• ই-পেপার

মেস ভাড়ার নামে প্রতারণা, টার্গেট নোবিপ্রবির নবীন শিক্ষার্থীরা

বিরূপ আবহাওয়ায় কেন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা, ব্যাখ্যা দিল আন্ত শিক্ষা বোর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিরূপ আবহাওয়ায় কেন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা, ব্যাখ্যা দিল আন্ত শিক্ষা বোর্ড
সংগৃহীত ছবি

চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিরূপ আবহাওয়া সত্ত্বেও কেন পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সোমবার (১৩ জুলাই) কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্ভূত উদ্বেগ ও প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

Education

শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা নিরাপদে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে না পারায় স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) মতামতের ভিত্তিতে শুধু চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের অধিকাংশ পরীক্ষা কেন্দ্র কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার সকালে খারাপ আবহাওয়ার কারণে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রসহ কিছু কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সাময়িক ভোগান্তি হলেও স্থানীয় প্রশাসন, অভিভাবক ও কেন্দ্র কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছেন।

বোর্ড সমন্বয় কমিটি উল্লেখ করেছে, ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং শিক্ষাজীবনের কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত। পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে ফলাফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় একটি বোর্ডের সমস্যার কারণে সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত রাখা বাস্তবসম্মত নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, কোনো অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বা পরীক্ষা গ্রহণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি) পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত বা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।

শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পাশাপাশি বিরূপ আবহাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে পরীক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধিভুক্ত সব দাওরায়ে হাদিস মাদরাসার জন্য পরীক্ষার নিবন্ধন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে মাদরাসার মুহতামিম, দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং পরীক্ষার্থীদের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সানাবিয়্যা (উলয়া/সানাবিয়্যা) এবং ফজিলতের নম্বরপত্র ও ফলাফল তালিকায় নাম, পিতার নাম, মাতার নাম এবং জন্ম তারিখ হুবহু এক ও অভিন্ন থাকতে হবে। কোনো ধরনের অমিল থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে এবং নিবন্ধনের সময় সংশোধিত নম্বরপত্র আপলোড করতে হবে।

এ ছাড়া প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাদের এসব পরিচয়পত্র নেই, তাদের দ্রুত জন্ম নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিবন্ধনের সময় তা আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনের সময় ছাত্রীদের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও শাহাদাত (তর্জনী) আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোতে ওই ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই করা হবে।

এ কারণে প্রতিটি মহিলা মাদরাসা ও মারকায (পরীক্ষাকেন্দ্র) কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে ZKTeco SLK20R (বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার) ডিভাইস সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আল-হাইআতুল উলয়া কর্তৃপক্ষ বলেছে, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

জবি সাংবাদিকতা বিভাগের ‘ফ্যাক্ট চেকিং ডিজিটাল ল্যাব’ উদ্বোধন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জবি সাংবাদিকতা বিভাগের ‘ফ্যাক্ট চেকিং ডিজিটাল ল্যাব’ উদ্বোধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ‘ফ্যাক্ট চেকিং ডিজিটাল ল্যাব’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন প্রধান অতিথি হিসেবে ল্যাবটির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘ফ্যাক্ট-চেকিং ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, তথ্য যাচাই (ফ্যাক্ট-চেকিং), ডিজিটাল সাংবাদিকতা এবং গবেষণাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা কার্যক্রম ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সমসাময়িক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও দক্ষ ও প্রস্তুত হয়ে উঠবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লোভ দেখানো চুক্তি থেকে দূরে থাকি। গত এপ্রিল মাসে চুক্তি করেছি, আর আজ সেই চুক্তির বাস্তবায়ন হিসেবে ল্যাব উদ্বোধন করতে পেরে সত্যিই আনন্দিত। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।”সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকতা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। তাই এই পেশায় এসে শুধু নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করলেই চলবে না; ইতিবাচক ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদকেও গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতিটি সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই ফ্যাক্ট-চেক করতে হবে। অপসাংবাদিকতা থেকে বেরিয়ে এসে একজন আদর্শ সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। সমালোচনা অবশ্যই করতে হবে, তবে তা যেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে দোষারোপ করার জন্য না হয়।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, ‘তোমরা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের কল্যাণে কাজ করবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চেতনাকে ধারণ করে সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে হবে।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শেখ মো. গিয়াস উদ্দিন এবং ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই)-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান। এছাড়া বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআরডিআইয়ের মধ্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ল্যাব সমৃদ্ধকরণের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির আওতায় এমআরডিআই বিভাগটিকে ৮টি ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং একটি এসি প্রদান করেছে।

প্রাথমিকে প্লে-ল্যাব ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হবে : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিকে প্লে-ল্যাব ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হবে : ববি হাজ্জাজ
সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ‘ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (STEM) শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার ভিত্তি তৈরি করতে খেলার মাধ্যমে শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক এবং এলইজিও ফাউন্ডেশন আয়োজিত  ‘সাস্টেইনিং, প্লে, লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ইন হিউম্যানিটারিয়ান কনটেক্সট (স্প্ল্যাশ) কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘অঙ্কভীতি নয়, বিজ্ঞান হোক ভবিষ্যতের পরিচয়। প্রাথমিক থেকেই STEM-ভিত্তিক ও খেলার মাধ্যমে শেখার শিক্ষা চালু করে বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ে তোলা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে শিক্ষাই হবে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ, আর সেই বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন করে, যা একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই প্রাথমিক থেকেই শিক্ষার্থীদের STEM বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বেছে নিতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ব্র্যাক, লেগো এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের বাস্তবায়িত প্লে-বেইজড শিক্ষা কার্যক্রম সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এসব কার্যক্রমের সফল মডেল মূল্যায়ন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে-ল্যাব ও STEM ল্যাব চালুর সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কয়েক শ বিদ্যালয়ে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার শুধু সরকারি বিদ্যালয় নয়, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদরাসাসহ সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম শিক্ষার মান নির্ধারণে কাজ করছে। শিক্ষক, পাঠ্যক্রম, অবকাঠামো ও শিক্ষার গুণগত মান সব ক্ষেত্রেই একটি জাতীয় মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শেখার অর্জন এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সরকার শিক্ষা সংস্কার, যুগোপযোগী কারিকুলাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, প্লে-বেইজড লার্নিং এবং STEM-ভিত্তিক শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। 

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ,ব্র‍্যাক সহ বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।