• ই-পেপার

এক কাপ চায়ের টাকাও আমি দুর্নীতি করিনি : হাসনাত আব্দুল্লাহ

পদত্যাগের তিন দিন পর মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ফেসবুক পোস্ট, যা লিখলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পদত্যাগের তিন দিন পর মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ফেসবুক পোস্ট, যা লিখলেন
দীপেন দেওয়ান।

পাহাড়ের মানুষকে শান্ত, ধৈর্য ধারণ, আইনশৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায়ের আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থেকে সদ্য পদত্যাগ করা দীপেন দেওয়ান। একইসঙ্গে তিনি কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও পাহাড়ে সম্প্রীতি সৌহার্দ্যের পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন।

পদত্যাগের তৃতীয় দিন বুধবার (৩ জুন) রাত ৯টায় দীপেন দেওয়ান তার নিজের ব্যবহৃত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই বার্তা দেন। বার্তাটি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছেও পৌঁছে দেন তার ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) আল-আমিন।

কালের কণ্ঠ পাঠকদের জন্য সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হল-

বার্তায় দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, ‌‘সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে আমার পদত্যাগকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি গভীরভাবে অবগত রয়েছি।’

‘আমি পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল পাহাড়ি, বাঙালি এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি যে, আপনারা শান্ত থাকুন, ধৈর্য ধারণ করুন এবং আইনশৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন। কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখুন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের সবার। এই অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার দায়িত্বও আমাদের সবার। পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকল জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমার প্রত্যাশা।’

মন্ত্রিত্ব ত্যাগের পর নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, ‘আমি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি যে, আমার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার আদর্শ, দেশপ্রেম ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রেরণা। আমি দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমি বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি।’

‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আমার রাজনৈতিক আদর্শের ঠিকানা। আমি জীবনের অবশিষ্ট সময়ও এই প্রিয় দল, এর আদর্শ এবং দেশের জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে যেতে চাই। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমি দলের প্রতি আমার আনুগত্য ও অঙ্গীকার অটুট রাখবো। এই দল আমি কখনো ত্যাগ করবো না।’

তিনি লিখেছেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি; ব্যক্তি নয়, জনগণের কল্যাণই সবচেয়ে বড় বিষয়। তাই আমি পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগণের কাছে আবারও আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিভেদ নয়, প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, কিন্তু সংঘাত নয়।’

‘পরিশেষে বলতে চাই—মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আমি পূর্ণ আস্থাশীল, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে চাই। আমি আবারও দীপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করছি—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আমার শেষ ঠিকানা।’

অনুমোদনবিহীন গঠনের অভিযোগ

এনসিপির পার্বতীপুর উপজেলা কমিটির কার্যক্রম স্থগিত

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
এনসিপির পার্বতীপুর উপজেলা কমিটির কার্যক্রম স্থগিত
ফাইল ছবি

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা শাখার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। জেলা নেতৃত্বের দাবি, সম্প্রতি ঘোষিত উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি যথাযথ সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গঠন করা হয়নি।

আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেলে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দিনাজপুর জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদকবৃন্দ স্বাক্ষর করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২ জুন পার্বতীপুর উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে জেলা পর্যায়ের পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সাংগঠনিক নির্দেশনা অনুসরণ না করেই গঠিত হয়েছে। এ কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্বের পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ঘোষিত ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং লোকমান হোসেন (খোকন) কে সদস্যসচিব করা হয়। তবে কমিটির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

প্রশিক্ষণে চীন যাচ্ছেন ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ তরুণ প্রতিনিধিরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রশিক্ষণে চীন যাচ্ছেন ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ তরুণ প্রতিনিধিরা
ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নিতে ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে যাচ্ছে। প্রতিনিধিদলের এই সফর উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকায় এক সংবর্ধনার আয়োজন করে চীনা দূতাবাস।

জানা গেছে, প্রতিনিধিদলটি ৪ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চীনের ঐতিহাসিক শহর চংকিং ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র সাংহাই সফর করবে। সফরকালে তারা চীনের উৎপাদনশীল শক্তির বিকাশ, আধুনিক উন্নয়ন কৌশল, উচ্চ পর্যায়ের অর্থনৈতিক উন্মুক্তকরণ, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন এবং তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

আরো পড়ুন
‘জয় বাংলা বলেই তো দেশ স্বাধীন হয়েছে, এখন কেন অস্থির লাগে?’

‘জয় বাংলা বলেই তো দেশ স্বাধীন হয়েছে, এখন কেন অস্থির লাগে?’

 

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, ডাকসু ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম, ডাকসু ছাত্রদলের জি এস প্রার্থী তানভীর বারি হামিম, জাকসু ভিপি আবিদুর রশিদ জিতু, চকসু এ জি এস তৌফিকসহ ২০ জন।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সংসদ সদস্য জেবা আমিনা খান এবং প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না : শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না : শফিকুর রহমান
ছবি: কালের কণ্ঠ

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের দখল বা নিয়ন্ত্রণের পাঁয়তারা জনগণ মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, সরকার ইসলামী ব্যাংককে সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই ব্যাংক উদ্ধারের জন্য বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নামতে প্রস্তুত রয়েছে এবং ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কাউকে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বুধবার (৩ জুন) রাতে রাজধানীর মিরপুরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম তুহিন এবং অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম।

ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। আবারও ফ্যাসিবাদী কায়দায় ব্যাংক খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের কোনো ক্ষতি হলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ তিনি সরকারকে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ভূমিকার সমালোচনা করেন।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, দেশ এভাবে চলতে পারে না। বিগত সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একদল পালিয়ে গেছে পাশের দেশে, বাকি দল যাবে কোথায়? জনগণের স্বার্থে জামায়াত শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করবে এবং কখনো গৃহপালিত বিরোধী দল হবে না বলেও তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই, এরা বসন্তের কোকিল। দেশের ৩০০ জন সংসদ সদস্য যদি ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেন, তবে দেশ থেকে চাঁদাবাজি দূর করা সম্ভব।

বিশ্ব পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে এবার ইরান, লেবানন ও গাজাসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে এবং মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান সংকট যদি কৃত্রিম হয় তবে তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। আর যদি প্রাকৃতিক বা বৈশ্বিক কারণে হয়, তবে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয় সংসদ সঠিকভাবে কার্যকর করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।

জ্বালানি খাতের সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, দেশে গ্যাসের মজুদ কমে গেলেও নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। গ্যাসের দাম ৬০০-৭০০ টাকা বাড়িয়ে পরে মাত্র ৫০ টাকা কমানোকে তিনি জাতির সঙ্গে তামাশা বলে অভিহিত করেন।

সবশেষে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জনগণের স্বার্থে জামায়াতে ইসলামী শিগগিরই আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে তিনি জানান।

এক কাপ চায়ের টাকাও আমি দুর্নীতি করিনি : হাসনাত আব্দুল্লাহ | কালের কণ্ঠ