• ই-পেপার

আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা

রিভেরি স্কুল চালাবে রিভেরি ফাউন্ডেশন ও ইশতিয়াক সাদেকের এইস

অনলাইন ডেস্ক
রিভেরি স্কুল চালাবে রিভেরি ফাউন্ডেশন ও ইশতিয়াক সাদেকের এইস
সংগৃহীত ছবি

রিভেরি ফাউন্ডেশন এবং এইস (ACE)—রিভেরি স্কুলের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে একটি কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে স্কুলটি একাডেমিক উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

রাজধানী বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের (এসবিজি) সদর দপ্তরে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট অতিথি, অংশীজন ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

এইসের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন টি স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং এইস ও রংপুর রাইডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইশতিয়াক সাদেক। অন্যদিকে রিভেরি ফাউন্ডেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. আরিফুল হক সোহান।

চুক্তির আওতায় রিভেরি ফাউন্ডেশন ও এইস যৌথভাবে রিভেরি স্কুলের কৌশলগত ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক, ভবিষ্যৎমুখী এবং মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি একাডেমিক উৎকর্ষ, উদ্ভাবন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

অনুষ্ঠানে ইশতিয়াক সাদেক বলেন, ‘শিক্ষাই মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। রিভেরি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই অংশীদারত্বে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি, যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে রিভেরি স্কুলকে আরো সমৃদ্ধ করা, উদ্ভাবনী শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পুরো স্কুল সম্প্রদায়ের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করা সম্ভব হবে।’

রিভেরি স্কুলের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. আরিফুল হক সোহান বলেন, ‘এই অংশীদারত্ব রিভেরি স্কুলের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এইসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজের মাধ্যমে আমরা আমাদের শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে চাই। মানসম্মত শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

রিভেরি স্কুলের অধ্যক্ষ সৈয়দা নওরীন রাজা বলেন, ‘এই সহযোগিতা রিভেরি স্কুলের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। রিভেরি ফাউন্ডেশন ও এইসের অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার সমন্বয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ আরো সমৃদ্ধ করতে, শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে সক্ষম হব।’

রিভেরি স্কুল 
রিভেরি ফাউন্ডেশন পরিচালিত রিভেরি স্কুল মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বর্তমানে পিয়ারসন এডএক্সেল (Pearson Edexcel) কারিকুলামের আওতায় প্লে গ্রুপ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ৭৩০-এর বেশি শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছে। ধাপে ধাপে প্রতি বছর একটি করে নতুন শ্রেণি চালুর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী শিক্ষাবর্ষে এ লেভেল চালু করা হবে। প্রতিষ্ঠানটি পিয়ারসন এডএক্সেল অনুমোদিত (Approved Institute), ব্রিটিশ কাউন্সিল পার্টনার স্কুল এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ড স্বীকৃত। এর ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ১৯০১৭১।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে পিয়ারসন এডএক্সেল ও লেভেল ও এ লেভেল প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের আরো বিস্তৃত সুযোগ পায়।

একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি রেভেরি স্কুলে ইসলামী মূল্যবোধ, চারিত্রিক গঠন, শিষ্টাচার ও নৈতিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে দুজন শিক্ষার্থী স্কুলে অধ্যয়নরত অবস্থায় সম্পূর্ণ হিফজুল কোরআন সম্পন্ন করেছে এবং আরো অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি হিফজ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে।

মো. আরিফুল হক সোহানের নেতৃত্ব এবং অধ্যক্ষ সৈয়দা নওরীন রাজার তত্ত্বাবধানে রেভেরি স্কুল একাডেমিক উৎকর্ষ, নৈতিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঠিকানা: Reverie School, Plot No. 166 & 167, Lane 01, Block L, Bashundhara Residential Area, Dhaka, Bangladesh

এইস
এইস (ACE) একটি বহুমুখী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, যার মূল কার্যক্রম রিয়েল এস্টেট খাতে। পাশাপাশি কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ক্রীড়া, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতেও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। গুণগত উন্নয়ন, উদ্ভাবন, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম উদ্যোগে অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগের মাধ্যমে এসিই ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

দেশের সব মাদরাসাপ্রধানকে অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সব মাদরাসাপ্রধানকে অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশের সব এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসার প্রধানদের মেমিস (MEMIS) সফটওয়্যারের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ ও ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এ নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো. শামিউল ইসলাম প্রামানিক স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে মেমিস সফটওয়্যারে যাচাই-বাছাই শেষে পরিশোধ করা হয়। ফলে সফটওয়্যারের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর গোপনীয়তা রক্ষা করা প্রতিষ্ঠান প্রধানের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।

এতে আরো বলা হয়, কোনো অবস্থাতেই ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করা যাবে না। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিজ দায়িত্বে এসব তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করতে হবে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহারে অনিয়ম বা এ-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাবির উপ-উপাচার্যের হাতে জাতীয় পরিবেশ পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির উপ-উপাচার্যের হাতে জাতীয় পরিবেশ পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের হাতে ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬-এর জাতীয় অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী তার হাতে এই পদক তুলে দেন।

পরিবেশবিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অসাধারণ অবদানের জন্য গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে এই পদক লাভ করেন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গত ৭ জুন এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রসংগত, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম পরিবেশ, বায়ুদূষণ ও প্রযুক্তি বিষয়ে প্রায় ২৫ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বায়ুদূষণ, অ্যাটমোস্ফেরিক সায়েন্স, জলবায়ু পরিবর্তন ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনা করে বাংলাদেশের বায়ুর মানোন্নয়ন ও দূষণের উৎস শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। তার অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ১৫০টিরও বেশি থিসিস তত্ত্বাবধান করেছেন।

জাতীয় পরিবেশ পদক লাভ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা-প্রচার এবং গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর তিনজন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড

সকাল ৯টার মধ্যে কর্মকর্তারা অফিসে না এলেই শাস্তি

অনলাইন ডেস্ক
সকাল ৯টার মধ্যে কর্মকর্তারা অফিসে না এলেই শাস্তি
সংগৃহীত ছবি

প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টার মধ্যে নিজ দপ্তরে প্রবেশসহ ছয়টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা না মানলে বিধি অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার  হুঁশিয়ারি দিয়েছে বোর্ড।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বোর্ডের নির্দেশনাগুলো হলো– সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কর্মদিবসে সকাল ৯টার মধ্যে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে, অফিস সময় শেষ হওয়ার আগে কেউ নিজ দপ্তর ত্যাগ করবে না, অফিস চলাকালীন দাপ্তরিক বা জরুরি প্রয়োজনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ বিভাগের প্রধানের (রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিদর্শক ও প্রকাশনা নিয়ন্ত্রক) অনুমতি নিয়ে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯-এর তফসিল অনুযায়ী ডিজিটাল হাজিরা দিয়ে অফিস ত্যাগ করতে হবে ও বোর্ডের সব আঞ্চলিক অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে।

এদিকে চলমান আলিম পরীক্ষা চলাকালে অফিসে উপস্থিতিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য পৃথক নির্দেশনাও দিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

এতে বলা হয়, আলিম পরীক্ষা ২০২৬ চলাকালীন পরীক্ষার দিনগুলোতে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে। আলিম পরীক্ষা চলাকালীন প্রতি শনিবার পরীক্ষা শাখা, আইসিটি সেল, কম্পিউটার শাখা, প্রশাসন (সংস্থাপন) ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে।

কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, অফিস ত্যাগ, বিলম্বে অফিসে উপস্থিত হলে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯ ও সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা | কালের কণ্ঠ