• ই-পেপার

এলডিসির মসৃণ উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

ব্যাংক-শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের সফল উদ্যোক্তা শওকত আলী চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
ব্যাংক-শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের সফল উদ্যোক্তা শওকত আলী চৌধুরী
শওকত আলী চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি

দেশের ব্যাংকিং ও শিল্প খাতের অন্যতম সফল ব্যক্তিত্ব, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান শওকত আলী চৌধুরী দেশে-বিদেশে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। দেশীয় অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তার অবদান সর্বজনস্বীকৃত। এ ছাড়া তিনি ধারাবাহিকভাবে গত ১১ বছর ধরে দেশের সর্বোচ্চ করদাতা (সেরা করদাতা) হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়ে আসছেন।

​তার ঘনিষ্ঠজন ও ব্যবসা সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি চক্রান্তকারী মহল তার এই বিশাল সুনাম ক্ষুণ্ন এবং দেশের ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নস্যাৎ করতে বিভিন্ন মাধ্যমে অসত্য, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তার বিরুদ্ধে আনা অর্থ পাচারের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তার ট্যাক্স ফাইলে বিদেশে পরিচালিত বৈধ ব্যবসার স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে এবং তিনি শতভাগ নিয়মতান্ত্রিকভাবে ট্যাক্স পরিশোধ করছেন। বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী যখন দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি, কর্মসংস্থান ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন, তখন এমন একজন সফল ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার দেশের অর্থনীতির জন্যই ক্ষতিকর বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

​বহুমাত্রিক ব্যবসায়িক অবদান

ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি শওকত আলী চৌধুরী শিপ রিসাইক্লিং, লজিস্টিকস, রিয়েল এস্টেট, চা শিল্প, বীমা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পরিচালনা করছেন, যা জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঘনিষ্ঠজনরা। তারা বলেন, শওকত আলী চৌধুরী দীর্ঘ বছর ধরে সততা-নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। 

​ইস্টার্ন ব্যাংকের ডিজিটাল রূপান্তর ও নেতৃত্ব

শওকত আলী চৌধুরী ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠালগ্ন (১৯৯৩ সাল) থেকেই পরিচালক হিসেবে যুক্ত আছেন এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকেও ব্যাংকের নীতি-নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে ব্যাংকটি কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জনে ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে।

​সাম্প্রতিক সময়ে তারই নির্দেশনায় ইস্টার্ন ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকিং ও প্রযুক্তিনির্ভর গ্রাহকসেবায় ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। যার ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তার ঘনিষ্ঠজনরা দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, সততা ও নিয়মানুবর্তিতাই শওকত আলী চৌধুরীর সফলতার মূল চাবিকাঠি এবং কোনো অপপ্রচার তার এই অবদানকে ম্লান করতে পারবে না।

জুলাইয়ের ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩২ কোটি ডলার

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ের ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩২ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে দেশে এসেছে ১৩২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১২ দিনে দেশে এসেছে ১৩২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যা এসেছিল ১০৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

এর আগে গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়। 

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
 

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার বড় দরপতন

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার বড় দরপতন
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির উদ্বেগ আরও জোরালো হয়েছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) নীতি সুদহার দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ স্তরে ধরে রাখতে পারে—এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই মূল্যবান ধাতুর দাম। খবর রয়টার্স

সোমবার (১৩ জুলাই) স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭২ দশমিক ৪৯ ডলারে। অন্যদিকে আগস্টে সরবরাহের চুক্তিতে মার্কিন সোনার ফিউচার প্রাইস শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮১ দশমিক ৩০ ডলারে নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর আসার পর থেকেই আর্থিক বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। তেহরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ব বাণিজ্য রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই উত্তেজনার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে গেছে।

স্যাক্সো ব্যাংকের প্রধান বিশ্লেষক ওলে হ্যানসেন বলেন, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর ফলে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে। ডলারের বিনিময় হার শক্তিশালী হওয়া এবং মার্কিন বন্ডের ফলন (ইয়ার্ড) বেড়ে যাওয়ায় সোনার বাজারে বড় ধাক্কা লেগেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে বাজারে এখন লেনদেন বা তারল্য কিছুটা কম। এই পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও তেলের উচ্চ মূল্য সোনার দামকে বর্তমানের ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ ডলারের চেনা বৃত্ত থেকে বাইরে নিয়ে যেতে পারে।

সাধারণত সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা সোনার মতো অ-লভ্যাংশদায়ী সম্পদে বিনিয়োগ কমিয়ে দেন। কারণ, এতে তাদের সুযোগ-ব্যয় বেড়ে যায়। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে মার্কিন ফেড কর্তৃক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন ৭১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা গত সপ্তাহেও ছিল ৬৩ শতাংশ।

এদিকে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে জুনের ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই), খুচরা বিক্রির পরিসংখ্যান ও সাপ্তাহিক বেকারভাতার আবেদনের ডেটা রয়েছে। পাশাপাশি ফেডারেল রিজার্ভের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে কেভিন ওয়ারশের কংগ্রেসে প্রথম বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ও মুদ্রানীতির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা জানতে এই বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে আছেন বিনিয়োগকারীরা।

সোনার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রুপার (স্পট সিলভার) দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৮ দশমিক ৮৭ ডলারে নেমে এসেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬২২ দশমিক ৭২ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৬৭ দশমিক ৪৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাড়ল ডলারের দাম, আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার কত?

অনলাইন ডেস্ক
বাড়ল ডলারের দাম, আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার কত?
ছবি : রয়টার্স

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকার পরও সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়ন করতে পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো ও টাকার মান কমানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার দেশের আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম গড় হিসেবে ১৩ পয়সা ও সর্বোচ্চ হিসেবে ১৫ পয়সা বেড়েছে। 

আন্তঃব্যাংকে দাম বাড়ার কারণে গ্রাহকদের কাছে বিক্রির ক্ষেত্রেও ব্যাংকগুলো এর দাম বাড়িয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা দরে আমদানি খাতে ডলার বিক্রি হয়েছে। আগে সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা। 

কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আন্তঃব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। 

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১৩ জুলাই ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ০০ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ৩৭ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৮৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৮৬ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৪৮ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ১৩ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ১৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩২ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮৯ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮১ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৯ টাকা ২৪ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৬৮ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত কয়েকদিনে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব মতে, গত কয়েকদিন ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা থাকলেও সেটি ১২৩ টাকায় পৌঁছেছে। এ ছাড়া সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮৫ পয়সায়ও বিনিময় হচ্ছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিদায়ক।