• ই-পেপার

মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে যা জানা গেল

জুলাই থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট কার্যকর

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জুলাই থেকেই ইনক্রিমেন্ট পাবেন বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাউশি জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সেলের প্রোগ্রামার (এমপিও) মো. জহির উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এমপিওভুক্ত জনবলের জুলাই-২০২৬-এর ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করাসহ অন্যান্য কাজ শেষ করে অঞ্চল থেকে অনুমোদিত এমপিও আবেদন ডান করা হবে। তাই জুলাই ২০২৬ মাসের অনুমোদিত অনলাইন এমপিও ফাইল ডান হতে কয়েক দিন বিলম্ব হতে পারে।

এ বিষয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ করেন মো. জহির উদ্দিন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (৫ জুলাই) থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ১১ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ১৭ জুলাই দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিজ্ঞান ইউনিট এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় মোট আসন রয়েছে ১১ হাজার ২৯০টি। এর মধ্যে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ৪ হাজার ৪৯৮টি, বিজ্ঞান ইউনিটে ৪ হাজার ৭৯৫টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ১ হাজার ৯৯৭টি আসন রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। উত্তীর্ণ হতে হলে ন্যূনতম ৪০ নম্বর অর্জন করতে হবে। এ ছাড়া কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্তত ৫ নম্বর পেতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার বিজ্ঞান ইউনিটে আবেদন করেছেন ৩১ হাজার ৫৫৩ জন, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ১১ হাজার ২৪৪ জন এবং কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ২৩ হাজার ৩৬৫ জন। সব মিলিয়ে প্রতি আসনের বিপরীতে প্রায় ৬ জন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ভর্তি পরীক্ষা শেষে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের নিয়মিত ক্লাস শুরু হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে আবাসনসংকট, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে আবাসনসংকট, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
সংগৃহীত ছবি

আবাসনসংকট, অচল ফ্যান, সুপেয় পানির অভাব এবং জরাজীর্ণ ওয়াশরুম—এমন নানা সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল  কলেজের শিক্ষার্থীরা। সমস্যা সমাধানের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে প্রায় ২২০-২৪০ জনের আবাসনের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে সেখানে প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। ফলে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের অনেক শিক্ষার্থীকে কমনরুমে গণরুম তৈরি করে থাকতে হচ্ছে। একটি কক্ষে ২২ থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হলেও সেখানে পর্যাপ্ত ফ্যান নেই। অন্য কক্ষগুলোরও অধিকাংশ ফ্যান ও বৈদ্যুতিক বাল্ব নষ্ট কিংবা ত্রুটিপূর্ণ। বাধ্য হয়ে নিজেরা লাইট লাগিয়েছেন। এতে প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিকভাবে বসবাস ও পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।

শুধু আবাসন সংকটই নয়, বয়েজ ও গার্লস উভয় হোস্টেলেই সুপেয় পানির সংকট রয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। পাশাপাশি ছয়তলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকা ওয়াশরুমগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় পাইপ ফেটে পানি ও মলমূত্র চুইয়ে পড়ছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

এসব সমস্যার সমাধানের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কলেজের অধ্যক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন হোস্টেলে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী সোমবারের (১০ জুলাই) মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে পরদিন থেকে একাডেমিক ভবন অবরোধ, ক্লাস ও ওয়ার্ড বর্জনসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করা হবে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, গত ৩০ জুন কলেজের একাডেমিক ভবনের হলরুমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নেতৃত্বে কলেজ প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এক দিনের মধ্যে জরুরি সমস্যাগুলোর সমাধান এবং অন্যান্য সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তার বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, দুইটি হোস্টেলই বাইরের থেকে দেখতে ফিটফাট। কিন্তু ভেতরে সদরঘাট। শুধু পরিকল্পনার অভাবে এমন অবস্থার সৃষ্টি বলে মনে হয়।

চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক রহমান ইশান বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানোর পরও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার থেকে একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা দিয়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থী হোস্টেল ত্যাগ করেছে।

তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এম বি আসিফ খান বলেন, ‘হোস্টেলের অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করেছে। কর্তৃপক্ষকে বারবার বলা হলেও কার্যত কোনো ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। আমরা চাই কলেজ কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে। তা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিমুর রহমান জিসান বলেন, ‘বয়েজ ও গার্লস হোস্টেলের ওয়াশরুমগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। কিছু কিছু জায়গায় পাইপ থেকে মলমূত্র চুইয়ে পড়ছে। এই পরিবেশে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়বে। হোস্টেল সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আগামী সপ্তাহ থেকে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত শশি বলেন, ‘হোস্টেলের বর্তমান পরিবেশে পড়াশোনা করা খুবই কষ্টসাধ্য। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী থাকায় ঠিকমতো ঘুমানো যায় না। ফলে পড়াশোনার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আমরা দ্রুত সমস্যার সমাধান চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. গোলাম মোর্শেদ মোল্লা বলেন, ‘লেডিস হোস্টেলে আসন রয়েছে ২৪০টি। কিন্তু বর্তমানে সেখানে ৩৫০-এরও বেশি ছাত্রী রয়েছে। মেডিক্যাল কলেজগুলোতে মেয়েদের ভর্তি বেশি হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। আপাতত কমনরুমগুলোকে গণরুম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ছেলে এবং মেয়েদের হোস্টেলে যেসব সমস্যা দেখা দিয়েছে সেগুলো ইতিমধ্যে সমাধানে কাজ চলমান রয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের দাবি, একটি মেডিক্যাল কলেজে ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত আবাসন সংকট নিরসন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, নষ্ট ফ্যান ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম মেরামত এবং ওয়াশরুম সংস্কারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প, সব জেলায় চিঠি

বাসস
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প, সব জেলায় চিঠি

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নকে আরো গতিশীল করতে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এ লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলার ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১১টি সিটি করপোরেশনের ৫১টি নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ৫৩৯টি বিদ্যালয়ের তালিকার সঠিকতা যাচাই করে প্রত্যয়নপত্র পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়গুলো নির্বাচন করা হয়েছে।

এর মধ্যে দেশের ৬৪ জেলার বিদ্যমান ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য ইন্টিগ্রেটেড প্রাইমারি এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

পাশাপাশি, ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকায় আরো ৫১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রকল্পের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রকল্পের কার্যক্রম চূড়ান্ত করার আগে নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা নির্ভুল ও হালনাগাদ হওয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার বিদ্যালয়গুলোর তথ্য যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত ছকে প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, প্রত্যয়নপত্রে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং তা আগামী ৫ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগে পাঠাতে হবে।

নির্দেশনার সঙ্গে ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকার নির্বাচিত বিদ্যালয়ের তালিকা এবং প্রত্যয়নপত্রের নমুনা সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে জেলা পর্যায়ে যাচাই কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল, এনডিসি স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ভবন, শ্রেণিকক্ষ, স্যানিটেশন, নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য শিক্ষা-সহায়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

এর ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য আরো নিরাপদ, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।