• ই-পেপার

স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকা প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বোয়ালখালীতে খাদ্যের খোঁজে লোকালয়ে বন্যহাতির হানা

বোয়ালখালী(চট্টগ্রাম)  প্রতিনিধি
বোয়ালখালীতে খাদ্যের খোঁজে লোকালয়ে বন্যহাতির হানা
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পাহাড়ঘেঁষা কয়েকটি গ্রামে ধান ও পাকা কাঁঠালের খোঁজে প্রায় প্রতি রাতেই লোকালয়ে নেমে আসছে বন্যহাতির পাল। এতে নির্ঘুম রাত কাটছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। হাতির তাণ্ডবে বসতবাড়ির সীমানা প্রাচীর, গাছপালা ও ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানে সরকারি উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা, ধোরলা ও করলডেঙ্গা গ্রামে প্রায় প্রতি রাতেই বন্যহাতির পাল লোকালয়ে হানা দিচ্ছে।

শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে জ্যৈষ্ঠপুরার ফতেয়ারখীল এলাকায় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে দুটি হাতি। এ সময় হাতির তাণ্ডবে সবজিক্ষেত ও গাছপালাও নষ্ট হয়। এতে প্রায় অর্ধ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভোরে একই এলাকার আবু সুফিয়ানের বাড়ির আঙিনায় ঢুকে গাছের পাকা কাঁঠাল খেয়ে যায় বন্যহাতির একটি দল।

শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরী বলেন, প্রতিদিনই হাতির পাল লোকালয়ে নেমে এসে বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতি করছে। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমে হাতি তাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। এখন মশাল দেখিয়েও হাতিকে ভয় দেখানো যায় না। ফলে প্রচলিত উপায়ে হাতির আক্রমণ প্রতিরোধ করাও সম্ভব হচ্ছে না।

ইলিফ্যান্ট রেসকিউ টিমের সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, পাহাড়ে খাদ্যের সংকট দেখা দেওয়ায় হাতিরা লোকালয়ে চলে আসছে। তারা মূলত গোলায় রাখা ধান ও গাছের পাকা কাঁঠালের সন্ধানে গ্রামে ঢুকছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, হাতির পাল লোকালয়ে আসার খবর পেলেই ফায়ার সার্ভিসের টিম পাঠানো হয়। তারা সাইরেন বাজিয়ে হাতির পালকে আবার বনে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। ইতোমধ্যে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে বন বিভাগ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

এইচএসসি ফরম পূরণের নামে প্রতারণা: কম্পিউটার অপারেটর গ্রেপ্তার

বগুড়া অফিস
এইচএসসি ফরম পূরণের নামে প্রতারণা: কম্পিউটার অপারেটর গ্রেপ্তার
ছবি: কালের কণ্ঠ

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজের কম্পিউটার অপারেটর (আউটসোর্সিং) সাব্বির হোসেন শাওন (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৫ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে শিবগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বানাইল পশ্চিমপাড়া এলাকায় তার বোনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ফরম পূরণ না করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার ফরম পূরণের কথা বলে ছয় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জনপ্রতি ৪ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ২৭ হাজার টাকা গ্রহণ করেন সাব্বির হোসেন শাওন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের কারো ফরম পূরণ করা হয়নি এবং কোনো প্রবেশপত্রও ইস্যু হয়নি। এরপর বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করেন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ফরম পূরণের নামে টাকা গ্রহণ ও আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পরে রবিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরো জানান, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলে কান কাটা ও মাথায় আঘাতের চিহ্নসহ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

এক কান কাটা, মাথায় আঘাত—টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে কান কাটা ও মাথায় আঘাতের চিহ্নসহ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মাসুদ মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।

রবিবার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাসুদ মিয়া ওই গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথের মাঝামাঝি স্থানে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরহাদ আলী জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এলাকাবাসী তাকে বিষয়টি জানায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে হত্যাকাণ্ড। কারণ তার একটি কান কাটা ছিল এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মরদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ

দেবীদ্বারে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দেবীদ্বারে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ‍্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তল হোসেনের অপসারণের দাবিতে রবিবার মানববন্ধন।

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ‘মাশিকাড়া উচ্চ বিদ‍্যালয়ের’ প্রধান শিক্ষক মো. মুক্তল হোসেনের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। 

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিদ‍্যালয়ের সামনে ওই মানববন্ধন করেন তারা। পরে মুক্তল মাস্টারের অপসারণসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।

মানববন্ধনে স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার (১ জুলাই) রাতে উপজেলার বল্লভপুর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন মুক্তল মাস্টার। এ নিয়ে বাড়ির লোকজন মুক্তল মাস্টার ঘরে প্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসীর স্ত্রী কলাপসেবল গেট বন্ধ করে জানান, ঘরে কেউ নেই। পরে গ্রামবাসী বাড়ি ঘেরাও করে ফেললে প্রধান শিক্ষক মুক্তল মাস্টার রান্নাঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসী তাকে আটক করেন এবং গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছার পূর্বেই স্থানীয় কয়েকজন তাকে চিকিৎসা দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেছে বলে জানান।

