• ই-পেপার

গাজার পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৭

ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ৬

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ৬
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে পুলিশের গুলিতে ৬ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাওয়ালকোটের নিউ বাস টার্মিনাল এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি করলে ৬ জন প্রাণ হারান। 

গত ৯ জুন শুরু হওয়া চলমান আন্দোলনে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৪০ জনের বেশি।

দীর্ঘদিন ধরেই অশান্ত পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীর। নিত্যপণ্যের দাম কমানো ও বিদ্যুতের দামে ভর্তুকির দাবিতে ২০২৩ ও ২০২৫ সালে দুই দফা আন্দোলন হয় কাশ্মীরে। বিভিন্ন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম মিলে গঠিত জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। 

গত ৯ জুন থেকে ৩৮ দফা দাবিতে শুরু হয়েছে আন্দোলনে নতুন পর্যায়। আন্দোলনকারীরা বারবার আলটিমেটাম দিলেও সরকার তা কানে তুলছে না। আন্দোলনকারীদের ৩৮ দফার মধ্যে আটা-ময়দাসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, বিদ্যুতের দামে ভর্তুকি, ভিআইপিদের প্রটোকল বাতিলের মতো দাবি রয়েছে। তবে আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠেয় বিধানসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের মূল দাবি হলো, বিধানসভায় কাশ্মীরের বাইরে থাকা কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য ১২টি সংরক্ষিত আসন বাতিল। 

আন্দোলনকারীদের দাবি, এ সংরক্ষিত আসনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পাকিস্তান সরকার কাশ্মীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে এবং ইচ্ছামতো ছড়ি ঘোরায়।

পাকিস্তান সরকার দাবি মানার বদলে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও ব্যাপক ধরপাকড় চালায়। দমননীতির পাশাপাশি অঞ্চলটিতে খাদ্য, জ্বালানি এবং ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জীবনরক্ষাকারী পণ্যের প্রবেশ সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। 

ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট সেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে গণমাধ্যমে। তবে সরকার যত দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, আন্দোলন তত তীব্র হচ্ছে। এরই মধ্যে রাজপথে আজাদির দাবি উঠেছে।

আন্দোলনকারীরা মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে ভারতকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর সুবিধার্থে তারা পুঞ্চ ও ডোডা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা খুলে দেওয়ারও দাবি জানান।

এদিকে পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে চলমান আন্দোলনে সহিংসতার তীব্র সমালোচনা করেছে ভারত। মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে চলমান এই বিক্ষোভ মূলত পাকিস্তানের কয়েক দশক ধরে চালানো পদ্ধতিগত শোষণ, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং অবৈধ ও জোরপূর্বক দখলে থাকা এলাকাগুলোতে প্রশাসনিক নিপীড়নের সরাসরি ফলাফল।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ বন্ধ রাখা, পুলিশের বর্বরতা এবং ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের জন্য পাকিস্তানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ’স্থানীয় জনগণের বৈধ ক্ষোভ বা দাবিগুলোর সমাধান করার পরিবর্তে, পাকিস্তান রাষ্ট্র অত্যন্ত নির্মম পুলিশি বর্বরতার আশ্রয় নিয়েছে, যার শিকার হয়েছে নিরীহ নারী ও শিশুরাও। ভারত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে যে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এই দমন-পীড়নের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত পাকিস্তানকে জবাবদিহির আওতায় আনা।

এদিকে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কাশ্মিরীরা ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ওই অঞ্চলের দ্রুত অবনতিশীল মানবিক সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে হস্তক্ষেপের দাবি জানান। 

বিক্ষোভকারীরা পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের বেসামরিক এলাকাগুলো থেকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সাথে নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের ওপর প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। 

ফের মুখোমুখি লেবানন-ইসরায়েল, গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

অনলাইন ডেস্ক
ফের মুখোমুখি লেবানন-ইসরায়েল, গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়
ছবি : রয়টার্স

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় গত মাসে দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা চাপে পড়েছে। তারই অংশ হিসেবে ইরান লেবাননে চলমান যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছিল। তবে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে আবারও লড়াই শুরু হয়।

গত মাসে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন একটি শান্তি কাঠামোয় সম্মত হয়। কিন্তু এরপরও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহ ওই চুক্তি এবং তাদের নিরস্ত্র করার উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা আবারও আলোচনায় বসেছেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের দুটি পরীক্ষামূলক অঞ্চল নিয়ে সমঝোতা বাস্তবায়নে ইসরায়েল প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। ইতালির রোমে লেবাননের সঙ্গে চলমান আলোচনা এ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি পরীক্ষামূলক অঞ্চল পরিকল্পনা। এর আওতায় ধাপে ধাপে হিজবুল্লাহ অস্ত্র সমর্পণ করবে, ইসরায়েলি বাহিনী সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে সরে যাবে এবং সেখানে পর্যায়ক্রমে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে।

তবে দ্রুত কোনো সমাধান আসবে—এমন প্রত্যাশা কম বলেই কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে।

এর আগে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানান, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড লেবানন ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী সীমান্তজুড়ে লেবাননের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি তথাকথিত ‘বাফার জোন’ দখল করে রেখেছে। ইসরায়েলের দাবি, উত্তরাঞ্চলের বসতিগুলোকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে সুরক্ষা দিতেই এই নিরাপত্তা অঞ্চল বজায় রাখা প্রয়োজন।

