• ই-পেপার

আমবাজার ঘিরে আজ যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা

দেশে যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি

অনলাইন ডেস্ক
দেশে যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি

সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে আরো কমানো হয়েছে সোনার দাম। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ শনিবার (১৮ জুলাই) দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়কৃত দামেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু।

সবশেষ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম কমায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের এক যুগপূর্তি আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের এক যুগপূর্তি আজ

দেশের অন্যতম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস সাফল্যের এক যুগ (১২ বছর) পূর্ণ করেছে। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) এয়ারলাইনসটি ১৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।

২০১৪ সালের ১৭ জুলাই দুটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে অ্যাভিয়েশন শিল্পে যাত্রা শুরু করেছিল ইউএস-বাংলা। বর্তমানে এই বিমানবহরে ৩টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ এবং ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০সহ মোট ২৫টি এয়ারক্রাফট রয়েছে। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশের বেশি ‘অন-টাইম’ (সঠিক সময়ে) ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ড রয়েছে এই এয়ারলাইনসের।

বর্তমানে অভ্যন্তরীণ রুটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সৈয়দপুর ও রাজশাহীতে যাত্রী পরিবহন করছে ইউএস-বাংলা। ২০১৬ সালের ১৫ মে ঢাকা-কাঠমাণ্ডু রুটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আকাশে ডানা মেলে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে কলকাতা, চেন্নাই, মালে, মাস্কাট, দোহা, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, জেদ্দা, রিয়াদ, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজুসহ ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে তারা। স্বাধীনতার পর ইউএস-বাংলাই প্রথম কোনো দেশীয় বিমান সংস্থা, যা চীনের কোনো গন্তব্যে কিংবা ভারতের চেন্নাই ও মালদ্বীপে সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে।

আগামীতে বিমান বহরকে আরো সমৃদ্ধ করতে ২০২৭ সালের মধ্যে ১৫টি ব্র্যান্ডনিউ বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ৬টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ নেক্সট জেনারেশন উড়োজাহাজ যুক্ত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে কুয়েত, বাহরাইন, মদিনা, দাম্মাম, কলম্বো, জহুরবারু, পেনাং ও হংকং রুটে নতুন ফ্লাইট চালুর প্রক্রিয়া চলছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৮ সালের মধ্যে লন্ডন ও রোমসহ ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে, ২০৩০ সালের মধ্যে নিউ ইয়র্ক ও টরন্টো এবং অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ডানা মেলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে ইউএস-বাংলা।

যাত্রীসেবায় ইউএস-বাংলা সম্প্রতি ২০২৫ সালের ‘বেস্ট ডমেস্টিক এয়ারলাইনস’ খেতাব অর্জন করেছে। এর আগে ২০১৫, ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও তারা দেশসেরা অভ্যন্তরীণ এয়ারলাইনসের পুরস্কার পায়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরণের মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে লাগেজ ডেলিভারি দেওয়ার বিশেষ সেবা চালু করে দেশের অ্যাভিয়েশন খাতে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ব্যাবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি ইউএস-বাংলা দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে বড় অবদান রাখছে। বর্তমানে দেশে-বিদেশে প্রায় ৪ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন এই সংস্থায়। নিয়মিত ট্যাক্স ও সারচার্জ পরিশোধের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক যুগপূর্তি উপলক্ষে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত। বর্তমান বিশ্বে যাত্রীদের সঠিক সেবা দিতে আধুনিক এয়ারক্রাফটের কোনো বিকল্প নেই। ইউএস-বাংলা যাত্রীদের আরামদায়ক সেবা নিশ্চিত করতেই প্রতিনিয়ত বহরে নতুন নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করছে।’

এ সময় তিনি গত ১২ বছরের পথচলায় সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ, ট্রাভেল এজেন্ট, সংবাদকর্মী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দাম কমার পর যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দাম কমার পর যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা
সংগৃহীত ছবি

সবশেষ দেশের বাজারে দুই দফা সোনার দাম কমানো হয়েছে। এখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ শুক্রবার ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনা। 

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়নার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বাড়ল

দেশে আরো বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বর্তমানে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৬৬৪ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মুনসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই যুগ্ম পরিচালক জানান, ১৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৬ হাজার ৬৬৪ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী যার পরিমাণ ৩১ হাজার ৯৬৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ (১ দশমিক ৫৪২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি। এরমধ্যে শুধু ১৪ জুলাই একদিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১১ কোটি ৫০ লাখ (১১৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।