• ই-পেপার

পোলার আইসক্রিমের নতুন ভ্যারিয়েন্ট রোবাস্তো ও চকোলেট ফিনেস্তা

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ শুরু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ শুরু
সংগৃহীত ছবি

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে শুরু হয়েছে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬। পাঁচটি অনুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগে ২৯টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অ্যাডমিশন ফেয়ার উপলক্ষ্যে ভর্তি নিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি। অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ চলাকালে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীরা পাবে অ্যাডমিশন ফির ওপরে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট এবং ফ্রি অ্যাডমিশন ফরম। অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬ শুভ উদ্বোধন করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফারাহনাজ ফিরোজ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হাসান, প্রক্টর ও অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় আচার্য্য, রেজিস্ট্রার মুহাম্মাদ আবদুল মতিন, অ্যাডমিশন ফেয়ারের কনভেনর ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন, জনসংযোগ ডিভিশনের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক ও অ্যাডমিশন বিভাগের প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) আশিক মাহমুদ। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ভর্তির জন্য সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অ্যাডমিশন অফিস (৫১ সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা ক্যাম্পাসে)। পাশাপাশি ভর্তি তথ্য জানার জন্য এবং অনলাইনে ভর্তির আবেদন করতে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ওয়েবসাইট www.stamforduniversity.edu.bd ভিজিট করতে পারেন এবং ০৯৬১৩-৬২২৬২২ এই নম্বরে সরাসরি ভর্তি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদান, নির্মাণাধীন স্থায়ী ক্যাম্পাস, (স্বল্প পরিসরে ক্লাস শুরু হয়েছে) আধুনিক ও ডিজিটালাইজড ক্লাসরুম, ফ্রি ইন্টারনেটের সুব্যবস্থা, উন্নতমানের ল্যাব, স্টুডেন্ট জোন, প্লে গ্রাউন্ড, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট তৈরির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি জনপ্রিয়তার শীর্ষে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে।

অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার ২০২৬-এ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা উন্নত এবং বিশ্বমানের ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নিম্নোক্ত আধুনিক, যুগোপযোগী ও গবেষণাধর্মী প্রোগ্রামগুলোতে ভর্তি হতে পারেন।

প্রোগ্রামগুলো হলো— ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার, বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, এমএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, মাস্টার ইন কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ব্যাচেলর অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, এমএসসি ইন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, বিএসসি ইন মাইক্রোবায়োলজি, এমএস ইন মাইক্রোবায়োলজি, ব্যাচেলর অব ফার্মেসি, মাস্টার অব ফার্মেসি, ব্যাচেলর অব ল, মাস্টার অব ল, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

মাস্টার অব সায়েন্স ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ইংলিশ, মাস্টার অব আর্টস ইন ইংলিশ, মাস্টার অব আর্টস ইন ইংলিশ (প্রিলিমিনারি ও ফাইনাল), বিএসএস ইন ইকোনমিকস, এমএসএস ইন ইকোনমিকস, বিএসএস ইন জার্নালিজম ফর ইলেকট্রনিক অ্যান্ড প্রিন্ট মিডিয়া, এমএসএস ইন জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ, ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া, মাস্টার অব আর্টস ইন ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া, ব্যাচেলর অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মাস্টার অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

এছাড়া ইউজিসির অনুমোদিত প্রোগ্রাম থিয়েটার স্টাডিজ, অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, স্টামফোর্ড ইনস্টিটিউট অন অ্যাডিকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের অধীনে মাস্টার অব অ্যাডিকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন স্টাডিজ প্রোগ্রামটি চালু করা হচ্ছে। এছাড়া, জাপানি ল্যাংগুয়েজ কোর্স, স্পোকেন ইংলিশ কোর্স, ইন্ট্রোডাকশন অব ইংলিশ অ্যান্ড বাংলা (বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য) কোর্স এবং আইইএলটিএস কোর্সে ভর্তি নিচ্ছে এই ইউনিভার্সিটি।

ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শতভাগ পর্যন্ত স্কলারশিপের সুযোগ দিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।

তেজগাঁওয়ে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তেজগাঁওয়ে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর তেজগাঁও-গুলশান লিংক সড়কের শান্তা পিনাকল টাওয়ারে ‘তেজগাঁও প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চ’ নামে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। এ উপলক্ষে রবিবার (১২ জুলাই) নতুন শাখা প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান আনুষ্ঠানিক শাখাটির উদ্বোধন করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শান্তা হোল্ডিংসের নির্বাহী পরিচালক (গ্রুপ ফাইন্যান্স) এম আনিসুল হক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) এম মাসুদ রানা, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের প্রধান শেখ মোহাম্মদ আশফাক, জ্যেষ্ঠ আঞ্চলিক প্রধান তাহের হাসান আল মামুন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের প্রথম ৪০তলা কমার্শিয়াল স্কাইস্ক্র্যাপার ‘শান্তা পিনাকল’-এ অবস্থিত নতুন শাখাটি গ্রাহকদের প্রিমিয়াম ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দেবে। এতে রয়েছে অত্যাধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সমাধান, যার মধ্যে অন্যতম ‘ব্যাচ’-এর সঙ্গে যুক্ত দেশের প্রথম ডিজিটাল ক্লিয়ারিং ‘চেক কিয়স্ক’। এ ছাড়া গ্রাহকের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য থাকছে সুসজ্জিত প্রিমিয়াম ব্যাংকিং লাউঞ্জ, আধুনিক কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং একটি ডেডিকেটেড ডিজিটাল কর্নার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি ও সিইও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির মাধ্যমে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় সুবিধাজনক ও গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়া। ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সঙ্গে উন্নত ডিজিটাল সক্ষমতার সমন্বয় ঘটিয়ে গ্রাহকদের আধুনিক ও সর্বোচ্চ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দিতে চাই।’

সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল
সংগৃহীত ছবি

সিটি ব্যাংক ও বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোনের মোট বিতরণ ১০ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ঋণসেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকে এই সেবার মাধ্যমে ৩৫ লাখ বিকাশ অ্যাপের গ্রাহক মোট ৩ কোটি ১৯ লাখ লোন অ্যাকাউন্টে এই ঋণ নিয়েছেন। দেখা যাচ্ছে প্রতিটি গ্রাহক গড়ে এই স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়েছেন নয়বারের বেশি, যা সেবাটির শক্তিশালী পুনর্ব্যবহার এবং ছোট অঙ্কের সহজলভ্য ঋণের ব্যাপারে জনগণের চাহিদার প্রতিফলন।

বর্তমানে এক কোটি ২০ লাখের বেশি যোগ্য বিকাশ গ্রাহকের জন্য এই ঋণ সুবিধা উন্মুক্ত রয়েছে। এসব গ্রাহকের অধিকাংশেরই আগে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল সীমিত এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগও ছিল খুব সামান্য বা একেবারেই না।

এখন যোগ্য গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপে এক মিনিটেরও কম সময়ে এই ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন। এ জন্য তাদের কোনো ব্যাংক শাখায় যেতে হচ্ছে না, কোনো কাগজপত্রও জমা দিতে হচ্ছে না। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপে সিটি ব্যাংকের এই ঋণ নিচ্ছেন। প্রতিটি ঋণের গড় পরিমাণ প্রায় তিন হাজার টাকা, আর মাসিক ঋণ বিতরণ পৌঁছেছে নয়শ কোটি টাকায়। এসব ঋণ তাৎক্ষণিক ও স্বল্পমেয়াদি প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, এর মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রয়োজন, পারিবারিক ব্যয়, চিকিৎসাজনিত জরুরি প্রয়োজন এবং শিক্ষা ব্যয় ইত্যাদি। 

সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় এ ঋণ পরিশোধের হার। মোট বিতরণ করা ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে খেলাপি ও অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ মাত্র ৫৩ কোটি টাকা বা ৫ শতাংশ। অর্থাৎ বিতরণকৃত ঋণের ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়মিতভাবে ব্যাংকে ফেরত এসেছে। 

সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিন জানান, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ যখন বড় উদ্বেগের বিষয়, তখন দেখা যাচ্ছে ছোট অঙ্কের ডিজিটাল ঋণে পোর্টফোলিওর মান ঈর্ষণীয় পর্যায়ের। এই ঘটনাটি থেকে পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্যই শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে।

ফ্রিডমের ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ী সম্মাননা ক্যারাভান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফ্রিডমের ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ী সম্মাননা ক্যারাভান

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নারী স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্র্যান্ড ফ্রিডম-এর বহুল আলোচিত মেগা কনজিউমার ক্যাম্পেইন ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ক্রেতা অংশগ্রহণ করেছেন উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ক্যাম্পেইনটি এখনও চলমান। তাই এখনও ফ্রিডম-এর নির্ধারিত প্যাক কিনে অংশ নিয়ে স্কুটি অথবা গোল্ডসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

নারীর স্বাস্থ্যসুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও ক্ষমতায়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ফ্রিডম। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষের আরো কাছে পৌঁছাতে এবং ক্যাম্পেইনের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে শুরু হয়েছে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যারাভান।

পুরো জুলাই মাসজুড়ে এই ক্যারাভান বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ভ্রমণ করবে। বিভিন্ন জনসমাগমস্থল, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ক্যাম্পেইনের প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি ভাগ্যবান স্কুটি বিজয়ীদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুটি হস্তান্তর করা হবে। 

এর মাধ্যমে একদিকে যেমন বিজয়ীদের আনন্দ আরও বিশেষ হয়ে উঠবে, তেমনি অন্যদিকে দেশের আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের বার্তা।

ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করাও খুবই সহজ। ফ্রিডম-এর নির্ধারিত প্যাক কিনে প্যাকের ওপর থাকা QR কোড স্ক্যান করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই স্কুটি অথবা গোল্ড জয়ের সুযোগ মিলবে।

তাই এখনও যদি অংশ না নিয়ে থাকেন, তাহলে সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। আর চোখ রাখুন ফ্রিডম-এর অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে—কারণ পুরো জুলাই মাসজুড়ে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যারাভান ঘুরে বেড়াবে দেশের বিভিন্ন জেলায়। কে জানে, পরবর্তী গন্তব্য হয়তো আপনার এলাকাই!