• ই-পেপার

এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের দুই প্রশ্ন ভুলের অভিযোগ, ব্যাখ্যা দিল আন্ত শিক্ষা বোর্ড

সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় ঢাবির জলাবদ্ধ মাঠে মাছ ছাড়লেন ডাকসু নেতারা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় ঢাবির জলাবদ্ধ মাঠে মাছ ছাড়লেন ডাকসু নেতারা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা এবং সংস্কার কাজে প্রশাসনের অবহেলার প্রতিবাদে জলাবদ্ধ মাঠে দেশীয় মাছ অবমুক্ত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা।

সোমবার (১৩ জুলাই) এই প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

ডাকসু নেতাদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে ২ কোটি টাকার অর্থায়ন নিশ্চিত করা হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রিতা ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অসহযোগিতার কারণে এখনো সেই সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। অর্থ বরাদ্দ থাকার পরও কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

নেতৃবৃন্দ জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে পানি জমে থাকে এবং তা নিষ্কাশন না হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে মাঠটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থীর খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন নিয়মিতভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

কর্মসূচিতে ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের পর আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উদ্যোগ ছিল কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কার এবং মেয়েদের জন্য একটি আধুনিক জিমনেসিয়াম স্থাপন। উভয় প্রকল্পের জন্যই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা ও অসহযোগিতার কারণে কোনো প্রকল্পই বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। বিসিবি থেকে মাঠ সংস্কারের জন্য দুই কোটি টাকা আনার পরও সেই অর্থ ব্যবহার করে কাজ শুরু করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অবিলম্বে সংস্কার কাজ শুরু করা প্রয়োজন।’

এসময় অবিলম্বে মাঠের সংস্কারকাজ শুরু, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং শিক্ষার্থীবান্ধব উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে প্রশাসনিক অসহযোগিতা বন্ধের দাবি জানান ছাত্রপ্রতিনিধিরা। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

প্রতীকী এই কর্মসূচিতে ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসীম, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, বিজ্ঞান সম্পাদক ইকবাল হায়দার, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবিব ইমরোজ, ফজলুল হক হল সংসদের জিএস ইমামুল হাসান, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল সংসদের জিএস তাওকির হাসান, বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ, এজিএস ইমরান হোসেনসহ বিভিন্ন হল সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।

ঢাবির জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসি প্রশাসকের আশ্বাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসি প্রশাসকের আশ্বাস
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল’ ও ‘শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’ পরিদর্শন শেষে এই আশ্বাস দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে ছাত্রদল ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ডিএসসিসি প্রশাসকের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে উল্লিখিত দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।

ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট ও শাহনেওয়াজ হল ছাত্রাবাস সংলগ্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে এক থেকে দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে আগামী বর্ষা মৌসুম থেকেই এর সুফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে অতিবৃষ্টিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তাৎক্ষণিক পাম্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে এবং হল সংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্যতা যাচাই করে একটি পাম্পিং স্টেশন ও একটি সাব-পাওয়ার স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মশা নিধনে ওই দুই হলে দুটি ফগার মেশিন সরবরাহ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার কথাও জানান তিনি। একইসঙ্গে হলের সামনে থেকে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত যানজট নিরসনেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন ডিএসসিসি প্রশাসক।

পরিদর্শন শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম ডেঙ্গুসহ পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেন।


 

বিরূপ আবহাওয়ায় কেন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা, ব্যাখ্যা দিল আন্ত শিক্ষা বোর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিরূপ আবহাওয়ায় কেন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা, ব্যাখ্যা দিল আন্ত শিক্ষা বোর্ড
সংগৃহীত ছবি

চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিরূপ আবহাওয়া সত্ত্বেও কেন পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সোমবার (১৩ জুলাই) কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্ভূত উদ্বেগ ও প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

Education

শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা নিরাপদে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে না পারায় স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) মতামতের ভিত্তিতে শুধু চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের অধিকাংশ পরীক্ষা কেন্দ্র কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার সকালে খারাপ আবহাওয়ার কারণে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রসহ কিছু কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সাময়িক ভোগান্তি হলেও স্থানীয় প্রশাসন, অভিভাবক ও কেন্দ্র কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছেন।

বোর্ড সমন্বয় কমিটি উল্লেখ করেছে, ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং শিক্ষাজীবনের কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত। পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে ফলাফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় একটি বোর্ডের সমস্যার কারণে সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত রাখা বাস্তবসম্মত নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, কোনো অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বা পরীক্ষা গ্রহণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি) পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত বা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।

শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পাশাপাশি বিরূপ আবহাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে পরীক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মেস ভাড়ার নামে প্রতারণা, টার্গেট নোবিপ্রবির নবীন শিক্ষার্থীরা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
মেস ভাড়ার নামে প্রতারণা, টার্গেট নোবিপ্রবির নবীন শিক্ষার্থীরা
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর মেস খোঁজার সুযোগকে কেন্দ্র করে নবীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয়ে যোগাযোগ করে মেসের সিট বুকিংয়ের কথা বলে অগ্রিম টাকা নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতারকরা প্রথমে ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি থেকে নিজেদের নোবিপ্রবির শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করে। পরে বিভিন্ন মেসের ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে নির্দিষ্ট কক্ষ বা সিট বুকিংয়ের আশ্বাস দিয়ে অগ্রিম টাকা দাবি করে। টাকা পাঠানোর পরই তারা সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়া এক শিক্ষার্থী। তিনি জানান, ‘Sobnom Mustariya’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ওই ব্যক্তি নিজেকে নোবিপ্রবির ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে মেস খুঁজে দেওয়ার আশ্বাস দেন। একপর্যায়ে তিনি মেস পরিচালনার দায়িত্বে থাকা একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

পরে ওই শিক্ষার্থী মো. শরিফুল পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি নিজেকে একটি মেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে একটি সিট নিশ্চিত করার জন্য এক হাজার টাকা অগ্রিম পাঠাতে বলেন।

ভর্তি-সংক্রান্ত ব্যস্ততা ও আবাসনের প্রয়োজনীয়তার কারণে ওই শিক্ষার্থী নির্ধারিত অর্থ পাঠিয়ে দেন। তবে টাকা পাঠানোর পরই ফেসবুক আইডি ও মোবাইল নম্বর—উভয় মাধ্যম থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের মতে, ভর্তি মৌসুমে নবীন শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে এ ধরনের প্রতারণার ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তির পরিচয় যাচাই ছাড়া কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি মেস ভাড়া বা আবাসন-সংক্রান্ত বিষয়ে বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থী অথবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ. এফ. এম. আরিফুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এ বিষয়ে সুধারাম থানার সঙ্গে যোগাযোগ করব। নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আরো সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এদিকে, সুধারাম থানার ইন্সপেক্টর (সাইবার) মো. ইদ্রিস বলেন, ‘এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন আশ্বাসের পরও শিক্ষার্থীদের দাবি, ভর্তি মৌসুমে এ ধরনের প্রতারণা ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার এবং নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ভরযোগ্য আবাসন-সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।