আন্দোলনকারীরা তাকে (প্রধান শিক্ষককে) ওই প্রবাসীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়ার অভিযোগ তুলেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ওই নারীর প্রবাসী স্বামী ফেসবুকে ভিডিও লাইভে জানান, তার স্ত্রী অসুস্থ‍ থাকায়, তিনি তার ধর্মভাই মুক্তল মাস্টারকে তার স্ত্রীর খোঁজখবর নিতে বাড়ি পাঠিয়েছেন। ওখানের কিছু লোকজন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার স্ত্রী এবং মুক্তল মাস্টারকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালায়।

মানববন্ধনে বক্তব‍্য দেন স্থানীয় শাকতলা মসজিদের ইমাম মাওলানা আলী আকবর, মো. জহিরল ইসলাম, মো. মোবারক হোসেন, মো. রিয়াদ হোসেন, মো. সজিব, জামাল প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, গত ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাশিকাড়া উচ্চ বিদ‍্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তল মাস্টারের বিরুদ্ধে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষক মুক্তল মাস্টারকে তার অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দিনব‍্যাপী সার্কেল এএসপি ও ওসির নেতৃত্বে ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত করতে ব‍্যর্থ হন। পরে পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিপুলসংখ‍্যক পুলিশ এনে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ সময় কয়েকজন পুলিশসহ অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারী আহত হন। বিক্ষোভকারীরা ২টি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেয়।

ওইদিন পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাংচুর, পুলিশের অস্ত্র খোয়া গেলে ২ শতাধিক গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২২ নিরীহ গ্রামবাসী ও বাজারের ব‍্যাবসায়ীকে আটক করেন। মামলা-আতঙ্কে প্রায় দেড় মাস গ্রামে পুরুষশূন্য ছিল। গ্রেপ্তার হওয়া ২২ জন নিরপরাধী হয়েও দেড় মাস জেল খাটতে হয়েছে। এখনো ওই মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। একমাত্র মুক্তল মাস্টারের অনৈতিক কাজের কারণে।

ওই ঘটনার পর ভিক্টিম ছাত্রীর বাবা তাঁর মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মুক্তল মাস্টারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। রাজনৈতিক প্রভাবে মুক্তল মাস্টার স্বীয় পদে বহাল হন। শর্ত ছিল মুক্তল মাস্টারের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারির আর কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে সে নিয়ম মাফিক চাকরিচ্যুত হবেন। এর আগেও তিতাস উপজেলার একটি স্কুল এবং দেবীদ্বার বারুর উচ্চ বিদ‍্যালয়ে একই ঘটনা সৃষ্টির দায়ে তাকে স্কুল থেকে বিতাড়িত করা হয়। সর্বশেষ ঘটনার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও  মুক্তল মাস্টারকে গ্রেপ্তার কিংবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব‍্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা মুক্তল মাস্টারের অপসারণই নয়, প্রশাসনের নিকট তার কঠিন শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। 

ইউপি সদস‍্য মো. জাকির হোসেন মোল্লা, শিউলি আক্তারসহ স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ঊজানীজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়ির এক প্রবাসীর স্ত্রী (৩০) তার এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তান নিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের মোল্লা বাড়ির জলিল মোল্লার ঘরে মাসিক ১৫ টাকায় ভাড়ায় বসবাস করে আসছিলেন। ওই বাড়িতে থেকে প্রবাসীর স্ত্রী উজানীজোড়া আদর্শ কিন্ডারগার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। এরই মধ‍্যে উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুক্তল হোসেন (৫০) ওই নারীর ঘরে প্রায়ই রাতে আসা-যাওয়া করতেন। স্থানীয়রা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে পাহারা বসান। মঙ্গলবার রাতে ওই প্রধান শিক্ষক ঘরে ঢুকলে বাড়ির নারীরা এসে খোঁজ নেন। প্রবাসীর স্ত্রী ঘরের গেট বন্ধ করে ঘরে কেউ নেই বলে জানান। পরে গ্রামবাসী ঘরটি ঘিরে রাখলে মুক্তল মাস্টার পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীদের হাতে আটক হন। অভিযুক্ত মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুক্তল হোসেন মাস্টার উপজেলার বনকোট গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।

এ ব‍্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত কোনো পক্ষই মামলা বা অভিযোগ করেননি।’ 

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘ওই ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুক্তল হোসেন মাস্টারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ৩ কার্যদিবসের মধ্যে মধ‍্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে তদন্তসাপেক্ষে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা জানান, বিষয়টি শোনার পরই মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ওই শিক্ষককে শোকজ করার নির্দেশ দিয়েছি। জবাব পেলেই যথাযথ ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে।’