো এয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান, ইন্টার কন্টিনেন্টাল ঢাকার পরিচালক (বিপণন) রিজওয়ান মারুফ, ওয়েস্টিন ঢাকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং পর্যটন শিল্পের বিশিষ্ট নেতারা অংশ নেন।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, বিশ্ব পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে পর্যটন খাতও বদলে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং পর্যটকদের নতুন চাহিদা ও আচরণ অনেক পুরনো ব্যবসায়িক মডেলকে অকার্যকর করে দিচ্ছে; তবে একইসঙ্গে  এটি নতুন সেবা ও গন্তব্য তৈরির সুযোগও সৃষ্টি করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগমন অত্যন্ত নগণ্য; মাথাপিছু পর্যটক সংখ্যার বিচারে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে নিচের সারিতে। অন্যান্য পর্যটন গন্তব্য যেসব ভুল করেছিল -যেমন প্রকৃতি ও সংস্কৃতির ক্ষতি, অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ (ওভার-ট্যুরিজম) এবং পর্যটন থেকে অর্জিত আয়ের সিংহভাগই দেশের বাইরে চলে যাওয়া-সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাত যদি সচেতন হয়, তবে এই চ্যালেঞ্জকে একটি সুযোগে রূপান্তর করা সম্ভব।

বক্তারা সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতি এবং প্রাণবন্ত জীববৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি; যেমন : ২০২৫ সালে মাত্র ৬ লাখ ৫০ হাজার বিদেশি পর্যটক এখানে ভ্রমণে এসে ৪৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছেন। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও বেশি মানুষের আবাসস্থল হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মাত্র ০.০৫ শতাংশকে আকৃষ্ট করতে পেরেছে। অথচ বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠীই বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে মাত্র চার ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যে বসবাস করে। পর্যটকের সংখ্যার চেয়ে সেবার মানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এবং বিশেষ করে আঞ্চলিক উৎস-বাজারগুলোর জন্য বিশেষায়িত সেবা প্রদানের মাধ্যমে, একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগে একটি বৈশ্বিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নিজের গুরুত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির দারুণ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে রয়েছে।

৭.৭ সুপার সেভিংস সেল : সাশ্রয়ী কেনাকাটার সেরা ঠিকানা এই ১০ পণ্য

অনলাইন ডেস্ক
৭.৭ সুপার সেভিংস সেল : সাশ্রয়ী কেনাকাটার সেরা ঠিকানা এই ১০ পণ্য
সংগৃহীত ছবি

বর্ষার এই মৌসুমে বাজারে আরেকবার সাশ্রয়ের ঢেউ তুলতে এলো দারাজ বাংলাদেশের ‘৭.৭ সুপার সেভিংস সেল’। দেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেসের এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে ৬ জুলাই রাত ৮টা থেকে, চলবে ১৭ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত। ইলেকট্রনিক্স থেকে ফ্যাশন-নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ক্যাটাগরিতেই মিলছে আকর্ষণীয় ছাড়, নামি ব্র্যান্ডের সঙ্গে বিশেষ কোলাবরেশন এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন অনলাইন শপিংয়ের সুযোগ।

সীমিত সময়ের এই ক্যাম্পেইনে ঘরে বসেই মিলছে ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট থেকে শুরু করে জামাকাপড় ও অনুষঙ্গ- সবকিছুই চেনা দামের চেয়ে অনেকটা কমে। ঘুরে দেখা যাক এই সেলে গ্রাহকদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি করা এমন ১০টি পণ্য।

১. গরমের স্বস্তি: ২১% ছাড়ে হায়ার জেনগ্লো ইনভার্টার এসি (১.৫ টন)

856

বর্ষার আগে-পরে ভ্যাপসা গরমে ঘরে একটু স্বস্তি জরুরি। হায়ার জেনগ্লো ইনভার্টার এসিতে রয়েছে সর্বোচ্চ ১৯০০ ওয়াট পাওয়ার ইনপুট এবং ৩.৮০ এসইইআর রেটিং, ফলে ঘর ঠান্ডা হয় দ্রুত, অথচ বিদ্যুৎ খরচ থাকে হাতের নাগালে।

৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে ৭১,৯৯০ টাকার এই এসি মিলছে ৫০,৯৯০ টাকায় অর্থাৎ সরাসরি ২১ হাজার টাকা সাশ্রয়ের সুযোগ (২৯% ছাড়)। সঙ্গে থাকছে ফ্রি ইনস্টলেশন, নিঃশর্ত ফ্রি ডেলিভারি এবং কম্প্রেসরে ১২ বছরের ওয়ারেন্টি।

এসিটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

২. পকেটবান্ধব দামে শক্তিশালী ব্যাটারির ফোন : ৭% ছাড়ে রিয়েলমি সি১০০আই

857

সারাদিন ফোন হাতে থাকা মানুষের জন্য ব্যাটারি লাইফ বড় দুশ্চিন্তার নাম। রিয়েলমি সি১০০আই-তে থাকা ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ও ১৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই দূর করবে। ৬.৮ ইঞ্চির এইচডি, ১২০ হার্জ ডিসপ্লে, অক্টা-কোর প্রসেসর এবং অ্যান্ড্রয়েড ১৬ ভিত্তিক রিয়েলমি ইউআই দৈনন্দিন ব্যবহারকে করে তোলে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময়।

৪ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজের এই স্মার্টফোন এখন মিলছে ১৮,৯৯৯ টাকার বদলে ১৭,৬৫০ টাকায়, সঙ্গে অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি এবং বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফ্রি ক্যাপ।

স্মার্টফোনটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

৩. চলার পথে চার্জের চিন্তা শেষ : ২৪% ছাড়ে অ্যাওয়ে ফাস্ট পাওয়ার ব্যাংক

858

অফিস, আড্ডা বা যাত্রাপথ, ফোনের চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা এড়াতে অ্যাওয়ে পিএ-৯০ পাওয়ার ব্যাংক হতে পারে ভরসার সঙ্গী। ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ও ২২.৫ ওয়াট সুপার ফাস্ট চার্জিংয়ের পাশাপাশি রয়েছে ডিজিটাল এলইডি ডিসপ্লে, যা চোখের পলকে দেখিয়ে দেয় অবশিষ্ট চার্জ। ইউএসবি-এ ও টাইপ-সি দুই পোর্ট দিয়েই একসঙ্গে চার্জ দেওয়া যায় দুটি ডিভাইস।

৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে ১,৬৫০ টাকার পাওয়ার ব্যাংকটি মিলছে মাত্র ১,২৫০ টাকায়- ২৪% ছাড়ে।

পাওয়ার ব্যাংকটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

৪. স্টাইলের সঙ্গে স্বাস্থ্য সচেতনতা : ৯% ছাড়ে ওরাইমো ওয়াচ ফাইভ লাইট

859

হাতঘড়িতে এখন শুধু সময় দেখাই নয়, চাই স্বাস্থ্যের হিসাবও। ওরাইমো ওয়াচ ফাইভ লাইটে আছে ২.০১ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে, ১০০টির বেশি স্পোর্টস মোড এবং আইপি৬৮ রেটিং, যা ধুলা-পানি দুই থেকেই রাখে সুরক্ষিত। মাত্র তিন ঘণ্টার চার্জে চলে সাত দিন পর্যন্ত, আর ওরাইমো হেলথ অ্যাপে চোখ রাখলেই মেলে ফিটনেসের হালনাগাদ তথ্য।

নিয়মিত ১,৮২০ টাকার এই স্মার্টওয়াচ ৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে এখন মিলছে ১,৬৬৫ টাকায় (৯% ছাড়)।

স্মার্ট ওয়াচটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

৫. নিরবচ্ছিন্ন সাউন্ডের সঙ্গী : ৪৬% ছাড়ে হোকো ইকিউ৩৪ প্লাস রিমা ইয়ারবাডস

860

গান শোনা হোক বা অনলাইন মিটিং আশপাশের কোলাহল কমিয়ে মনোযোগ ধরে রাখতে হোকো ইকিউ৩৪ প্লাস রিমা ইয়ারবাডস বেশ কাজের হতে পারে। এএনসি ও ইএনসি প্রযুক্তির পাশাপাশি ব্লুটুথ ৫.৪ সংযোগ, অ্যাপ কন্ট্রোল এবং মাল্টি-ডিভাইস সুইচিং সুবিধা মিলিয়ে একবার চার্জে মেলে ৭ ঘণ্টা প্লেব্যাক, আর চার্জিং কেসসহ চলে ২৮ ঘণ্টারও বেশি।

ওজনে মাত্র ৪৪.৮ গ্রামের হালকা এই ইয়ারবাডস ৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে মিলছে ৪৬% ছাড়ে- ১,৫০০ টাকার বদলে মাত্র ৮১৭ টাকায়।

ইয়ারবাডজোড়া অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

৬. আরাম আর স্টাইল একসঙ্গে : ৫২% ছাড়ে নারীদের ফ্ল্যাট হিল স্যান্ডেল

861

প্রতিদিনের ব্যস্ততায় আরামদায়ক অথচ স্টাইলিশ জুতার খোঁজ করেন অনেকেই। সফট পিভিসি উপাদানে তৈরি এই ফ্ল্যাট হিল স্যান্ডেল দীর্ঘসময় পরেও আরাম দেয়, আর অ্যান্টি-স্লিপ সোল ও হালকা ওজনের কারণে চলাফেরাও হয় নির্বিঘ্নে।

৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে এই স্যান্ডেল মিলছে ৫২% ছাড়ে- ১,০৫৯ টাকার বদলে মাত্র ৫০৫ টাকায়, সেলের অন্যতম আকর্ষণীয় অফার।

স্যান্ডেলজোড়া অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

৭. আধুনিক পুরুষের প্রিয় পছন্দ : ২৬% ছাড়ে ফ্যাব্রিলাইফ ডেনিম জিন্স

862

অর্গানিক কটন ও হাই-স্ট্রেচ ফেব্রিকে তৈরি ফ্যাব্রিলাইফের এই ডেনিম জিন্স সারাদিন পরে থাকলেও আরাম কমে না। গার্মেন্ট ওয়াশ ও স্টাইলিশ ফিনিশিং জিন্সটিকে মানিয়ে দেয় যেকোনো ক্যাজুয়াল লুকের সঙ্গে।

নিয়মিত ২,২০০ টাকার জিন্সটি ৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে মিলছে ১,৬৩৭ টাকায় (২৬% ছাড়)।

জিন্সটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

৮. উৎসবের আমেজে : ২০% ছাড়ে কাশ্মীরি আরি কাজের জর্জেট সালোয়ার-কামিজ

863

উৎসব-আয়োজনে চাই একটু ভিন্ন পোশাক। সূক্ষ্ম কাশ্মীরি আরি এমব্রয়ডারি আর জর্জেট কাপড়ের এই সালোয়ার-কামিজ সেই খোঁজ মেটাতে পারে অনায়াসে। আরামদায়ক ফিট আর একাধিক রঙে পাওয়া যাওয়ায় থাকছে পছন্দের সুযোগও।

৬৫০ টাকার এই পোশাক ৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে মিলছে ৫১৭ টাকায়- ২০% ছাড়ে।

সালোয়ার-কামিজটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

৯. আরামের প্রতিদিনকার সঙ্গী : ২৬% ছাড়ে ফ্যাব্রিলাইফ পোলো টি-শার্ট

864

১০০% অর্গানিক কম্বড কটনে তৈরি ফ্যাব্রিলাইফের এই পোলো টি-শার্ট নরম আর আরামদায়ক অনুভূতি দেয় সারাদিন। এনজাইম ও সিলিকন ওয়াশ প্রযুক্তির কারণে যত্ন নিলে টি-শার্টটি টেকেও দীর্ঘদিন।

৯৮০ টাকার এই টি-শার্ট ৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে মিলছে ৭২১ টাকায় (২৬% ছাড়)।

টি-শার্টটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

১০. রোদ ঠেকিয়ে স্টাইল বাড়াতে : ৭০% ছাড়ে অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ স্কয়ার সানগ্লাস

866

রোদের তীব্রতা থেকে চোখ বাঁচাতে আর স্টাইলিশ লুক ধরে রাখতে পোলারাইজড, অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ লেন্সের এই স্কয়ার সানগ্লাস হতে পারে নিত্যদিনের সঙ্গী। ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি বাইরে চলাফেরাও করে তোলে আরামদায়ক।

৭.৭ সুপার সেভিংস সেলের সবচেয়ে বড় ছাড়গুলোর একটি এই সানগ্লাসে- ৯০০ টাকার বদলে মিলছে মাত্র ২৭২ টাকায়, অর্থাৎ ৭০% ছাড়ে।

সানগ্লাসটি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

এই আয়োজনকে আরও বর্ণাঢ্য করে তুলেছে দারাজের একাধিক শীর্ষস্থানীয় পার্টনার। এক্সক্লুসিভ প্লাটিনাম পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ডেটল ও ইউনিলিভার, গোল্ড পার্টনার হিসেবে রয়েছে প্যারাস্যুট ন্যাচারালে ও হিমালয়া, আর সিলভার পার্টনার হিসেবে অংশ নিচ্ছে সেসা ও গোদরেজ। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা ক্যাটাগরিতে বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার সুযোগ থাকছে গ্রাহকদের জন্য।

