• ই-পেপার

প্রশ্ন আমরা করিনি, বিগত সরকার করেছে : পদার্থবিজ্ঞানের ভুল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসির প্রশ্নপত্রে ত্রুটি, ৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসির প্রশ্নপত্রে ত্রুটি, ৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
সংগৃহীত ছবি

চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র (২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী) পরিশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস ইয়াছমীন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই সকালের পরীক্ষা চলাকালে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নং প্রশ্নে মারাত্মক ত্রুটি/অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের ত্রুটি/অসংগতি থাকায় পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের চরম মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের ত্রুটি/অসংগতি যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল এবং এ ধরনের কাজে সিলেট বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি/অসংগতি থাকার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এর জবাব পত্রপ্রাপ্তির ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। 

কারণ দর্শানোর নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন— শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

‘অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ইন ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এসিপিবিএ)’ শীর্ষক একটি এক্সিকিউটিভ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম পরিচালনার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই স্মারক সই হয়।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই উদ্যোগ দেশের ওষুধশিল্প খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় আইবিএ ওই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম পরিচালনা করবে। ওষুধ শিল্পে কর্মরত কর্মকর্তাদের ব্যবসায় প্রশাসন, নেতৃত্ব, ব্যবস্থাপনা ও ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস বিষয়ে আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নই এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটির প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ হবে প্রায় ছয় মাস, যেখানে ৪০টি সেশনের মাধ্যমে মোট প্রায় ১২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে দুই বছর মেয়াদে মোট চারটি ব্যাচ পরিচালিত হবে এবং প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪৫ জন কর্মকর্তা অংশ নেবেন।

প্রশিক্ষণে আইবিএর শিক্ষক ও শিল্পখাতের অভিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ নির্বাহীরা রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। লেকচার, কেস স্টাডি, গ্রুপ এক্সারসাইজ, কর্মশালা ও উপস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে সনদপত্র দেওয়া হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ জুলাইয়ের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ জুলাইয়ের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহস্পতিবারে (১৬ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স ও ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিমের স্বাক্ষর করা পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরিবর্তিত তারিখ অনুযায়ী ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ জুলাই এবং প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষা হবে ১১ আগস্ট।

এ ছাড়া পূর্বঘোষিত অন্য সব তারিখ ও সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সংক্রান্ত অথবা যেকোনো তথ্যের জন্য www.nu.ac.bd ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি ব্যতিত অন্য কোন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসরণ না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বিস্তারিত দেখুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে।

তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে : প্রধানমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম চালিকাশক্তি। তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা ও উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের জন্য এক ছাতার নিচে সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগের সুযোগসহ বিভিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’-এর ডিজিটাল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নির্বাচিত স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে নতুন উদ্যোক্তাদের সফলতার পথে চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা মোকাবেলায় দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের ওপর জোর দেন। নিজের জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, জীবনের লক্ষ্য অর্জনে ধৈর্য ও নিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। সরকার উদ্যোক্তাদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এ ছাড়া স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান এবং সূচনা বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রত্যাশী না হয়ে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তার এই যুগে তরুণদের নতুন দক্ষতা অর্জন ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের কোনো বিকল্প নেই।

স্বাগত বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান জানান, নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে তরুণ ও নারীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করতে সরকার ইতিমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার একটি পৃথক স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করেছে। এই তহবিল দেশের উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি গঠনে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ্-আল-মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়া সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

দেশের আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে সিনেট ভবনে আয়োজিত স্টার্টআপ প্রদর্শনী স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। এই প্রদর্শনী বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৪টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।