• ই-পেপার

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় লাফ

সরকারকে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারকে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সই এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি আরো জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। এ পরিস্থিতিতে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সইসহ বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরো সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি ও বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করতে হবে।

বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য খাতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থাকে সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিসিসিআই সভাপতি।

জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, আফ্রিকাসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি মনে করেন, এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

তিনি আরো বলেন, আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, ফলমূল, সিরামিকসহ বিভিন্ন পণ্যের উল্লেখযোগ্য বাজার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সুযোগ কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরো সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগ) ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন উপস্থিত ছিলেন।

এক দিনেই শেয়ার কিনে আবার বিক্রি করা যাবে

অনলাইন ডেস্ক
এক দিনেই শেয়ার কিনে আবার বিক্রি করা যাবে

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) ইন্ট্রা-ডে ট্রেডিং বা আন্তঃদৈনিক লেনদেন চালুর অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর ফলে একই দিনে শেয়ার কিনে আবার সেদিনই বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো আবুল কালামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তবে এই প্রক্রিয়া চালু হতে কিছুটা সময় লাগবে। বেশ কিছু শর্ত সাপেক্ষে এই প্রক্রিয়ায় শেয়ার দিনে দিনে লেনদেন করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন ব্যবস্থাকে অধিকতর গতিশীল, দক্ষ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে স্ক্রিপ নেটিং বা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিশ্চিত সাপেক্ষে স্টক এক্সচেঞ্জ দুটিকে সম্মতি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বর্তমানে টি+২ সেটলমেন্ট সাইকেল বা নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া কার্যকর রয়েছে। এ কারণে এত দিন শেয়ার কিনে বিক্রির জন্য দুই কর্মদিবস সময় লাগত। জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনে বিক্রির জন্য সময় লাগত মোট তিন কর্মদিবস।

সোনার দামে টানা পতন, দুই দফায় ভরিতে কমল কত টাকা?

নিজস্ব প্রতিবেদক
সোনার দামে টানা পতন, দুই দফায় ভরিতে কমল কত টাকা?
সংগৃহীত ছবি

দেশের বাজারে টানা কয়েক দফা ওঠানামার পর অবশেষে সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সর্বশেষ পাঁচবারের দাম সমন্বয়ে চারবারই কমানো হয়েছে মূল্যবান ধাতুটির দাম।

যার মধ্যে সর্বশেষ টানা দুই দফায় ভরিতে মোট ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (১৩ জুলাই) দাম কমানোর পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে দ্বিতীয় দফায় নতুন করে ভরিতে আরো ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমল। যা সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। সোনার অলঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

এর আগে সর্বশেষ সোমাবার সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯১ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৪৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৬ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২৮ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

সবুজ সনদ পেল আরো ৪ কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সবুজ সনদ পেল আরো ৪ কারখানা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারাবাহিকতায় আরো চারটি কারখানা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবুজ ভবন সনদ অর্জন করেছে। এ নিয়ে দেশে সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা এখন ২৯০টি। এর মধ্যে ১২৫টি প্লাটিনাম, ১৪৫টি গোল্ড, আর বাকিগুলো সিলভার ও সার্টিফায়েড পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শীর্ষ ১০০ সবুজ কারখানার মধ্যে বাংলাদেশের কারখানার সংখ্যা বেড়ে ৫৩টিতে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তৈরি পোশাক খাতে শিশু সংগঠন বিজিএমই এ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
 
নতুন সনদপ্রাপ্ত চারটি কারখানার মধ্যে দুটি প্লাটিনাম, একটি গোল্ড এবং একটি সিলভার মান অর্জন করেছে।

চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড বিদ্যমান ভবন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংস্করণ ৪.১ মানদণ্ডে ৯০ নম্বর পেয়ে প্লাটিনাম সনদ অর্জন করেছে। একই মানদণ্ডে গাজীপুরের চয়দানা এলাকার ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড ৮৮ নম্বর পেয়ে প্লাটিনাম সনদ লাভ করেছে।

অন্যদিকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৩ নম্বর পেয়ে গোল্ড সনদ অর্জন করেছে। ঢাকার ধামরাইয়ের করিম টেক্স লিমিটেড ৫৩ নম্বর পেয়ে সিলভার সনদ লাভ করেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে এখন শুধু প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নয়, পরিবেশবান্ধব উৎপাদনও ক্রেতাদের অন্যতম প্রধান শর্তে পরিণত হয়েছে। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো কারখানার জ্বালানি দক্ষতা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

গত এক দশকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে সবুজ বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার কারণে দেশের কারখানাগুলো ধারাবাহিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করছে।

শিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, সবুজ সনদ শুধু পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি নয়; এটি আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায় এবং বড় ব্র্যান্ডগুলোর কাছে আস্থা তৈরি করে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার কমিয়ে উৎপাদন ব্যয়ও হ্রাস করে, যা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা এনে দেয়।

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানা বাংলাদেশে অবস্থিত। বিশ্বের শীর্ষ ১০০ সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত সবুজ কারখানার মধ্যে ৫৩টি বাংলাদেশের হওয়া দেশের টেকসই শিল্পায়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সক্ষমতা আরো বাড়াবে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করবে।