• ই-পেপার

গঠিত হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুব উইং

ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণেই বন্যায় এত প্রাণহানি : রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণেই বন্যায় এত প্রাণহানি : রিজভী
ফাইল ছবি

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও প্রকৃতিবিরোধী অবকাঠামো নির্মাণের কারণেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে এবং এত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের বাড়িতে যাতায়াতের সুবিধার্থে হাওরের মাঝ দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল। এতে হাওরের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় দলীয় নেতাকর্মীদের ঠিকাদারি সুবিধা দিতে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘একটি বিশেষ দেশকে খুশি করার উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা সরকার রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছিল। এর ফলে সুন্দরবনসংলগ্ন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।’
 
সাবেক রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিএনপি সারা দেশে শোক পালন করছে জানিয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘এ উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেছেন এবং দলীয় পতাকার পাশাপাশি কালো পতাকা উত্তোলন করেছেন।’
 
এ সময় বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারের পাশাপাশি বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রুহুল কবির রিজভী।

বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির
সংগৃহীত ছবি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভয়াবহ বন্যা, টানা অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে এনসিপির ভাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি।

সোমবার জাতীয় ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার সাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে জীবনে ঝুঁকি নিয়ে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আজকের পরীক্ষা চলমান রাখায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, কয়েকদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোর রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। বহু পরীক্ষা কেন্দ্র এখন বন্যার পানিতে প্লাবিত অথবা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ায় বুক সমান পানি ও তীব্র স্রোত পেরিয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। চারদিকে যখন একের পর এক মৃত্যুর খবর আসছে, তখন পরীক্ষা চালু রাখা অত্যন্ত অমানবিক। পাশাপাশি, যেসব পরীক্ষার্থীর ঘরবাড়ি ও বইখাতা বন্যার পানিতে ভেসে গেছে, তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে পরীক্ষায় বসা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। গ্রাম এলাকায় দিনের পর দিন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট না থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছে। এই অবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া মেধা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য তৈরি করবে।

অতএব, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং শিক্ষার্থীদের জীবন রক্ষা ও সমতা নিশ্চিত করতে জাতীয় ছাত্রশক্তি চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা দেশব্যাপী অবিলম্বে স্থগিত করার জোর দাবি জানাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নতুন সময়সূচি ঘোষণা করাই হবে এই মুহূর্তের সবচেয়ে প্রাজ্ঞ ও মানবিক সিদ্ধান্ত।

দেশে ফেরার ঝুঁকি নেবেন না শেখ হাসিনা!

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ফেরার ঝুঁকি নেবেন না শেখ হাসিনা!

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, ডিসেম্বরে তিনি দেশে ফিরবেন এবং আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তবে শেখ হাসিনার এই বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’ এবং ‘ঈদের পরে আন্দোলনের’ মতো মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বাংলানিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ জুলাইয়ের সব পক্ষ শক্তি এক হয়ে যাবে। ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ ভোগবাদী দলে পরিণত হয়েছে। বিদেশের ভোগবিলাসের জীবন ছেড়ে বেশির ভাগ নেতা-কর্মী দেশেই আসবে না। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শক্তিও শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পেছনে নেই। সুতরাং শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মতো এত বড় ঝুঁকি নেবেন না।

সব শেষ শুক্রবার (১০ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার এবং আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানান।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) টেলিফোনে তিনি এ সাক্ষাৎকার দেন। সম্প্রতি তিনি এনডিটিভিকে দেওয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারেও দেশে ফেরার কথা বলেন। এর আগে রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারত পালিয়ে যাওয়ার পর শেখ হাসিনা বিভিন্ন মাধ্যমে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার কলরেকর্ড ভাইরাল করার মাধ্যমে বহুবার বলেছেন—তিনি যেকোনো সময় দেশে ফিরবেন।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’ মনে করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী। তিনি বলেন, কোন ডিসেম্বর? বলেন নাই তো এই ডিসেম্বরে আসবেন। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাকি পরের কোনো ডিসেম্বরে। ওই বিএনপি যেমন বলত—ঈদের পরে আন্দোলন করব, কিন্তু ঈদের পরে আর আন্দোলন করত না, ওই রকমই হবে।

তিনি বলেন, রয়টার্স, এনডিটিভিকে দেশে ফিরবেন বলার আগেও বিভিন্ন ভাবে টেলিফোনিক আলাপগুলো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন—আসতেছি। কিন্তু কিছু হয় নাই। এখনকার এই বলাটাকেও ওই একই ভাবে দেখছি, খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি না।
 
শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে কতটা ঝুঁকি নেবেন এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. নুরুল আমিন বলেন, মনে হয় ঝুঁকি নেওয়ার অত সাহস নেই। কারণ গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে, তো অত সাহস মনে হয় হবে না। আর আন্তর্জাতিক লবি এখন আর আওয়ামী লীগের পেছনে নেই।

তিনি বলেন, মনে হয় না উনি এত বড় ঝুঁকি নেবেন। আর দেশে এলে উনি (শেখ হাসিনা) আদালতের সম্মুখে ফাঁসির আসামি। ফাঁসির আসামি হিসেবে ওই ড্রেস পরতে হবে, ওই ট্রিটমেন্টটা পাবেন। ভারতও কিছুদিন পর শেখ হাসিনাকে ‘বোঝা’ মনে করবে বলে মনে করেন রাজনীতির এই শিক্ষক।