ব্লুমবার্গকে সাড়ে ৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
ব্লুমবার্গকে সাড়ে ৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

সিঙ্গাপুরের দুই মন্ত্রীর সম্পত্তি লেনদেন নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের জেরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। মানহানির অভিযোগ করা এই মামলার রায়ে প্রতিবেদক ও সংবাদমাধ্যমটিকে ৪ লাখ ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মার্কিন ডলার) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলাটি করেছিলেন সিঙ্গাপুরের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সমন্বয়মন্ত্রী কে শানমুগাম এবং জনশক্তিমন্ত্রী ট্যান সি লেং। ২০২৪ সালে প্রকাশিত ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে তাদের সম্পত্তি লেনদেনের উল্লেখ থাকায় তারা মানহানির অভিযোগ আনেন।

ব্লুমবার্গের দাবি ছিল, প্রতিবেদনে দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়নি; বরং সিঙ্গাপুরে বিলাসবহুল বাড়ি কেনাবেচার একটি বৃহত্তর প্রবণতার উদাহরণ হিসেবে তাদের লেনদেনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। তবে রায়ের পর এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

প্রতিবেদনে কী ছিল?

‘Singapore Mansion Deals Are Increasingly Shrouded in Secrecy’ শিরোনামের প্রতিবেদনে সিঙ্গাপুরের বহুমূল্যের ‘গুড ক্লাস বাংলো’ কেনাবেচায় গোপনীয়তা বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, অনেক ধনী ক্রেতা নিজেদের পরিচয় আড়াল করতে শেল কম্পানি বা ট্রাস্টের মতো ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব সম্পত্তি কিনছেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কে শানমুগাম একটি বাংলো ৮ কোটি ৮০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলারে ট্রাস্টের মাধ্যমে এক অজ্ঞাত ক্রেতার কাছে বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া ট্যান সি লেং প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলারে একটি গুড ক্লাস বাংলো কিনেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি এমন একটি ‘শর্তহীন চুক্তি’ পদ্ধতিতে সম্পত্তি কিনেছেন, যা লেনদেনে কারা জড়িত তা অনুসরণ করা তুলনামূলক কঠিন করে তোলে।

কেন মামলা করেছিলেন দুই মন্ত্রী?

প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই দুই মন্ত্রী মানহানির মামলা করার ঘোষণা দেন। গত এপ্রিলে শুনানিতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, প্রতিবেদনে সম্পত্তি লেনদেনের গোপনীয়তা ও অর্থপাচারের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দুই মন্ত্রীর লেনদেনের উল্লেখ করায় সাধারণ পাঠকের কাছে তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের ইঙ্গিত তৈরি হয়েছে।

শানমুগামের দাবি ছিল, তার সম্পত্তি বিক্রির বিষয়টি কেন্দ্র করেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে।

অন্যদিকে ব্লুমবার্গ ও প্রতিবেদক লো ডে ওয়ে আদালতে বলেন, প্রতিবেদনে দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো অসদাচরণের অভিযোগ করা হয়নি; তাদের কেবল ‘সংবাদযোগ্য’ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের আইনজীবীদের দাবি, বাদীপক্ষ প্রতিবেদনের সবচেয়ে নেতিবাচক ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছে, যা সাধারণ পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি নয়।

আদালতের রায়

হাইকোর্টের বিচারপতি অড্রি লিম রায়ে বলেন, পুরো প্রতিবেদন একসঙ্গে পড়লে স্বাভাবিকভাবেই এমন ধারণা তৈরি হয় যে দুই মন্ত্রী বিদ্যমান নিয়মের সুযোগ নিয়ে অস্বচ্ছ উপায়ে সম্পত্তি লেনদেন করেছেন এবং অর্থপাচারের সম্ভাবনা নিয়ে যে তদন্ত হতে পারত, তা এড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

বিচারপতির ভাষায়, এ ধরনের ইঙ্গিত দুই মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সততা, চরিত্র ও পেশাগত সুনামকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ কারণেই তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল দিল্লি

অনলাইন ডেস্ক
ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল দিল্লি
সংগৃহীত ছবি

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে ইরানের হামলায় একজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আহত হয়েছে আরো ১০ জন। এ ঘটনায় ইরানের উপরাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক বিবৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার দিনগত রাতে ওমান উপকূলের কাছে ইরানি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ‘আল বাহিয়াহ’ ও ‘মোমবাসা’ নামের দুটি তেলবাহী ট্যাংকার। এ সময় সেগুলোতে মোট ৪৬ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলেন, আল বাহিয়াহ জাহাজে থাকা ১২ জন ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন এবং আরেকজন আহত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মোমবাসা জাহাজে ১৮ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ৯ জন আহত হয়েছে, যার মধ্যে দুজনের আঘাত গুরুতর।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব হামলার বিরুদ্ধে ‘কঠোর প্রতিবাদ’ জানাতে তারা ইরানের উপরাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আমরা নাবিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত এসব হামলা এবং হরমুজ প্রণালির মতো আন্তর্জাতিক নৌপথে অবাধ ও নিরাপদ চলাচল ব্যাহতকারী সহিংস কর্মকাণ্ডের কঠোর নিন্দা জানাই।’