• ই-পেপার

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে যা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক
মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে যা জানা গেল

বেসরকারি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার ফাইল অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। 

রবিবার (৫ জুলাই) কিংবা আগামীকাল সোমবার এর অনুমোদন দিতে পারেন শিক্ষামন্ত্রী। এরপর দুই-একদিনের মধ্যেই বেতন পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেট) মোহাম্মদ মাহমুদুল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফাইল অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিন-চার দিনের মধ্যেই শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন পেয়ে যাবেন।

তিনি বলেন, আজ কিংবা আগামীকাল ফাইল অনুমোদন দিতে পারেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পেতে হয়তো দুদিন সময় লাগতে পারে।’ 

এ কর্মকর্তা বলেন, ইতিমধ্যে মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের পার্সিয়াল বেতন দেওয়া হয়েছে। ৩৮ হাজারের মতো শিক্ষক-কর্মচারী বেতন পেয়েছেন। অন্যরা তিন-চার দিনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন।

গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে আবাসনসংকট, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে আবাসনসংকট, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
সংগৃহীত ছবি

আবাসনসংকট, অচল ফ্যান, সুপেয় পানির অভাব এবং জরাজীর্ণ ওয়াশরুম—এমন নানা সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল  কলেজের শিক্ষার্থীরা। সমস্যা সমাধানের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে প্রায় ২২০-২৪০ জনের আবাসনের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে সেখানে প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। ফলে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের অনেক শিক্ষার্থীকে কমনরুমে গণরুম তৈরি করে থাকতে হচ্ছে। একটি কক্ষে ২২ থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হলেও সেখানে পর্যাপ্ত ফ্যান নেই। অন্য কক্ষগুলোরও অধিকাংশ ফ্যান ও বৈদ্যুতিক বাল্ব নষ্ট কিংবা ত্রুটিপূর্ণ। বাধ্য হয়ে নিজেরা লাইট লাগিয়েছেন। এতে প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিকভাবে বসবাস ও পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।

শুধু আবাসন সংকটই নয়, বয়েজ ও গার্লস উভয় হোস্টেলেই সুপেয় পানির সংকট রয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। পাশাপাশি ছয়তলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকা ওয়াশরুমগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় পাইপ ফেটে পানি ও মলমূত্র চুইয়ে পড়ছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

এসব সমস্যার সমাধানের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কলেজের অধ্যক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন হোস্টেলে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী সোমবারের (১০ জুলাই) মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে পরদিন থেকে একাডেমিক ভবন অবরোধ, ক্লাস ও ওয়ার্ড বর্জনসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করা হবে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, গত ৩০ জুন কলেজের একাডেমিক ভবনের হলরুমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নেতৃত্বে কলেজ প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এক দিনের মধ্যে জরুরি সমস্যাগুলোর সমাধান এবং অন্যান্য সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তার বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, দুইটি হোস্টেলই বাইরের থেকে দেখতে ফিটফাট। কিন্তু ভেতরে সদরঘাট। শুধু পরিকল্পনার অভাবে এমন অবস্থার সৃষ্টি বলে মনে হয়।

চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক রহমান ইশান বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানোর পরও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার থেকে একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা দিয়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থী হোস্টেল ত্যাগ করেছে।

তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এম বি আসিফ খান বলেন, ‘হোস্টেলের অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করেছে। কর্তৃপক্ষকে বারবার বলা হলেও কার্যত কোনো ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। আমরা চাই কলেজ কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে। তা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিমুর রহমান জিসান বলেন, ‘বয়েজ ও গার্লস হোস্টেলের ওয়াশরুমগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। কিছু কিছু জায়গায় পাইপ থেকে মলমূত্র চুইয়ে পড়ছে। এই পরিবেশে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়বে। হোস্টেল সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আগামী সপ্তাহ থেকে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত শশি বলেন, ‘হোস্টেলের বর্তমান পরিবেশে পড়াশোনা করা খুবই কষ্টসাধ্য। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী থাকায় ঠিকমতো ঘুমানো যায় না। ফলে পড়াশোনার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আমরা দ্রুত সমস্যার সমাধান চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. গোলাম মোর্শেদ মোল্লা বলেন, ‘লেডিস হোস্টেলে আসন রয়েছে ২৪০টি। কিন্তু বর্তমানে সেখানে ৩৫০-এরও বেশি ছাত্রী রয়েছে। মেডিক্যাল কলেজগুলোতে মেয়েদের ভর্তি বেশি হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। আপাতত কমনরুমগুলোকে গণরুম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ছেলে এবং মেয়েদের হোস্টেলে যেসব সমস্যা দেখা দিয়েছে সেগুলো ইতিমধ্যে সমাধানে কাজ চলমান রয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের দাবি, একটি মেডিক্যাল কলেজে ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত আবাসন সংকট নিরসন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, নষ্ট ফ্যান ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম মেরামত এবং ওয়াশরুম সংস্কারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প, সব জেলায় চিঠি

বাসস
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প, সব জেলায় চিঠি

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নকে আরো গতিশীল করতে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এ লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলার ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১১টি সিটি করপোরেশনের ৫১টি নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ৫৩৯টি বিদ্যালয়ের তালিকার সঠিকতা যাচাই করে প্রত্যয়নপত্র পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়গুলো নির্বাচন করা হয়েছে।

এর মধ্যে দেশের ৬৪ জেলার বিদ্যমান ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য ইন্টিগ্রেটেড প্রাইমারি এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

পাশাপাশি, ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকায় আরো ৫১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রকল্পের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রকল্পের কার্যক্রম চূড়ান্ত করার আগে নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা নির্ভুল ও হালনাগাদ হওয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার বিদ্যালয়গুলোর তথ্য যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত ছকে প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, প্রত্যয়নপত্রে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং তা আগামী ৫ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগে পাঠাতে হবে।

নির্দেশনার সঙ্গে ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকার নির্বাচিত বিদ্যালয়ের তালিকা এবং প্রত্যয়নপত্রের নমুনা সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে জেলা পর্যায়ে যাচাই কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল, এনডিসি স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ভবন, শ্রেণিকক্ষ, স্যানিটেশন, নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য শিক্ষা-সহায়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

এর ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য আরো নিরাপদ, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে জাবির ১২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে জাবির ১২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
সংগৃহীত ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইতিহাস বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের ১২ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৩ জুলাই দিবাগত রাত ১১টা থেকে রাত ১টার মধ্যে ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ উপলক্ষে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জড়ো করে গালাগাল, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যায়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার পরিপন্থি হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ সময় সাময়িক বহিষ্কৃত ১২ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবেন না বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—নাছিম উদ্দিন মজুমদার (শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল), মো. মাহফুজুর রহমান অন্ত (আল-বেরুনী হল), আব্দুল্লাহ মাহদী (শহীদ রফিক-জব্বার হল), শুভাশীষ রায় প্রান্ত (শহীদ রফিক-জব্বার হল), মো. আবু আবতাহী অনিক (নবাব সলিমুল্লাহ হল), মো. রায়হান খান (নবাব সলিমুল্লাহ হল), মো. নাইমুল হাসান (নবাব সলিমুল্লাহ হল), মো. ইসফাক হাদী (আ ফ ম কামালউদ্দিন হল), নাইম আহমেদ সজিব (শহীদ সালাম-বরকত হল), কার্তিক চন্দ্র রায় (শহীদ সালাম-বরকত হল), কাজী শাহ জামসেদ আলম নাবিল (মওলানা ভাসানী হল) এবং সাইফুল্লাহ মানসুর আনান (মওলানা ভাসানী হল)।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ইতিহাস বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ‘ম্যানার শেখানোর’ নামে গভীর রাতে ডেকে নিয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পর প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ১২ জনকে আটক করে নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

পরে ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ এবং অভিযুক্তদের লিখিত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে।