• ই-পেপার

নির্বাচিত সরকার ছাড়া সংস্কার সম্ভব নয় : তারেক রহমান

স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ : রাশেদ খান

গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বাস্তবতায় এনসিপির উত্থান জরুরি ছিল। কিন্তু জুলাই পদযাত্রায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এনসিপির ডাউন হয়েছে। শীর্ষ নেতারা পদযাত্রায় অংশগ্রহণের পরেও সাধারণ মানুষের সেই বিপুল আগ্রহ-উদ্দীপনা আর নাই।’

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘সাভারে এনসিপির পথসভায় ককটেল বিস্ফোরণের পরে ঢাকায় বড় কোনো প্রতিবাদ হয়নি। বরং ইসহাক সরকারের নেতৃত্বে যে প্রতিবাদী মিছিল হয়েছে, সেখানে ২০-২৫ জন লোক হয়েছে! তিনি একটা বোমা ফাটলে ১০টা বোমা ফাটানোর আওয়াজ দিলেও মানুষ সেই আওয়াজে কর্ণপাত করে নাই। অথচ একসময় ইসহাক সরকার ডাক দিলে যেকোনো সময় ৩-৪ হাজার লোক নেমে এসেছে।’

রাশেদ খান বলেন, ‘মূলত এনসিপি জামায়াতের সাথে যাওয়াতে নতুন রাজনীতির বন্দোবস্ত পুরাতন জামায়াতের দখলে চলে গেছে। মানুষের ধারণা এনসিপির জামায়াতের আরেকটা অঙ্গসংগঠন। শিবির ও জামায়াতের লোকজন দিয়ে এনসিপিকে বড় করার প্রজেক্টও সাধারণ মানুষে কাছে খোলাসা হয়ে গেছে। যে কারণে জামায়াত-শিবির আর এই প্রজেক্টে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে না। তারা এখন নিজেদের দিকেই ফোকাস দিচ্ছে বলে আমার ধারণা।’

তিনি বলেন, ‘এনসিপিই যদি জামায়াত হয়, তবে মানুষ কেন জামায়াতে বাদ দিয়ে এনসিপি করবে? সুতরাং এনসিপিকে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে যে, আমরা আসলেই নতুন বন্দোবস্তের দল।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘কিন্তু শীর্ষ নেতৃবৃন্দের একটি অংশ জামায়াতের ভোটে এমপি হয়ে হওয়ায়, তারা কি কখনো জামায়াত থেকে এনসিপিকে বের করতে চাইবে? যদি না চায়, তবে এ যাত্রায় নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ। আর এ আশা যতো ফুরিয়ে যাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ততো প্রাসঙ্গিক হয়ে ফিরে আসার উঁকিঝুঁকি মারবে! যা জাতির জন্য অশনিসংকেত! তবে এক্ষেত্রে অনেকে মনে করতে পারে, জামায়াত তো আছে। সত্যি বলতে, জামায়াত কখনো পুরোপুরি সরকারি দল বা পুরোপুরি বিরোধীদল হওয়ার ঝুঁকি নিবে না। জামায়াত তার সক্ষমতা বুঝে ফেলেছে। স্বাধীনতা না চেয়ে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার ঝুঁকি নেওয়া যায় না।’

বন্যা মোকাবেলায় এনসিপির রেসপন্স টিম গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যা মোকাবেলায় এনসিপির রেসপন্স টিম গঠন
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা ও দুর্গতদের সহায়তায় ‘ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস রেসপন্স টিম’ গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে দলটি।

এতে বলা হয়, এই টিম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবে। তারা দ্রুত ত্রাণ, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার কার্যক্রমে সমন্বয় করবে। বন্যাদুর্গত এলাকায় দ্রুত খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণ পৌঁছানো এবং উদ্ধার কাজ আরো সুসংগঠিত করতে এই টিম কাজ করবে।

টিমের সদস্য ও তাদের নম্বর : জাওয়াদুল করিম ০১৮৩২০৬০০৩১, জোবাইরুল হাসান আরিফ ০১৫৭৫৬৮১৭৩৪, এ.এস.এম. সুজা উদ্দিন ০১৬৪৮৩৪৭৯১৬, জোবায়ের মানিক ০১৬৪৭৪৫১২১৮, সাগুফতা বুশরা মিশমা ০১৬৭২৮৮৭০৮০, মীর শোয়াইব ০১৮১৩৪০৪১৭৫, আরিফ মঈনুদ্দিন ০১৬০৮৯৭১৯১৮, মোহাম্মদ সিফাত হোসাইন ০১৮৬৩৯৮৩৮১৩, সাজ্জাদ উদ্দীন ০১৮২২১১৭৭১০, মিশকাত হোসেন ০১৮৮১৩১৬৪৩০, আকাশ নূর ০১৭০৬৬৬২৭১২, আকরামুল হক ০১৮৩৭০৩১২৩১, আবদুল করিম টিপু ০১৬১২০৬৫৫২৩, আলী নেওয়াজ ইমন ০১৮১৫৩৫৭১৩২, রকিবুল হাসান ০১৫৩৩০২৯৫২৮, মোহাম্মদ আজাদ ০১৬৪৭৪১৫৫২৪ ও আব্দুর রহমান ০১৮৪৩০৭৫৯২৯।

 

এনসিপির জুলাই পদযাত্রার দক্ষিণাঞ্চলের শিডিউল পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক
এনসিপির জুলাই পদযাত্রার দক্ষিণাঞ্চলের শিডিউল পরিবর্তন

চট্টগ্রাম জেলায় ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আগামীকাল (রবিবার, ১২ জুলাই) কুমিল্লা মহানগর ও হোমনায় এবং পরশু সোমবার (১৩ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনটি স্পটে দক্ষিণাঞ্চলের জুলাই পদযাত্রা স্থগিত করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে দলটির মিডিয়া সেলের পাঠানো এক বার্তায় তা জানানো হয়েছে।

বার্তায় জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় এবং সন্ধ্যা ৬টায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তী পদযাত্রা চলমান থাকবে।

এনসিপি

উল্লেখ্য, শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৩টায় চাঁদপুর সদরে এবং সন্ধ্যা ৬টায় মতলব উত্তরের দুটি পদযাত্রা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে শনিবার বিকেল ৩টায় এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোমস্তাপুরে সন্ধ্যা ৬টায় জুলাই পদযাত্রা যথানিয়মে অনুষ্ঠিত হবে।

শেখ হাসিনার জন্য অপেক্ষা করছে ফাঁসির দড়ি : নাহিদ ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক
শেখ হাসিনার জন্য অপেক্ষা করছে ফাঁসির দড়ি : নাহিদ ইসলাম
রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আজ একটা ইন্টারভিউ আমরা দেখেছি, যে ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। আমাদের দাবি থাকবে, দেশ তো অলরেডি ১৬ বছরের ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই তিনি দেশে ফিরবেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। বাংলাদেশে রায় হয়ে গিয়েছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।’

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম। 

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা কীভাবে আসবে, তিনি কাদের নিয়ে আসবেন, তিনি সারেন্ডার করবেন কি করবেন না। এটা ঠিক করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে দিল্লির সঙ্গে কথা বলবে। এখানে আর কোনো পক্ষ নেই। ফলে সরকারই ঠিক করবে তাকে কখন আনবে, কীভাবে আনবে এবং কীভাবে বিচারের রায় কার্যকর করবে। সব প্রস্তুতি নিয়েই তাকে আনতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। দিল্লি থেকে তাকে যতটুকু পারমিট করা হয়, সে অনুযায়ী তিনি কথা বলেন। ফলে শেখ হাসিনা আসবেন কি আসবেন না, কীভাবে আসবেন, বিচার হবে কি না? এসব মূলত দিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করবে। শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগ এখন কোনো রাজনৈতিক দলই নয়।’

জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীরা যে-কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তবে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা বা প্রচেষ্টা হয়, সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে। বাংলাদেশের আপামর জনগণ, জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব পক্ষ, ত্রিশ হাজার আহত ও ১ হাজার ৪০০ শহীদ পরিবারের সদস্য, আমরা সবাই প্রস্তুত আছি।’

আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় নেওয়ার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গিয়েছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, কেবল ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। ফলে সেটার জন্য আমরাও চাই যে ফাঁসির রায় কার্যকর হোক।’

অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন উদ্যোক্তা অংশ নেন। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, না উদ্যোক্তাগণ বক্তব্য প্রদান করেন।