পেমেন্টেও মিলছে বাড়তি সুবিধা। দারাজ-ইস্টার্ন ব্যাংক কো-ব্র্যান্ড ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডে মিলবে সর্বোচ্চ ১৫% ছাড়, আর ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি -এর কার্ডধারীরা সংগ্রহযোগ্য ভাউচারের মাধ্যমে পাবেন সর্বোচ্চ ১২% পর্যন্ত ছাড়। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি -এর ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য দারাজ চয়েস চ্যানেলে থাকছে বিশেষ অফার। বিকাশ পেমেন্ট করে হোম অ্যাপ্লায়েন্স কিনলে মিলবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়, আর ইবিএল জিপ -এর মাধ্যমে টেলিভিশন, এয়ার কন্ডিশনার ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনায় থাকছে সর্বোচ্চ ৬ মাসের ০% সুদে ইএমআই সুবিধা, সঙ্গে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

তাই আর দেরি না করে দারাজের ৭.৭ সুপার সেভিংস সেলে পছন্দের পণ্য কিনে উপভোগ করুন আরও সাশ্রয়ী ও লাভজনক কেনাকাটার অভিজ্ঞতা।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ শুরু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ শুরু
সংগৃহীত ছবি

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে শুরু হয়েছে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬। পাঁচটি অনুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগে ২৯টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অ্যাডমিশন ফেয়ার উপলক্ষ্যে ভর্তি নিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি। অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ চলাকালে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীরা পাবে অ্যাডমিশন ফির ওপরে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট এবং ফ্রি অ্যাডমিশন ফরম। অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ শুভ উদ্বোধন করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফারাহনাজ ফিরোজ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হাসান, প্রক্টর ও অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় আচার্য্য, রেজিস্ট্রার মুহাম্মাদ আবদুল মতিন, অ্যাডমিশন ফেয়ারের কনভেনর ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন, জনসংযোগ ডিভিশনের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক ও অ্যাডমিশন বিভাগের প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) আশিক মাহমুদ। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ভর্তির জন্য সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অ্যাডমিশন অফিস (৫১ সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা ক্যাম্পাসে)। পাশাপাশি ভর্তি তথ্য জানার জন্য এবং অনলাইনে ভর্তির আবেদন করতে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ওয়েবসাইট www.stamforduniversity.edu.bd ভিজিট করতে পারেন এবং ০৯৬১৩-৬২২৬২২ এই নম্বরে সরাসরি ভর্তি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদান, নির্মাণাধীন স্থায়ী ক্যাম্পাস, (স্বল্প পরিসরে ক্লাস শুরু হয়েছে) আধুনিক ও ডিজিটালাইজড ক্লাসরুম, ফ্রি ইন্টারনেটের সুব্যবস্থা, উন্নতমানের ল্যাব, স্টুডেন্ট জোন, প্লে গ্রাউন্ড, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট তৈরির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি জনপ্রিয়তার শীর্ষে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে।

অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার ২০২৬-এ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা উন্নত এবং বিশ্বমানের ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নিম্নোক্ত আধুনিক, যুগোপযোগী ও গবেষণাধর্মী প্রোগ্রামগুলোতে ভর্তি হতে পারেন।

প্রোগ্রামগুলো হলো— ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার, বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, এমএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, মাস্টার ইন কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ব্যাচেলর অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, এমএসসি ইন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, বিএসসি ইন মাইক্রোবায়োলজি, এমএস ইন মাইক্রোবায়োলজি, ব্যাচেলর অব ফার্মেসি, মাস্টার অব ফার্মেসি, ব্যাচেলর অব ল, মাস্টার অব ল, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

মাস্টার অব সায়েন্স ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ইংলিশ, মাস্টার অব আর্টস ইন ইংলিশ, মাস্টার অব আর্টস ইন ইংলিশ (প্রিলিমিনারি ও ফাইনাল), বিএসএস ইন ইকোনমিকস, এমএসএস ইন ইকোনমিকস, বিএসএস ইন জার্নালিজম ফর ইলেকট্রনিক অ্যান্ড প্রিন্ট মিডিয়া, এমএসএস ইন জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ, ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া, মাস্টার অব আর্টস ইন ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া, ব্যাচেলর অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মাস্টার অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

এছাড়া ইউজিসির অনুমোদিত প্রোগ্রাম থিয়েটার স্টাডিজ, অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, স্টামফোর্ড ইনস্টিটিউট অন অ্যাডিকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের অধীনে মাস্টার অব অ্যাডিকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন স্টাডিজ প্রোগ্রামটি চালু করা হচ্ছে। এছাড়া, জাপানি ল্যাংগুয়েজ কোর্স, স্পোকেন ইংলিশ কোর্স, ইন্ট্রোডাকশন অব ইংলিশ অ্যান্ড বাংলা (বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য) কোর্স এবং আইইএলটিএস কোর্সে ভর্তি নিচ্ছে এই ইউনিভার্সিটি।

ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শতভাগ পর্যন্ত স্কলারশিপের সুযোগ দিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।