• ই-পেপার

ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

লালপুরে হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারি আটক

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
লালপুরে হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারি আটক
সংগৃহীত ছবি

নাটোরের লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০ পুরিয়া হেরোইনসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালপুর থানাধীন ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুর ১২টার সময় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলি শের চৌকস একটি ট্রিম নিয়েওয়ালিয়া বাজারের আলী মার্কেটের একটি অব্যবহৃত দোকানে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সেখান থেকে দুই মাদক কারবারি—মো. সাহাবুল ইসলাম সাধন (৩৬) ও মো. ঝুমুর আলীকে (৩৪) আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৩০ পুরিয়া হেরোইন, যার মোট ওজন প্রায় ৩ গ্রাম।

আটকরা উভয়েই লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া (পশ্চিমপাড়া) এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। লালপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো মাদক কারবারিই আইনের বাইরে থাকতে পারবে না।’

পাবনায় মাদকবিরোধী নাগরিক সমাবেশে এমপির হুঁশিয়ারি

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় মাদকবিরোধী নাগরিক সমাবেশে এমপির হুঁশিয়ারি
ছবি: কালের কণ্ঠ

মাদক বিক্রি ও সেবনকারীদের পক্ষে তদবীর করলে কঠোর হস্তে দমনে দমন করা হবে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পাবনা- ২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব। তিন বলেন,‘ যারা মাদক বিক্রি, সেবন ও চাঁদাবাজির মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুর ১২ টায় পাবনার সুজানগর বাজারে ‘‘মাদক বিক্রেতা, মাদকসেবী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ প্রতিরোধে’’ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সংসদ সদস্য সেলম রেজা বলেন, ‘রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বর্তমান সরকার মাদক নির্মূলে কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাসিত জীবন থেকে পরিপক্ক ও পরিকল্পনা নিয়েই দেশে এসেছেন৷ তিনি এসে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে। দেশ পরিবর্তনে কাজ করছেন। নিজেদের নীতি নৈতিকতার পরিবর্তন না হলে সমাজের অসঙ্গতি দূর করা সম্ভব নয়।’ 

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমরা মানবিক প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদের কুক্ষিগত করতে চায়। কিন্তু  সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন সাহসী প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা ব্যারেজ তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ভালো কাজ করাতে হলে আমাদের মানবিক হতে হবে। মাদক, সন্ত্রাসী নির্মূল করতে হবে। তবেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের চাহিদানুযায়ী দেশ পরিচালনায় সক্ষম হবেন।’ 

সেলিম রেজা হাবিব বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ নির্মূলে পৃথক তিনটি কমিটি করে দিয়েছি। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ অভিযোগ ব অসম্পৃক্ততা আছে তাদের কমিটিতে স্থান নেই। মাদক, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতাদের আলাদা আলাদা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকা ধরে প্রশাসনের মাধ্যমে আইনি প্রয়োগ করা হবে।’ 

তিনি প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘প্রশাসনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ যারা ঘাপটি মেরে আছে তাদের অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। রাজনৈতিকভাবে আমাদের প্রতিহিংসা নেই। কেউ প্রতিহিংসার শিকার হবে না। হতে দেওয়া যাবে না। কেউ যদি কাউকে প্রতিহিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সেই নেতা কর্মীর বিএনপি করার দরকার নেই। তাদের দল থেকে বের করে দেওয়া হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘উপজেলায় দুটি অভিযোগ বক্স থাকবে। অভিযোগ ধরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হট নাম্বার দেওয়া হবে। যারা মুচলেকা দিয়ে আসবে তাদের বিচার হবে না। আমার সাথে যারা রাজনীতি করেন তারাও যদি এসব অপরাধের সাথে থাকে তাহলে তাদের জায়গা হবে না।’ 

নাগরিক সমাবেশের সভাপতি জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি চাকরি করি। আইন আছে। আইন প্রয়োগ করতে গেলে রাজনৈতিক পর্যায়ে ঐক্যমত থাকতে হয়। কিন্তু মাদক নির্মূলে এই সমস্যা প্রকোট দেখা দেয়। মানুষের গণজোয়ার থাকলে খুব দ্রুত মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের নির্মূল করা সম্ভব হয়। আমরা ভিকটিম হওয়ার আগেই মাদক সমূলে নির্মূল করতে সকল পর্যায় থেকে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।’

সুজানগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। 

বিশেষ অতিথি বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘পাবনায় মাদক জিরো টলারেন্স চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সহস্রাধিক মাদক সেবী ও বিক্রেতা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। মাদক ও জুয়ায় সংক্ষিপ্ত বিচারে জেল নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের সাথে সমন্বয় করেই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। তিনি প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের শক্ত হাতে মাদক দমনে প্রতিহত করতে হবে।’

সুধীজনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মাদকসেবী, বিক্রেতাসহ অপরাধী ধরে তাদের নিজেরা বিচার হাতে না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেন।’

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বন মানুষ হতে রক্ষায় শাসন করুন। তাদের মাদক ও অপরাধ সম্পর্কে অবহিত করেন। পাশাপাশি পরিবারের প্রতি সন্তানের সকল দিকে খোঁজ খবর রাখতে অনুরোধ জানান। মাদককে নির্বাসনে পাঠাতে সবাইকে একযোগে প্রতিহত করতে কাজ করতে হবে।’

নাগরিক সমাবেশে শুরুতেই স্বাগর বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ।

সমাবেশে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য দেন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা পাবনার উপপরিচালক তৌফিক ইকবাল, জেলা আনসার ভিডিপি কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান সরকার, জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শহিদুল মান্নাফ কবির, বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোনাল্ড চাকমা, জিপি অ্যাডভোকেট আরশেদ আলম, পাবনা প্রেসক্লাব সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, পাবনা র‌্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার ওয়াহিদুজ্জামান, সুজানগর সার্কেলের এএসপি সাদেক আহমেদ, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন প্রমুখ।

ব্যবসায়ীকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর, আটক ১

নিজস্ব প্রতি‌বেদক, ব‌রিশাল
ব্যবসায়ীকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর, আটক ১
ছবি: কালের কণ্ঠ

বরিশালে এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর চকবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে অগ্রণী (আবাসন) হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের সদর রোডের কার্যালয়ে শনিবার রাতে তাকে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন (অণ্ডকোষ চেপে ধরে) করে ৭০ লাখ টাকার একটি চেক ও স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ঘটনার একটি ভিডিও শনিবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান পিন্টুর ছোট ভাই। তবে তিনি যুবদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত—এমন একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতারা। সেখানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এএইচএম তছলিম বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান লিটু যুবদলের কেউ নন। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাটি যুবদলের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ কারণেই বিষয়টি সারা দেশে ভাইরাল হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, লিটু কখনোই যুবদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না।

যুবদলের সংবাদ সম্মেলনের পরপরই অভিযান চালিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, রবিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলার শিকার ওই ব্যবসায়ীর করা আগের একটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় নতুন করেও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুহুরী নদীতে নিখোঁজ হওয়ার ১ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ফেনী প্রতিনিধি
মুহুরী নদীতে নিখোঁজ হওয়ার ১ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ফেনীর পরশুরামে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে মুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ যুবক মো. সাকিবের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পর রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ফুলগাজী উপজেলার মধ্যম শ্রী চন্দ্রপুর গ্রাম সংলগ্ন মুহুরী নদীর ভাটি অঞ্চল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার অলিপুর গ্রামের আলী মিয়ার ছেলে। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে বসবাস করছে।

পারিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা জঙ্গলঘোনা গ্রামে নানি বেগম নেছার বাড়িতে বেড়াতে আসেন সাকিব। তিনি কিছুটা মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং সাঁতার জানতেন না। শনিবার দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা মায়া আক্তারসহ দুই নারীর সঙ্গে বাড়ির পাশে মুহুরী নদীতে গোসল করতে নামেন তিনি। নদীতে নেমে ডুব দেওয়ার পর তিনি আর ওঠেননি। তার ডুবে যাওয়ার বিষয়টি দেখে সঙ্গে থাকা নারীরা আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীকে জানান।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন পরশুরাম মডেল থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরশুরাম ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক উদ্ধারকাজ শুরু করে। তবে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল না থাকায় প্রাথমিক তল্লাশিতে তার সন্ধান মেলেনি।

পরে চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। শনিবার সন্ধ্যার পর চট্টগ্রামের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত ৮টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালালেও সাকিবের কোনো খোঁজ পায়নি। রাতে উদ্ধার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে নদীর ভাটির দিকে ফুলগাজী উপজেলার মধ্যম শ্রী চন্দ্রপুর এলাকায় একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হলে ফুলগাজী ও পরশুরাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে সাকিবের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।

ফেনীর ফুলগাজী থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’