• ই-পেপার

আন্ত মন্ত্রণালয় সভা

বন্যা মোকাবেলায় সমন্বিতভাবে কাজের আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট প্রকাশ কবে?

অনলাইন ডেস্ক
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট প্রকাশ কবে?
সংগৃহীত ছবি

নতুন অর্থবছর শুরু হলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেলের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি। ফলে বেতন বৃদ্ধি, ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন, ভাতা সংযোজন ও অবসর-সুবিধা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা। সব কিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হতে পারে, যদিও নতুন বেতন কাঠামোর কার্যকারিতা ১ জুলাই থেকেই গণনা করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়াটি মূলত সরকারের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কারিগরি রূপরেখা প্রণয়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের হাই-প্রোফাইল সচিব কমিটি বর্তমানে এই গেজেট চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

পে স্কেলের গেজেট বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত হয়। প্রথমে বেতন কমিশন ও সচিব কমিটি সুপারিশ তৈরি করে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় এটি পর্যালোচনা করে। এরপরের ধাপে মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। সবশেষে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং বা আইনি যাচাই শেষে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে নানা ধরনের জটিলতায় এর গেজেট প্রকাশ পিছিয়ে যাচ্ছে। যদিও সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী জুলাই থেকেই এটি বাস্তবায়ন হবে। বেতন কমিশনের সুপারিশ, সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রভাব এবং ভাতা কাঠামো—সবকিছু সমন্বয় করতে গিয়েই জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এটি কোনো নীতিগত বিলম্ব নয়; বরং প্রশাসনিক, আর্থিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই সময় লাগছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আর্থিক সংকটের কারণে পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া পে স্কেলের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়নের সুযোগ দেখছে না সরকার। রাজস্ব আয়ের চাপ, বাজেট ঘাটতি, ঋণ পরিশোধের দায় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় প্রস্তাবিত কাঠামোর বিভিন্ন অংশ পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ কয়েকটি ভাতা ও সুযোগ-সুবিধায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সরকারের নীতিগত অবস্থান হলো, নবম পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে ১ জুলাই থেকে। ফলে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হলে ওই তারিখ থেকেই বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয় করা হবে।

চলতি অর্থবছরে মূল বেতন কার্যকর করা হতে পারে। এরপর আগামী অর্থবছরের শুরুতে বাড়িভাড়া এবং একই অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া সচিব কমিটির আলোচনায় গ্রেড ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত কর্মচারীদের মূল বেতন ও ভাতা তুলনামূলক বেশি এবং গ্রেড ১ থেকে ১০ পর্যন্ত কম হারে বৃদ্ধির সুপারিশের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এর আগে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ থাকলেও বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতির কারণে তা পুরোপুরি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সফটওয়্যার হালনাগাদ, হিসাবরক্ষণ, পেনশন পুনর্নির্ধারণ এবং বেতন সমন্বয়সহ বেশ কিছু প্রযুক্তিগত জটিলতাও রয়েছে। এসব বিষয় কিভাবে সহজ করা যায়, তা নিয়েও কাজ করছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি।

প্রবাসীদের হয়রানি কমাতে আন্ত মন্ত্রণালয় কমিটি হচ্ছে : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রবাসীদের হয়রানি কমাতে আন্ত মন্ত্রণালয় কমিটি হচ্ছে : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

বিদেশে পাসপোর্ট নবায়নে নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে জাতীয় সংসদে। জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে পাসপোর্ট নবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা এবং দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে হয়রানির অভিযোগ দূর করতে আন্ত মন্ত্রণালয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে দ্রুতই এ কমিটি গঠন করা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনায় এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত নোটিশ উত্থাপন করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীরা বিদেশে পাসপোর্ট নবায়নে দীর্ঘ অপেক্ষা, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য, অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের দাবি এবং দেশে ফিরে বিমানবন্দরে লাগেজ চুরি ও কাস্টমসের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈধ পথে ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই অর্জনের পেছনে প্রবাসী শ্রমিকদের নানা ত্যাগ ও দুর্ভোগ রয়েছে। ২০২৪ সালে ৪ হাজার ৮১৩ জন প্রবাসীর মরদেহ দেশে এসেছে। আর ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩৮ হাজার প্রবাসী শ্রমিকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

জবাবে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, পাসপোর্ট নবায়নের বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভিসাসংক্রান্ত বিষয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিমানবন্দরের সেবার বিষয়টি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। তবে প্রবাসীদের সেবা সহজ করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন, বিদেশে মৃত্যুবরণকারী নিবন্ধিত কর্মীদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের মাধ্যমে দাফন ও পরিবহন ব্যয় হিসেবে তাৎক্ষণিক ৩৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩১২টি পরিবারকে এ বাবদ ১৮ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পাঁচটি অ্যাম্বুল্যান্সের মাধ্যমে বিনা খরচে মরদেহ ও অসুস্থ প্রবাসীদের পরিবহনসেবা দেওয়া হচ্ছে। নিবন্ধিত প্রবাসীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারকে ৩ লাখ টাকা এবং গুরুতর অসুস্থদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবাসীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর ওপর নিয়মিত নজরদারি এবং অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্পূরক প্রশ্নে এমপি রুমিন ফারহানা বিদেশগামী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানো ও অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা রোধে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চান। জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং প্রবাসীদের পাসপোর্ট, ভিসা ও মেডিকেল সংক্রান্ত সেবা সহজ করতে একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে। এ ছাড়া এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে একটি আন্ত মন্ত্রণালয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ব্যক্তিগত বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যক্তিগত বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি : শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, তার ব্যক্তিগত মন্তব্যে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন। তিনি বলেন, আমি কাউকে উদ্দেশ্য করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। 

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি আরো বলেন, পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবনের দিকে এসেছিল। সোমবার পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার সময় বৃষ্টির কারণে অনেক শিক্ষার্থী ভিজে যায় এবং কেউ কেউ স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারেনি। পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি আসে। এরই মধ্যে চট্টগ্রামের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে এবং সেগুলো পুনরায় নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

পরীক্ষা স্থগিতের দাবিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর একটি ফোনালাপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানীর সিটি কলেজের এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক হোয়াটসঅ্যাপে মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। পরে সেই কথোপকথনের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ভিডিওতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলো তো ফার্মের মুরগি। একটু বৃষ্টিতে ভিজলেই জ্বর চলে আসে।’ 

মন্তব্যটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকে আপত্তি করেছেন। আমি কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু বলতে চাইনি। যদি কেউ আহত হয়ে থাকেন, আমি সিম্পলি দুঃখ প্রকাশ করছি।

চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার
সংগৃহীত ছবি

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই সারা দেশে ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশব্যাপী সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করে আধুনিক ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের পক্ষে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় দেশের ৪৪ জেলার ৫৫ উপজেলায় তিন ধাপে ৫৬টি ইউনিটে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৬৯ হাজার ৩৮৭টি নারী-প্রধান পরিবারের নামে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের শুরুতেই সারা দেশে সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করা হবে। এর আওতায় ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। শুমারির তথ্যের ভিত্তিতে প্রক্সি মিনস টেস্ট স্কোর ব্যবহার করে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এ লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নির্দেশিকা, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশের জন্য মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা-১৮ আসনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইলট পর্যায়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কড়াইল, সাততলা, ভাষানটেক, অলিমিয়ার টেক ও বাগানবাড়ী বস্তি এলাকার (১৯, ৮ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের) কিছু অংশে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উত্তরা ও সংলগ্ন এলাকায় পরিবার শুমারি শেষে চলতি অর্থবছরেই ব্যাপকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। শুমারি শেষ হলে ওয়ার্ডভিত্তিক উপকারভোগীদের তালিকাও সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দপ্তরে সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতেই ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।