• ই-পেপার

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ শুরু

পোলার আইসক্রিমের নতুন ভ্যারিয়েন্ট রোবাস্তো ও চকোলেট ফিনেস্তা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পোলার আইসক্রিমের নতুন ভ্যারিয়েন্ট রোবাস্তো ও চকোলেট ফিনেস্তা
সংগৃহীত ছবি

দেশের অন্যতম উদ্ভাবনী আইসক্রিম ব্র্যান্ড পোলার তার দৃঢ় অবস্থানকে আরো সমৃদ্ধ করতে বাজারে নিয়ে এসেছে প্রিমিয়াম স্বাদের নতুন দুটি ভ্যারিয়েন্ট রোবাস্তো পিস্তা কুনাফা ও চকোলেট ফিনেস্তা। পোলার আইসক্রিম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দেশের মানুষকে বিশ্বমানের জনপ্রিয় স্বাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। প্রতিশ্রুতির সেই মাইলফলক স্পর্শ করতে পোলার  আইসক্রিম বাজার এনেছে দুবাইয়ের স্টাইলের বিখ্যাত রোবাস্তো পিস্তা কুনাফা। বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় দুবাই চকোলেট টেন্ড্রের রোবাস্তো পিস্তা কুনাফায় রিচ চকোলেট কোটিংয়ের আবরণে ক্রিমি পিস্তাচিও এবং ক্রিসপি কুনাফার টেক্সচার ভোক্তাকে নিয়ে যাবে অসাধারণ স্বাদের এক ভিন্ন জগতে। আর ১ লিটার টাবের চকোলেট ফিনেস্তা আইসক্রিম, চকোলেট লাভারদের মোহিত করবে চকোলেট ডাস্টের লেয়ার, রিচ চকোলেট ও প্রিমিয়াম কোয়ালিটির চকোলেট ক্রাম্বলে।

ঢাকার গুলশানে জমকালো এক অনুষ্ঠানে এই দুই নতুন ভ্যারিয়েন্টের শুভসূচনা ঘোষিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পোলার আইসক্রিম-এর চিফ অপারেটিং অফিসার শাহ্ মাসুদ ইমাম, হেড অব মার্কেটিং মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, হেড অব সেলস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন রাশেদ সরোয়ার, হেড অব এইচআর এন্ড আইটি কাজী সাইফুল ইসলাম, জিএম-ফ্যাক্টরি এন্ড  প্রোজেক্ট মোহাম্মাদ মইনুল ইসলাম, হেড অব সাপ্লাই চেইন সৈয়দ ইমতিয়াজ হোসেন, হেড অব প্ল্যান্ট অপারেশন মোহাম্মাদ ইফতেখার আহসান এবং হেড অব ইন্টারনাল অডিট নিজামুল ইসলামসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পোলার আইসক্রিম-এর চীফ অপারেটিং অফিসার শাহ্ মাসুদ ইমাম বলেন, ভোক্তাদের জন্য নতুন উদ্ভাবনকে পোলার আইসক্রিম সব সময় গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় পোলার ভোক্তাদের প্রিমিয়াম কোয়ালিটি ও বিশ্বমানের জনপ্রিয় স্বাদের সাথে পরিচিয় করাতে রোবাস্তো পিস্তা কুনাফা ও চকোলেট ফিনেস্তা বাজারে নিয়ে এসেছে।। শুধুমাত্র নতুন পণ্যই নয়, ভোক্তার সময়কে আনন্দময় করাই আমাদের পণ্যের লক্ষ্য। তিনি আরো বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করছি  প্রোডাক্টের মানোন্নয়ন নিয়ে কাজ করে ভোক্তার ক্রম পরিবর্তনশীল রুচি ও প্রত্যাশার সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বমানের স্বাদ ও প্রিমিয়াম কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে।

পোলারের এই উদ্যোগ ভোক্তার চাহিদাকেই প্রাধান্য দেয়। বিশ্বমানের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির অঙ্গীকারকে নিশ্চিত করে যা সারা দেশের আইসক্রিম প্রেমীদের জন্য অবশ্যই আনন্দের।

তেজগাঁওয়ে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তেজগাঁওয়ে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর তেজগাঁও-গুলশান লিংক সড়কের শান্তা পিনাকল টাওয়ারে ‘তেজগাঁও প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চ’ নামে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। এ উপলক্ষে রবিবার (১২ জুলাই) নতুন শাখা প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান আনুষ্ঠানিক শাখাটির উদ্বোধন করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শান্তা হোল্ডিংসের নির্বাহী পরিচালক (গ্রুপ ফাইন্যান্স) এম আনিসুল হক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) এম মাসুদ রানা, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের প্রধান শেখ মোহাম্মদ আশফাক, জ্যেষ্ঠ আঞ্চলিক প্রধান তাহের হাসান আল মামুন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের প্রথম ৪০তলা কমার্শিয়াল স্কাইস্ক্র্যাপার ‘শান্তা পিনাকল’-এ অবস্থিত নতুন শাখাটি গ্রাহকদের প্রিমিয়াম ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দেবে। এতে রয়েছে অত্যাধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সমাধান, যার মধ্যে অন্যতম ‘ব্যাচ’-এর সঙ্গে যুক্ত দেশের প্রথম ডিজিটাল ক্লিয়ারিং ‘চেক কিয়স্ক’। এ ছাড়া গ্রাহকের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য থাকছে সুসজ্জিত প্রিমিয়াম ব্যাংকিং লাউঞ্জ, আধুনিক কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং একটি ডেডিকেটেড ডিজিটাল কর্নার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি ও সিইও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির মাধ্যমে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় সুবিধাজনক ও গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়া। ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সঙ্গে উন্নত ডিজিটাল সক্ষমতার সমন্বয় ঘটিয়ে গ্রাহকদের আধুনিক ও সর্বোচ্চ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দিতে চাই।’

সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল
সংগৃহীত ছবি

সিটি ব্যাংক ও বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোনের মোট বিতরণ ১০ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ঋণসেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকে এই সেবার মাধ্যমে ৩৫ লাখ বিকাশ অ্যাপের গ্রাহক মোট ৩ কোটি ১৯ লাখ লোন অ্যাকাউন্টে এই ঋণ নিয়েছেন। দেখা যাচ্ছে প্রতিটি গ্রাহক গড়ে এই স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়েছেন নয়বারের বেশি, যা সেবাটির শক্তিশালী পুনর্ব্যবহার এবং ছোট অঙ্কের সহজলভ্য ঋণের ব্যাপারে জনগণের চাহিদার প্রতিফলন।

বর্তমানে এক কোটি ২০ লাখের বেশি যোগ্য বিকাশ গ্রাহকের জন্য এই ঋণ সুবিধা উন্মুক্ত রয়েছে। এসব গ্রাহকের অধিকাংশেরই আগে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল সীমিত এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগও ছিল খুব সামান্য বা একেবারেই না।

এখন যোগ্য গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপে এক মিনিটেরও কম সময়ে এই ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন। এ জন্য তাদের কোনো ব্যাংক শাখায় যেতে হচ্ছে না, কোনো কাগজপত্রও জমা দিতে হচ্ছে না। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপে সিটি ব্যাংকের এই ঋণ নিচ্ছেন। প্রতিটি ঋণের গড় পরিমাণ প্রায় তিন হাজার টাকা, আর মাসিক ঋণ বিতরণ পৌঁছেছে নয়শ কোটি টাকায়। এসব ঋণ তাৎক্ষণিক ও স্বল্পমেয়াদি প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, এর মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রয়োজন, পারিবারিক ব্যয়, চিকিৎসাজনিত জরুরি প্রয়োজন এবং শিক্ষা ব্যয় ইত্যাদি। 

সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় এ ঋণ পরিশোধের হার। মোট বিতরণ করা ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে খেলাপি ও অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ মাত্র ৫৩ কোটি টাকা বা ৫ শতাংশ। অর্থাৎ বিতরণকৃত ঋণের ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়মিতভাবে ব্যাংকে ফেরত এসেছে। 

সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিন জানান, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ যখন বড় উদ্বেগের বিষয়, তখন দেখা যাচ্ছে ছোট অঙ্কের ডিজিটাল ঋণে পোর্টফোলিওর মান ঈর্ষণীয় পর্যায়ের। এই ঘটনাটি থেকে পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্যই শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে।

ফ্রিডমের ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ী সম্মাননা ক্যারাভান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফ্রিডমের ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ী সম্মাননা ক্যারাভান

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নারী স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্র্যান্ড ফ্রিডম-এর বহুল আলোচিত মেগা কনজিউমার ক্যাম্পেইন ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ক্রেতা অংশগ্রহণ করেছেন উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ক্যাম্পেইনটি এখনও চলমান। তাই এখনও ফ্রিডম-এর নির্ধারিত প্যাক কিনে অংশ নিয়ে স্কুটি অথবা গোল্ডসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

নারীর স্বাস্থ্যসুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও ক্ষমতায়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ফ্রিডম। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষের আরো কাছে পৌঁছাতে এবং ক্যাম্পেইনের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে শুরু হয়েছে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যারাভান।

পুরো জুলাই মাসজুড়ে এই ক্যারাভান বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ভ্রমণ করবে। বিভিন্ন জনসমাগমস্থল, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ক্যাম্পেইনের প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি ভাগ্যবান স্কুটি বিজয়ীদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুটি হস্তান্তর করা হবে। 

এর মাধ্যমে একদিকে যেমন বিজয়ীদের আনন্দ আরও বিশেষ হয়ে উঠবে, তেমনি অন্যদিকে দেশের আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের বার্তা।

ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করাও খুবই সহজ। ফ্রিডম-এর নির্ধারিত প্যাক কিনে প্যাকের ওপর থাকা QR কোড স্ক্যান করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই স্কুটি অথবা গোল্ড জয়ের সুযোগ মিলবে।

তাই এখনও যদি অংশ না নিয়ে থাকেন, তাহলে সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। আর চোখ রাখুন ফ্রিডম-এর অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে—কারণ পুরো জুলাই মাসজুড়ে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যারাভান ঘুরে বেড়াবে দেশের বিভিন্ন জেলায়। কে জানে, পরবর্তী গন্তব্য হয়তো আপনার এলাকাই!