তিনি আরো বলেন, কিছু দিন পর দেখবেন ভারত শেখ হাসিনাকে একটা বোঝা মনে করবে। তার কারণ, বর্তমান সরকার দেখেন চীনমুখী চলে গেছে। চীনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক স্থাপন করছে। তিস্তার কাজটা যখন শুরু করবে, তখন তো ইন্ডিয়া যত চেষ্টা করুক আর আগের মতো আসতে পারবে না। ইন্ডিয়া মনে হয় একটা নতুন চিন্তাভাবনা করছে যে শেখ হাসিনাকে আর কতটুকু সাপোর্ট দেবে তারা। এক্ষেত্রে আমার মনে হয় এইটা (শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্য) একটা হুমকি দেওয়ার মতো হচ্ছে অথবা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাহস যোগানোর জন্য বলছেন—আসতেছি।

শেখ হাসিনা দেশে এলে তার পক্ষে কতটা জনমত তৈরি হবে? কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবে কি না? এমন প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক বলেন, আমার মনে হয় এখন পর্যন্ত ওই পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। উনি দেশে এলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) যারা গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে ছিল তারা সবাই সঙ্গে সঙ্গে এক হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের কর্মীরা সাহস পাবে না। তার ওপর তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত একটা দল। তাদের তো অ্যারেস্ট করবে।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আন্দোলনমুখী হবে না বলেও মনে করেন অধ্যাপক নুরুল আমিন। তিনি বলেন, আরেকটা বিষয় হলো আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর টাকার মালিক হয়েছে। একবার টাকার মালিক হইলে তারা আর আন্দোলনমুখী হয় না। তারা ভোগবাদী নেতাকর্মীতে পরিণত হয়। যেটা আমরা দেখেছি বিএনপির ক্ষেত্রেও। ১৫ বছর আমরা বিএনপিকে দেখেছি আন্দোলনকে তত তারা বেগবান করতে পারেনি। তার কারণ ওই কয় বছর তারা ক্ষমতায় ছিল তাদের মধ্যে কিছু নেতাকর্মী একই ভাবে টাকা পয়সার মালিক হয়ে গিয়েছিল। ফলশ্রুতিতে তারা আন্দোলন করতে পারেনি। আওয়ামী লীগও ওইভাবে একটা ভোগবাদী পার্টিতে রূপান্তরিত হয়ে গেছে।

অধ্যাপক নুরুল আমিন বলেন, প্রমাণ দিতে পারি অনেক কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মী প্রচুর টাকার মালিক হয়েছে। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন জায়গায় চলে গেছে। তারা কখন আসবে? ওই যখন মনে করবে ২৪-এর অভ্যুত্থানের মতো আরেকটা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সফল হওয়ার পরে আসবে। এর আগে আসবে না, ঝুঁকি নেবে না। যদি নেয় অল্প সংখ্যক নেবে, ব্যাপক আকারে ঝুঁকি নেবে না। ফলশ্রুতিতে শেখ হাসিনা এই বক্তব্য দিয়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত করতে পারবেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান (পলিটিক্যাল সায়েন্স) বিভাগের আরেক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইনুল ইসলামও ভারতে আশ্রিত শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’ মনে করছেন।

তিনি বলেন, এটা স্টান্টবাজি, এটা একটা রাজনীতি। মানে উনি আত্মসমর্পণ করবেন এরকম না। আমার মনে হয় উনি আসবেন বা আত্মসমর্পণ করবেন এরকম সম্ভাবনা খুবই কম। এটা তার কর্মীদের এক ধরনের উজ্জীবিত করা, এক ধরনের পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি।

অধ্যাপক আইনুল ইসলাম আরো বলেন, আমার মনে হলো বাংলাদেশ সরকার রেডি আছে শেখ হাসিনাকে গ্রহণ করার জন্য। কারণ যদি উনি আসেন তাহলে তো ওনাকে আইন মোকাবেলা করতে হবে। … আর আইনকে ফাঁকি দেওয়ার জন্যই তো আসলে ওনারা দেশ থেকে চলে গেছেন। এখন আমার কাছে যথেষ্ট সন্দেহ হয় আসলে আইন মোকাবেলা করার জন্য আদৌ আসবেন কিনা।

জরুরি ভিত্তিতে দুর্গত অঞ্চলে খাবার ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছান : সাইফুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
জরুরি ভিত্তিতে দুর্গত অঞ্চলে খাবার ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছান : সাইফুল হক

দেশের বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জরুরি ভিত্তিতে দুর্গত এলাকায় খাবার ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি জলাবদ্ধতায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানান।

আজ রবিবার রাজধানীতে পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তৃতা করেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মহানগর কমিটির সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, চুন্নু সিকদার, জামাল সিকদার, সালাউদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, নান্টু দাস প্রমূখ।

সভায় সাইফুল হক বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরো গুরুতর হতে পারে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি। হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ ও অনিরাপত্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তিনি বলেন, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। অতিবৃষ্টি ও আগাম বন্যায় মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। হাওর এলাকার লাখো মানুষ অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, দুর্গত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত খাবার ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছাতে হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতায় আটকে পড়া মানুষকে দ্রুত উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় আগামী গণ-অভ্যুত্থান বার্ষিকী উপলক্ষে দলের কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করা হয় এবং ঢাকা মহানগরের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়।

গঠিত হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুব উইং | কালের কণ্ঠ